বিবৃতি

২ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৭:৪৬

‘জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল পদ নিয়ে টানাপোড়েন’ শীর্ষক প্রথম আলো পত্রিকার অসত্য প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

আজ ২ ডিসেম্বর দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে রিপোর্টার সেলিম জাহিদ কর্তৃক লিখিত “জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল পদ নিয়ে টানাপোড়েন” শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম আজ ২ ডিসেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে রিপোর্টার সেলিম জাহিদ কর্তৃক লিখিত ‘জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল পদ নিয়ে টানাপোড়েন’ শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। এ বিভ্রান্তিকর অসত্য রিপোর্টের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ সম্পর্কে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো প্রথম আলোর রিপোর্টটি হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ধারার ইসলামী দল। সরকারের নানা ধরনের জুলুম-নির্যাতন সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামী সংগঠনের গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখতে সক্ষম হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী দলে ও দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।

জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র মোতাবেক নতুন আমীর নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এখন নতুন নির্বাচিত আমীর সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক নতুন সেক্রেটারি জেনারেল মনোনীত করবেন। এ নিয়ে অস্থিরতা দেখা দেওয়া কিংবা টানাপোড়েন সৃষ্টির প্রশ্নই আসে না। নতুন আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘দলের মধ্যে নিজস্ব প্রভাব বলয় সৃষ্টির’ যে প্রচারণা প্রথম আলোর রিপোর্টে চালানো হয়েছে, তা সত্য নয়। আমীর নির্বাচন সম্পর্কে প্রথম আলোর রিপোর্টে যে সব বিভ্রান্তিকর কথা লেখা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। অতএব, এ নিয়ে দলের মধ্যে প্রশ্ন সৃষ্টির যে কথা লেখা হয়েছে তা অবান্তর।

জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নতুন দল গঠন করা সম্পর্কে যা লেখা হয়েছে তা সত্য নয়। জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমীর ডা. শফিকুর রহমান ‘বিএনপির সঙ্গে ২০-দলীয় জোটে থাকতে ইচ্ছুক নন’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের মনগড়া। ডা. শফিকুর রহমানের সাথে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের বিরোধ চলার যে কথা লেখা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে কোনো ধরনের বিভক্তি বা দলাদলি নেই। জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা এবং নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য লিখে তাদের চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, যা বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।

আমি আশা করি দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার এবং প্রথম আলো পত্রিকা কর্তৃপক্ষ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন এবং অত্র প্রতিবাদটি যথাস্থানে ছেপে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।”