Thursday, 28th May, 2020
Choose Language:

সর্বশেষ
সংবাদ
মীর কাশেম আলীর বিচারিক হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে শান্তিপূর্ণ সর্বাত্মক হরতাল পালিত
৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬, সোমবার,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন বলেছেন, সরকার  নেতৃত্বশুণ্য করে দেশকে পরাশ্রয়ী করদরাজ্য বানানোর জন্যই জামায়াতের শীর্ষনেতাদের একের পর এক হত্যা করছে। সে ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকেও শহীদ করা হয়েছে। কিন্তু শহীদ করে অতীতে ইসলামী আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যায়নি আর কখনো যাবেও না বরং জুলুমবাজ সরকারকে একদিন জনতার রুদ্ররোষে পড়তে হবে। তিনি হরতাল সফল করায় নগরবাসীর প্রতি অভিনন্দন জানান।
 
তিনি আজ রাজধানীতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য শহীদ মীর কাসেম আলীকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মিরপুর পূর্ব থানা আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে একথা বলেন। মিছিলটি মোহাম্মদপুর মেইন রোড থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগরী  শুরা সদস্য ডা. শফিউর রহমান, আব্দুল ওয়াজেদ, আদাবর নয়েবে আমীর আলী আকরাম মোঃ ওজায়ের, আদাবর সেক্রেটারী আব্দুল হান্নান, জামায়াত নেতা আবু নাঈম, সৈয়দ কামরুল ইসলাম ইমরান হাসান তারিফ, সাকিব, ছাত্র নেতা  মোখলেছুর রহমান ও  মোঃ ইব্রাহীম প্রমুখ।
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন বলেন, শহীদ মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই প্রসিকিউশন প্রমান করতে পারেনি।  প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যে সব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছে তাতে কোথাও তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। চট্টগ্রামে ঘটনার স্থানে তার অনুপস্থিতির প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সরকার পক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য উপস্থাপন করে এবং দফায় দফায় সরকারের মন্ত্রীরা গোটা বিচার প্রক্রিয়ার ওপরে অবৈধ হস্তক্ষেপ করেছেন। এমনকি শহীদ মীর কাসেম আলীর রিভিউ শুনানীর আগেই ডিফেন্স আইনজীবী ও তার ছেলে ব্যারিষ্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানকে অপহরণ করে গুম করার মাধ্যমে তাকে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করেছে। মূলত সরকার কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে একজন বরেণ্য জাতীয় নেতাকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে পৈশাচিকতায় মেতে উঠেছে।
 
মিরপুর পূর্ব
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান বলেছেন, সরকার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই শহীদ মীর কাসেম আলীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে। কিন্তু তৌহিদী জনতা সরকারের এই নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। শহীদানের প্রতিফোটা রক্ত ইসলামী আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল করছে। জনতা রাজপথে নেমে হরতাল সর্বাত্মক ও শান্তিপূর্ণভাবে সফল এই নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতি ধিক্কার দিয়েছে। তিনি শোককে শক্তিতে পরিণত করে শহীদানের অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করার প্রত্যয় গ্রহনের জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
 
তিনি আজ রাজধানীতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য শহীদ মীর কাসেম আলীকে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মিরপুর পূর্ব থানা আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে একথা বলেন। মিছিলটি মিরপুর ২নং মনিপুর স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বারেক মোল্লার মোড়ে এসে  সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরার অন্যতম সদস্য  ও থানা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ জোবায়ের, জামায়াত নেতা শাহ আলম টুটুল, কামাল হোসেন মিয়াজী, জয়নাল আবেদীন, রফিকুল ইসলাম সেলিম , আওলাদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, ইছাহাক মুন্সী, ছাত্রশিবিরের মিরপুর পূর্ব ও স্কুল থানার সভাপতি তানভীর হোসেন এবং ছাত্রনেতা মানিক প্রমূখ। 
 
মাহফুজুর রহমান বলেন, সরকার গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দেশে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েমের জন্যই জামায়াতসহ বিরোধী দল ধ্বংসের মরণ খেলায় মেতে উঠেছে। তারা কথিত বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে বরেণ্য জাতীয় নেতাদের একের পর এক হত্যা করে নির্মম পৈশাচিকতায় মেতে ওঠেছে। সরকার শহীদ মীর কাসেম আলী সহ জামায়াতের শীর্ষনেতৃবৃন্দের মেধা, যোগ্যতা, সৃজনশীলতা, কর্তব্য নিষ্ঠা ও জনপ্রিয়তায় ঈর্শ্বান্বিত হয়ে একের পর এক হত্যা করে দেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে, শহীদ করে ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রা কখনো যায়নি আর কখনো যাবে না। তিনি ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদানের অসাপ্ত কাজ সমাপ্ত করা হবে বলে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
 
গুলশান-ভাটারা
হরতালের সমর্থনে গুলশান ও ভাটারা থানার যৌথ উদ্যোগে সকাল ৬ টায় নগরীতে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি প্রধান সড়ক থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গুলশান থানা সেক্রেটারি আবু জোনায়েদ। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দ।
 
পল্লবী-রূপনগর
পল্লবী-রূপনগর থানার যৌথউদ্যোগে হরতালের সমর্থনে মিছিলে নেতৃত্ব দেন পল্লবী  থানা আমীর জনাব আশরাফুল আলাম, রুপনগর থানা আমীর  জনাব নাসির উদ্দীন,  থানা শ্রমিক নেতা গাজী গুলাম মোস্তফা, ছাত্রশিবির পল্লবী ও রূপনগর থানা সভাপতি সহ অনেকে।
 
বংশাল
হরতালের সমর্থনে বংশাল থানার উদ্যোগে একটি মিছিল মকিম বাজার রোড থেকে বংশাল চৌরাস্তায় শেষ। উপস্থিত ছিলেন থানা আমীর আজমল হোসেন, জামায়াত নেতা মো: মনির হোসেন মিজি, মনির হোসেন পাটয়ারি, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা মাসউদ আলম, মাওলানা আলী হোসেন, হাফেজ খুরশেদ আলম, আবদুস সামাদ আজাদ, মো:  নাসির উদ্দিন ও মাওলানা আবদুল হাই প্রমুখ
 
মিরপুর পশ্চিম থানা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদের অন্যতম সদস্য জনাব মীর কাসেম আলীকে সরকার কতৃক হত্যার প্রতিবাদে দেশ ব্যাপি হরতালের অংশ হিসেবে হরতালের সমর্থনে মিরপুর পশ্চিম থানা সেক্রেটারি আব্দুর রাকিব এর নেতৃত্বে  নতুন বাজার থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা শুরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য এম বি  এইচ   খান, শামসুল ইসলাম, এবি আউয়াল খান প্রমুখ। মিছিলটি  গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে  তাজলেন মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
 
কাফরুল-ভাষানটেক
হরতালের সমর্থনে কাফরুল থানার উদ্যোগে রাজধানীর ইব্রাহিমপুরে অধ্যাপক আনোয়ারুল করিমের নেতৃত্বে মিছিল ও পিকেটিং অনুষ্ঠিত হয় ।  মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আব্দুল মতিন খান, সেলিম খলিফা, ইকবাল হোসাইন ও তৌফিকুল হক প্রমুখ।
 
উত্তরা পশ্চিম
হরতালের সমর্থনে উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্দোগে আজমপুর সংলগ্ন গাউসুল আজম এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা পশ্চিম থানা আমির এ্যাড. বি এইচ সুজা, থানা সেক্রটারী আব্দুল্লাহ রেজা, জামায়াত নেতা এস সানু, এম আলম, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক, মশিউর রহমান, বকুল, মাসুদ এবং শিবির সভাপতি সুমন সহ জামায়াতের বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি, সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি সেক্রেটারীগণ। মিছিলটি মুল রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় বক্তব্য রাখেন থানা আমির এ্যাড. বি এইচ সুজা।
 
কামরাঙ্গীরচর
হরতালের সমর্থনে কামরাঙ্গীরচর থানার ভেড়ীবাধঁ এলাকায়  একটি বিক্ষোভ মিছিল  অনুষ্ঠিত হয় কামরাঙ্গীরচর থানা জামায়াত।  মিছিলে  উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান, আব্দুল্লাহ ও তোফাজ্জল প্রমুখ।
 
বিমানবন্দর
হরতালের সমর্থনে বিমানবন্দর থানার  উদ্দোগে আসকোনা এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দর থানা সেক্রেটারী এ্যাড মোঃ ইব্রাহিম খলিল, জামায়াত নেতা সাব্বির সওদাগর, শামিম হোসেন, শাহ আলম, আহসান হাবিব, ইঞ্জিনিয়ার রুহুল হক সহ বিমানবন্দর থানার জামায়াতেরর বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি, সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি সেক্রেটারী গণ। মিছিলটি মুল রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী এ্যাড মোঃ ইব্রাহিম খলিল।
 
কোতয়ালী 
হরতালের সমর্থনে কোতয়ালী থানা জামায়াত নেতা এ কে নাঈম এর নেতৃত্বে  বাবাবুবাজার থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা ডা. বদরে আমিন, মো: আলমগীর, আবু বকর, ছাত্রনেতা বেলাল প্রমুখ। মিছিলটি  গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সদরঘাটে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
 
যাত্রাবাড়ী পশ্চিম
হরতালের সমর্থনে যাত্রাবাড়ী পশ্চিম জামায়াত নেতা আকতার হোসাইন এর নেতৃত্বে  ধোলাইপাড় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, আমিনুল, হাবিবুর রহমান, রাসেল, জহির প্রমুখ। মিছিলটি  গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ধোলাইপাড় মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
 
কদমতলী পশ্চিম
হরতালের সমর্থনে কদমতলী পশ্চিম থানার  উদ্দোগে কদমতলী এলাকার শ্যামপুর রোডে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা এম উদ্দিন, হাসেম আলী, আলাউদ্দিন, জাকির হোসাইন ও নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
 
রমনা
হরতালের সমর্থনে রমনা থানার  উদ্দোগে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেনথানা জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য মাহবুবুর রহমান, মহানগর পূর্বের শিবির নেতা ইমাম হোসাইন, সাইয়েদ জোবায়ের, ছাত্রনেতা আনিসুর রহমান ও মোঃ ইউসুফ প্রমুখ।
 
কদমতলী পূর্ব
হরতালের সমর্থনে কদমতলী পূর্ব থানা জামায়াত নেতা মনির হোসেন এর নেতৃত্বে  কদমতলী এলাকায় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে  উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আতিকুর রহমান, শরীফ হোসাইন, দুলাল, ছাত্র নেতা মাসুম তারিফ, আবু বকর, মোস্তফা হোসাইন ও খোরশেদ আলম প্রমুখ।
 
শ্যামপুর 
হরতালের সমর্থনে শ্যামপুর  থানার  উদ্যোগে ফরিদাবাদ এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা এ্যাড মোঃ ইব্রাহিম খলিল, কামরল ইসলাম, আবুল কাসেম, আব্দুল খালেক, বশির উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, ছাত্র নেতা আব্দুর রহমান, তানভীর,। মিছিলটি মুল রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
 
মতিঝিল
হরতালের সমর্থনে মতিঝিল  থানার  উদ্দোগে কমলাপুর এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রটারী মুতাসিম বিল্লাহ, জামায়াত নেতা কিবরিয়া, মাহমুদ আলী, সিফাউল্লাহ প্রমুখ। মিছিলটি মুল রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
 
শাহজাহানপুর
হরতালের সমর্থনে শাহজাহানপুর থানা জামায়াত সেক্রটারী সাইদুর রহমান এর নেতৃত্বে  আমতালা এলাকা থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা সারোয়ার, সাইফুল ও সুমন প্রমুখ।
 
যাত্রাবাড়ী পূর্ব
হরতালের সমর্থনে যাত্রাবাড়ী পূর্ব থানার  উদ্দোগে ডেমরা রোডের কাজলা এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মাওলানা মোঃ আশরাফ, মাওলানা আব্দুল করিম, সাইমুদ্দিন, নাসির উদ্দিন, মোবারক হোসেন, হাবিবুর রহমান, মোঃ আব্দুল্লাহ, জামাল উদ্দিন,  ছাত্র নেতা মুজিবুর রহমান মঞ্জু, আমজাদ হোসেইন ও  শেখ ফরিদ প্রমুখ।
 
রামপুরা 
হরতালের সমর্থনে রামপুরা থানার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা শুরা  ও কর্মপরিষদ সদস্য আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে মিছিল টি রামপুরা ব্রীজ থেকে শুরু হয়ে বনশ্রী এসে শেষ হয়। উপস্থিত ছিলেন থানা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর, জামায়াত নেতা মনিরুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম মানিক, জহিরুল আলম স্বাধীন,  আবুল হাসনাত, আব্দুল আজিজ, আব্দুস সালাম, ছাত্রনেতা ফারুক  ও শরিফ প্রমূখ।
 
পল্টন
হরতালের সমর্থনে পল্টন থানার উদ্যোগে ফকিরাপুল পানির ট্যাংকি থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য আমিনুর রহমান নেতৃত্বে মিছিলটি মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মনির হোসেন, হাসান আল বান্না ও  ছাত্রনেতা নূরুল  ইসলাম প্রমূখ।
 
খিলক্ষেত
হরতালের সমর্থনে খিলক্ষেত থানার  উদ্দোগে বটতলা এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন খিলক্ষেত থানা আমির মোঃ হোছাইন আহমেদ, থানা শিবির সভাপতি আবু নাইম, জামায়াত নেতা সলিমুল্লাহ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আবুল বাসার, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ উল্লাহ সহ খিলক্ষেত থানার জামায়াতেরর বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং ইউনিটের সভাপতি, সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি সেক্রেটারী গণ। মিছিলটি মুল রাস্তা প্রদক্ষিন শেষে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় বক্তব্য রাখেন থানা আমির মোঃ হোছাইন আহমেদ।
 
ওয়ারী
হরতালের সমর্থনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ওয়ারী থানার উদ্যোগে ওয়ারী এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা সেক্রেটারী অধ্যাপক আব্দুস সালাম এর নেতৃত্বে  মিছিলে থানার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 

এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর, নোয়াখালী, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, পাবনা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষীরা, ফরিদপু্‌র, নারায়াণগঞ্জ ও দেশের আরো বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ  সর্বাত্মক হরতাল কর্মসূচী পালন করে জামায়াত