Tuesday, 07th July, 2020
Choose Language:

সর্বশেষ
সংবাদ
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় জামায়াতকে জড়িয়ে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতিবাদ
২১ জুলাই ২০১৬, বৃহস্পতিবার,
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় “সন্দেহজনক ১১ এনজিও নজরদারীতে” শিরোনামে আজ ২১ জুলাই প্রকাশিত রিপোর্টে জামায়াতকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ আজ ২১ জুলাই প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলাদেশ প্রতিদিনের রিপোর্টে আবুল বারাকাতের সূত্রের বরাত দিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে যে বক্তব্য ছাপা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা। 
 
উল্লেখিত রিপোর্টে তার এ ধরনের নিন্দনীয় অপপ্রয়াস এটাই প্রথম নয়। জামায়াতের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধে তিনি কমপক্ষে এক দশক ধরে লিপ্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সময় মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তিনি জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালিয়ে আসছেন। তিনি সরকারী একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় সেখানে যে লুটপাট এবং অপকর্ম হয়েছে তা জাতির অজানা নয়। ইসলামী ব্যাংক-বীমার বিরুদ্ধে তার বিষোদগারও নতুন নয়। ইসলামী অর্থনীতির সঞ্চালক হিসেবে ‘ইসলামী ব্যাংক-বীমা’ এ দেশের আপামর জনসাধারণের যে ভালবাসা অর্জন করেছে তার প্রতি ভীতি সৃষ্টি করার অসৎ উদ্দেশ্যেই তিনি এ বিষোদগার করে থাকেন। এ দেশের রেজিস্টার্ড এনজিওগুলো সরকারের এনজিও বুরো কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে এনজিওগুলোর সচ্ছতা দেখার দায়িত্ব তাদেরই। জামায়াতকে জড়িয়ে যে আবোল তাবোল বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা একেবারেই আজগুবি ও হাস্যকর। এর সাথে জামায়াতের দূরতম কোন সম্পর্কও নেই। 

আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বারবার  বলে আসছি যে, জামায়াতে ইসলামী ‘ইসলাম’ এর সুমহান আদর্শ বুকে ধারণ করে নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিকপন্থায় তার সমস্ত কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে থাকে। এখানে কোন ধরনের চরমপন্থা, বাড়াবাড়ি কিংবা সন্ত্রাসের কোন সুযোগ নেই। জামায়াতের সাথে সন্ত্রাসের সম্পর্ক থাকা তো দুূরের কথা, সকল প্রকার সন্ত্রাসকে জামায়াত তীব্রভাবে ঘৃণা করে।
 
সম্প্রতি বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় যে সমস্ত সন্ত্রাসীরা ঘটনা স্থলে হাতেনাতে ধরা পড়েছে, নিহত হয়েছে, তারা কোন ঘরানার লোক সেটা জাতির সামনে প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। জাতি জানে, তারা কেউই জামায়াতের সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত নয়। আবুল বারাকাতদের এ অপপ্রয়াস উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার সামিল। প্রকারান্তরে এর মাধ্যমে তারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকেই উৎসাহিত করছেন। 
 
তাদের এ জঘন্য দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে জাতিকে তারা প্রচন্ড ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিবেন। বর্ণচোরা এ সমস্ত কথিত বুদ্ধিজীবী ও মতলববাজদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ”