সর্বশেষ সংবাদ

৮ এপ্রিল ২০১৭, শনিবার, ৭:৩৭

পানিতে ডুবে বহু জমির ধান বিনষ্ট হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ

বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণের পাশে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সকলের প্রতি আহবান

গত প্রায় এক সপ্তাহ যাবত প্রবল বর্ষণ ও ভারতের আসাম এবং মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন হাওড় ও ভোলায় সমুদ্রের পানিতে ডুবে বহু জমির ইরি, বোরো এবং সাইল ধান বিনষ্ট হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ ৮ এপ্রিল প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও ভোলা জেলার ফসলহারা কৃষকগণ অর্ধাহারে-অনাহারে ক্ষুধায় হাহাকার করছে। তাদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা সামগ্রী ও নগদ অর্থ সাহায্য পাঠানো প্রয়োজন।

বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ী ঢলে সুনামগঞ্জ জেলার ৭৫% ভাগ জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গিয়েছে। জেলার ৪২টি হাওড়ের মধ্যে ৩৭টি হাওড়ের উঠতি ধান সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে অত্র এলাকাগুলোকে অতি দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা হোক।

বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চাল, ডাল, আটা, পেঁয়াজ, তেল, মরিচসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য আকাশ চুম্বী হয়ে গিয়েছে। যে চালের দাম এক সপ্তাহ পূর্বে ছিল প্রতি কেজি ২৮ থেকে ৫০ টাকা, তা বর্তমানে প্রতি কেজি ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। সকল দ্রব্যের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছে। বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাঁচাতে হলে দ্রুত দুর্গত অঞ্চলে সাহায্য-সামগ্রী পাঠানো প্রয়োজন।

তাই কৃষকদের জন্য খাদ্য দ্রব্যসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসা সামগ্রী ও বিনা সুদে কৃষি লোন প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে সকল স্বচ্ছল, দানশীল ব্যক্তি, সাহায্য সংস্থা এবং বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীগণকে দুর্গত এলাকার জনগণের পাশে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়ানোর জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।”