বিবৃতি

৫ এপ্রিল ২০১৭, বুধবার, ৫:৪৮

আল্লামা সাঈদীকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে সরকার পরিকল্পিতভাবে জেলে বন্দী করে রেখেছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অন্যতম শীর্ষ নেতা প্রখ্যাত মুফাস্সিরে কুরআন ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে অবিলম্বে মুক্তি প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান আজ ৫ এপ্রিল প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে সরকার পরিকল্পিতভাবে জেলে বন্দী করে রেখেছে।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রিভিউ আবেদনের শুনানী সুপ্রীম কোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে এবং সহসাই রিভিউ শুনানীর সম্ভাবনা রয়েছে। বিশাবালী নামক জনৈক ব্যক্তিকে হত্যার যে অভিযোগে তাকে ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদন্ড এবং আপীলে সুপ্রীম কোর্টে আমৃত্যু কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে, সেই হত্যাকাণ্ডের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন না এবং জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না।

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী যে নির্দোষ সে ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের একজন সাব-সেক্টর কমান্ডারসহ পিরোজপুরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তি যথাযথভাবে সাক্ষী দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে নিহত বিশাবালীর ভাই সুখরঞ্জনবালী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিতান্তই দুঃখের বিষয় যে তিনি সাক্ষী দেয়ার জন্য আদালতে যাওয়ার পথে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে অন্যায় ও নির্মমভাবে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই মামলায় বিপুল সংখ্যক লোকের সাক্ষী গ্রহণ করা হলেও রহস্যজনক কারণে নিহত বিশাবালীর পরিবারের কোন সদস্যেরই সাক্ষী গ্রহণ করা হয়নি। এ ঘটনা থেকে দেশবাসীর সামনে সুস্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বিশাবালীর ভাই সুখরঞ্জন বালীকে যদি আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী প্রদানের সুযোগ দেয়া হত তাহলে ঐ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য ও সত্য জাতির সামনে উন্মোচিত হয়ে যেত।

আমরা আশা করি রিভিউ আবেদনের শুনানীতে আল্লামা সাঈদী ন্যায় বিচার পাবেন। তিনি ন্যায় বিচার পেলে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি লাভ করে জনগণের মধ্যে ফিরে আসবেন ইনশাআল্লাহ। তিনি যাতে ন্যায় বিচার পান সেই জন্য আমরা দেশবাসীকে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”