Sunday, 17th November, 2019
Choose Language:

সর্বশেষ
সংবাদ
ব্যারিস্টার আরমানকে রাতের অন্ধকারে বাসা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ
১০ আগস্ট ২০১৬, বুধবার,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য কারাবন্দী জনাব মীর কাসেম আলীর ছোট ছেলে এবং তার মামলার ডিফেন্স টীমের অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাদা পোষাকধারী একদল লোক গত ৯ আগস্ট দিবাগত রাত ১১টার পর রাজধানীর মীরপুরের ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে অন্যায়ভাবে আটক করে তুলে নিয়ে গিয়ে আটক করার কথা অস্বীকার করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান আজ  ১০ আগস্ট প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “কারারুদ্ধ জনাব মীর কাসেম আলীর পুত্র ও তার মামলার অন্যতম ডিফেন্স আইনজীবী ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানকে রাতের অন্ধকারে বাসা থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাদা পোষাকধারী একদল লোকদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের তাকে আটক করার কথা অস্বীকার করার নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই।
 
ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান তার পিতা কারারুদ্ধ জনাব মীর কাসেম আলীর মামলার অন্যতম ডিফেন্স আইনজীবী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী এক দল লোক তার বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আটকের কথা অস্বীকার করে দেশের আইন ও সংবিধান এবং মানবাধিকার লংঘন করেছেন। জনাব মীর কাসেম আলীর মামলা পরিচালনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি এবং তাকে ন্যায় বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই তার আইনজীবী ছেলেকে তুলে নেয়া হয়েছে। সরকারের এ ধরনের বেআইনী ও অমানবিক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি সকল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও আইনজীবী সমাজের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। 
 
ব্যারিস্টার আরমানকে আটক করার পর তাকে আটক করার কথা অস্বীকার করায় তার পিতা-মাতাসহ পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন এবং আমরা সকলেই উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় আছি। ব্যারিস্টার আরমানকে কোথায় কিভাবে রাখা হয়েছে তা অবিলম্বে প্রকাশ করে তার পরিবারের নিকট তাকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় তার যদি কোন ক্ষতি হয় তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।”