Thursday, 28th May, 2020
Choose Language:

সর্বশেষ
সংবাদ
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ
২১ মে ২০১৬, শনিবার,
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আজ ২১ মে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ আজ ২১ মে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরী ভিত্তিতে সাহায্য পাঠানোর জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। 
 
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পটুয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় এ পর্যন্ত ১৪ জন লোক নিহত এবং তিন শতাধিক লোক আহত হয়েছে, সাত শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ী ধ্বংস হয়েছে, গাছ-পালা, জমির উঠতি ফসল বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে, চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছে। হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। তিন শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গিয়েছে।
 
হাজার হাজার মানুষ খোলা আকাশের নীচে অর্ধাহারে ও অনাহারে কোন রকমে বেঁচে আছে। বেড়িবাঁধ ভেংগে পানি ঢুকে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে এবং জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। পানি বন্দীদের উদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য, পানীয় ও গৃহনির্মাণ সামগ্রীর ব্যবস্থা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। 
 
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী এবং আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়াবার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দূর্গত অঞ্চলের সকল শাখা, স্বচ্ছল দানশীল ব্যক্তি ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। 
 
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে যারা নিহত হয়েছেন আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহর দরবারে বিনয়াবনত চিত্তে দোয়া করি আল্লাহ যেন সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে তার গায়েবী সাহায্য দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার তাওফীক দান করেন।”