Friday, 24th January, 2020
Choose Language:

সর্বশেষ
সংবাদ
প্রসিকিউশন ও আসামীকে এক ডকে রাখা উচিত: মীর কাসেম আলীর আপিলের রায় ৮ মার্চ
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, বৃহস্পতিবার,
•    সেনা হেলিকপ্টারে মীর কাসেম চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর আপিলের শুনানি শেষে আগামী ৮ মার্চ রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। দু’পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষে এ দিন নির্ধারণ করেন আদালত। শুনানিতে আবারো প্রধান বিচারপতি প্রধান বিচারপতির ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের আইনজীবী এবং তদন্ত সংস্থার বিরুদ্ধে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। প্রধান বিচারপতি বলেছেন প্রসিকিউশনের আইনজীবী ও আসামীকে এক ডকে (কাঠগড়ায়) রাখা উচিত।
গতকাল বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। বেঞ্চের অপর চার সদস্য হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
গতকাল মীর কাসেম আলীর পক্ষে তার প্রধান কৌঁসুলি ও সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন এবং সরকার পক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানিতে অংশ নেন।
শুনানিতে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে আদালত প্রশ্ন করেন, প্রসিকিউশনের ডকুমেন্টে দেখা যায় মীর কাসেম আলী ২৩ নবেম্বর ঢাকা ছিলেন। দুটি পত্রিকায় ছাত্রসংঘের তৎকালীন সভাপতি আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মীর কাসেম আলীর যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত হয়। একটি পত্রিকার বিবৃতিতে বলা হয়েছে তারা ঢাকা থেকে বিবৃতি দিয়েছেন। ২৩ নবেম্বর যদি মীর কাসেম আলী ঢাকা থাকেন তাহলে ২৪ নবেম্বর চট্টগ্রাম গিয়ে অপহরণ ঘটনার সাথে যুক্ত হওয়া কি করে সম্ভব যখন দেশের যোগাযোগ ছিল ব্যবস্থা একেবারেই বিধ্বস্ত।
এটর্নি জেনারেল এর আগে গত মঙ্গলবারের শুনানিতে বলেছিলেন, বিবৃতি যেকোন জায়গায় বসে দেয়া যায়। বিবৃতি দেয়ার জন্য ঢাকায় অবস্থানের দরকার নেই। আর  ২৩ তারিখ ঢাকায় থাকলেও ২৪ তারিখ চট্টগ্রামে গিয়ে অপহরণের ঘটনা ঘটানো সম্ভব।
শুনানির শেষ দিকে আদালত এ বিষয়টির আবারো এটর্নি জেনারেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তখন এটর্নি জেনারেল বলেন, যদি ধরেও নেই তিনি ২৩ তারিখ ঢাকা ছিলেন তবু ২৪ তারিখ চট্টগ্রাম গিয়ে অপহরণ করা সম্ভব।
তখন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, কিভাবে গিয়েছিলেন? মীর কাসেম আলী সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন?
তখন এটর্নি জেনারেল কয়েকটি মেইল সার্ভিসের নাম উল্লেখ করে বলেন, ট্রেনে করে তখন যাওয়া সম্ভব ছিল।
প্রসিকিউশন ও আসামীকে এক ডকে রাখা দরকার ছিল : প্রধান বিচারপতি গতকাল বুধবারও প্রসিকিউশন (ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষের আইনজীবী টিম) ও তদন্ত সংস্থার প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মামলা পরিচালনায় তাদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা এবং দুর্বলতার জন্য। তিনি বলেন, এই একটি মামলা যা একেবারে দায়সারাভাবে শেষ করা হয়েছে। অন্য মামলায় সিরিজ অব ডকুমেন্ট থাকতো। ৭০-৮০টি করে পেপার কাটিং থাকতো। খুবই দু:খজনক ঘটনা। ডিফেন্স পক্ষ ডকুমেন্ট সংগ্রহের জন্য পিরোজপুর বরিশাল গেছে। কিন্তু প্রসিকিউশন কি করেছে। প্রসিকিউশন এবং আসামীকে এক ডকে রাখা দরকার ছিল।
শহীদ জসিমের ভাই প্রফেসর রাজিব হুমায়ুনকে সাক্ষী করা হলো না কেন : মীর কাসেম আলীর প্রধান কৌঁসুলি খন্দকার মাহবুব হোসেন যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে জসিম উদ্দিন নামে এক কিশোর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু এ অভিযোগ বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সাক্ষী হতে পারতেন তার আপন ভাই প্রফেসর ড.রাজিব হুমায়ুন। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা তার সাক্ষাৎকারও নিয়েছেন। কিন্তু তাকে এ মামলার সাক্ষী করা হয়নি। আসলে মীর কাসেম আলী যদি তার ভাই হত্যায় জড়িত থাকতেন তাহলে তিনি এ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আসতেন। তাকে সাক্ষী না করায় এটা প্রমাণিত যে, মীর কাসেম আলী জসিম উদ্দিন হত্যার সাথে জড়িত নন।
এরপর খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাক্ষী ডালিম হোটেলে অপহরণ ও নির্যাতন বিষয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা এডভোকেট শফিউল আলমের কাছে এ ঘটনা জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন। এডভোকেট শফিউল আলম ‘সেই সে সময় আনন্দ বেদনায়’ শীর্ষক বইয়ে লিখেছেন তাকেও ডালিম হোটেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি তার বইয়ে কোথাও মীর কাসেম আলীর নাম উল্লেখ করেননি। বলা হয়েছে  ভয়ে তিনি তার নাম এড়িয়ে গেছেন। অথচ এডভোকেট শফিউল আলমের বইটি প্রকাশিত হয়েছে ২০০৬ সালে। তখন বিএনপি ক্ষমতায়। তিনি তার বইয়ে বেগম খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান এবং এরশাদেরও কঠোর সমালোচনা করেছেন। মীর কাসেম আলী এমন কোনো শক্তিশালী ব্যক্তি তখন ছিলেন না যে, তার নাম তিনি ভয়ের কারণে এড়িয়ে গেছেন। মূলত তার বই থেকেও এটা প্রমাণিত যে, ডালিম হোটেল কেন্দ্রিক কোনো ঘটনার সাথে মীর কাসেম আলীর কোনো সম্পর্ক নেই।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, জসিম উদ্দিনের মামতো বোন হাসিনা খাতুন ট্রাইবুনালে এসে তার হত্যা বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় জসিমসহ তার অনেক সহযোদ্ধা তার বাসায় আসতো। জসিম উদ্দিন মৃত্যৃর আগে তার কাছে পোলাও কোর্মা খাওয়ার বায়না করেছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি জসিমের সন্ধানে নামেন। জসিমের মৃত্যুর সংবাদে তিনি কান্নাকাটি করেছেন।
স্বাধীনতার পর হাসিনা খাতুন স্থানীয় ‘সাপ্তাহিক স্বীকৃতি’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি জেরায় স্বীকার করেছেন যে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে তিনি অনেক লেখালেখি করেছেন। এমনকি কিলিং স্পট নামে তিনি লিখেছেন। অথচ তিনি স্বীকার করেছেন তিনি ডালিম হোটেল বা তার ফুফাত্ ভাই জমিস উদ্দিনের বিষয়ে কোনো লেখা লেখেননি। হাসিনা খাতুন তার এতো আদরের ভাই সম্পর্কে কিছুই লিখলেন না এটা আশ্চর্যের বিষয়।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন,  মীর কাসেম আলী নবেম্বরের আগ পর্যন্ত পুরো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে থাকলেন। অথচ তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও আনা হলো না তার চট্টগ্রামে অবস্থানের সময়কালে। এর রহস্য কি? ডালিম হোটেলও সাত নবেম্বরের আগে ছিল। তখনো মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে ডালিম হোটেলকেন্দ্রিক কোনো অভিযোগ নেই।
অপরদিকে চার্জে মীর কাসেম আলীকে সম্বোধন করা হয়েছে ‘ইউ মির কাসেম আলী প্রেসিডেন্ট অব ইসলামী ছাত্রসংঘ চিটাগং টাউন ইউনিট’ হিসেবে। অথচ যে সময়ে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে তখন তিনি ছাত্রসংঘের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। আর চট্টগ্রাম শহর শাখা সভাপতি আবু তাহের নামে অন্য আরেকজনের নাম দেখা যায় প্রসিকিউশনেরই ডকুমেন্টে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দালাল আইনে ৩২ হাজার মামলা হলো। কিন্তু মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে কোথাও একটি মামলাও হলো না। ১৯৭২ সাল পর্যন্ত গোয়েন্দা রিপোর্টে কোথাও মীর কাসেম আলীকে আলবদরও বলা হয়নি।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো এভিডেন্স নেই। সব শোনা সাক্ষীর ভিত্তিতে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। জসিম উদ্দিন কবে কোথায় মারা গেছে তার সঠিক কোনো তথ্য প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি। মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ খুবই দুর্বল। দুর্বল সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কাউকে শাস্তি দেয়া ঠিক নয়। হয় তার বিরুদ্ধে মামলা রিমান্ডে পাঠান না হয় তাকে খালাস দিন।
ছাত্রসংঘ মানেই আলবদর : খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, মীর কাসেম আলী কখনো আলবদর ছিলেন না। কোনো সাক্ষী বলেনি তিনি আলবদর ছিলেন। তখন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, আলবদর ছিল একটি কিলিং স্কোয়াড। ইসলামী ছাত্রসংঘ মানেই আলবদর। ছাত্রসংঘের সদস্যরাই আলবদর গঠন করে। ছাত্রসংঘের সদস্য মানেই আলবদর।
এছাড়া সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, উই আর কনসাশ অ্যাবাউট আওয়ার ফাইন্ডিংস এন্ড অবজারভেশনস। তিনি বলেন, তখন দেশে হত্যাযজ্ঞ (কিলিং স্প্রি) চলছিল। সে সময় দেশে আইনশঙ্খলা বলতে কিছু ছিল না। কার কথা কে মানতো? জেনারেলরা বলেছে তারা মানুষ চায় না। পোড়া মাটি চায়। তখন অবস্থা কি দাঁড়ায়? আমরা আইনের ব্যাখ্যায় বলেছি পাকিস্তানের তখনকার পরিস্থিতিতে কমান্ড রেসপনসিলিটি  বিবেচনা করতে হবে। 
সকালে শুনানির শুরুতে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম যুক্তি উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দী  থেকে পড়ে শোনান। এরপর তিনি মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার আরজি রাখেন আদালতে।
শুনানি শেষে তিনি তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আমি আদালতে বলেছি যে, দুটি অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে ট্রাইব্যুনালে তা সঠিকভাবেই দেয়া হয়েছে এবং তা বহাল রাখা হোক।
অরপরদিকে শুনানি শেষে খন্দকার মাহবুব হোসেন তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা আদালতে মীর কাসেম আলীর খালাস চেয়েছি। মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে কখনও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ করা হয়নি অতীতে। হঠাৎ করেই তাকে রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সরাসরি অপরাধে জড়িত থাকার কোনো অভিযোগ নেই। সব শোনা সাক্ষীর ভিত্তিতে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। এমনকি  শেখানো সাক্ষীরাও বলতে পারেননি তিনি কোথাও ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। আমরা বলেছি দুর্বল সাক্ষ্য প্রমাণের মামলায় বেনিফিট অব ডাউট আসামীর পাওয়া উচিত। অথবা মামলা রিমান্ডে পাঠানো  উচিত।
শুনানিতে মীর কাসেম আলীর পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উস্থিত ছিলেন, এডভোকেট আবেদ রাজা, ব্যারিস্টার তানভির আহমেদ আল আমিন, ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম, এডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
গত ২ নবেম্বর ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে দু’সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের রায় প্রদান করেন। প্রসিকিউশনের আনীত ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার অভিযোগে তাকে এই দণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ২ নম্বর অভিযোগে ২০ বছর, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯ ও ১০ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে ৭ বছর করে এবং ১৪ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদ-ের আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। অপরদিকে ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় তাকে। ওইদিন মোট ৩৫১ পৃষ্ঠার রায়ের মধ্যে ১১ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত রায় পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেম আলীর আপিলের শুনানি শুরু হয়। এর আগে গত বছরের ৩০ নবেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদ-ের রায় থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেম আলী। তার পক্ষে আইনজীবীরা আপিলটি দাখিল করেন। আপিলটি পাঁচটি ভলিউমে ১৭৫০ পৃষ্ঠার। ১৫০ পৃষ্ঠায় ১৮১টি যুক্তিতে খালাস চাওয়া হয়েছে।
২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=225304