২০ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
নির্বাচন কমিশন যেভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারে
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, বুধবার,
সবকিছুরই যেন মান কমে যাচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনে লেখাপড়ার মান কমছে। মান কমছে শিক্ষার্থীদের। জিপিএ ফাইভ পাওয়া ছাত্রের মান কমে গেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনের অবস্থাও একই রকম। রাজনৈতিক নেতাদের মান কমেছে। অনেক নেতা জনকল্যাণের চেয়ে নিজের কল্যাণ করতে ব্যস্ত। প্রশাসনেও একই অবস্থা। অধিকাংশ প্রশাসক গণসেবা নিশ্চিত না করে আত্মসেবা ও সরকারি সেবায় অধিক মনোযোগী। ওএসডি কালচারের ব্যাপকতা এবং চরম দলীয়করণে প্রশাসনে পেশাদারিত্ব নেই। মান কমার ঢেউ লেগেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও। সেখানেও সুশাসনের ঘাটতি। এ ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনেরও ক্রমান্বয়ে মান কমেছে। ড. এটিএম শামসুল হুদা থেকে কাজী রকিবউদ্দীন। আবার কাজী রকিবউদ্দীন থেকে কেএম নুরুল হুদা। এ পরম্পরায় নির্বাচন কমিশনের মান নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।
 
নতুন সিইসি মহোদয় জনগণের কাছে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব নন। সাধারণ মানুষ তাকে অযোগ্য বলছেন না। তবে তারা তাকে আগের সিইসিদের মতোও মনে করছেন না। বিচারপতি আবদুর রউফ, এমএ সাঈদ, আবু হেনা, অথবা এটিএম শামসুল হুদার মতোও মনে করছেন না। সার্চ কমিটির নামে লুকোচুরির যে মেলোড্রামা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নুরুল হুদা কমিশনের নিয়োগ হয়েছে, জনগণ সে বাড়াবাড়ি পছন্দ করেননি। জনগণ জানতে পারেননি ইসিতে নিয়োগ দেয়ার জন্য কোন দল কার কার নাম কী বিবেচনায় দিল এবং সার্চ কমিটি তার মধ্য থেকে দশজনকে কোন প্রক্রিয়ায় বাছাই করল। পরে রাষ্ট্রপতি কীভাবে পাঁচজনের তালিকা করলেন। বাকিদের কোন বিবেচনায় বাদ দেয়া হল। সিইসিকে রাষ্ট্রপতি দশজনের মধ্য থেকে নাকি বাইরে থেকে নিলেন সে বিষয়টিও জনগণের কাছে পরিষ্কার নয়। মোট কথা, ইসিতে নিয়োগদানের সমগ্র প্রক্রিয়াটি জনগণের কাছে স্বচ্ছ মনে হয়নি। জনগণ গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণে স্বচ্ছতা দেখতে চায়, লুকোচুরি দেখতে চায় না।
 
সার্চ কমিটির এত অনুসন্ধানের পর এমন একজন ব্যক্তিকে সিইসি করা হল, যিনি বিএনপি আমলে ওএসডি হয়েছিলেন। বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, একটি দলের সরকারের আমলে ওএসডি হওয়া কোনো ব্যক্তি ওই দলের ওপর খুশি থাকবেন না। আবার ওই দলটিও ওএসডি করা ব্যক্তিকে ভালো বিবেচনা করবে না। ভুলে যাওয়া উচিত হবে না, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি কোনো নির্বাচনে হারলেও ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পায়। দেশে সুযোগ্য লোকের কি এতই অভাব ছিল যে, একটি বড় দলের ওপর ‘নাখোশ’ ব্যক্তিকেই সিইসি করতে হবে? সার্চ কমিটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর যখন প্রথমে গণমাধ্যমে সম্ভাব্য নাম শোনা যাচ্ছিল তখন আলী ইমাম মজুমদার, ড. সা’দত হুসাইন, আসফউদ্দৌলা, আবদুল করিম, মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ আরও অনেক খ্যাতিমান ও সুপরিচিত অবসরপ্রাপ্ত আমলার নাম শোনা গিয়েছিল। তাদের যোগ্যতা, পরিচিতি, গ্রহণযোগ্যতা ও সুখ্যাতি ছিল। তাদের মধ্য থেকে অথবা এ মানের কাউকে সিইসি করলে সাধারণ মানুষ ওই নিয়োগকে সাধুবাদ জানাতেন। যা হোক সবকিছুর পর প্রধানমন্ত্রী যেমন নির্বাচন কমিশন চেয়েছেন তেমন ইসিই গঠিত হয়েছে। কারণ ইসিতে নিয়োগদানের জন্য আইন না থাকায় রাষ্ট্রপতির নিয়োগদানে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই প্রাধান্য পাওয়ার কথা। তবে নতুন কমিশন গঠিত হওয়ার পর থেকেই এর সমালোচনা শুরু হয়েছে।
 
সমালোচনা হলেও নতুন ইসি নিরপেক্ষ রেফারির মতো মেরুদণ্ড শক্ত করে কাজ করতে চাইলে সাংবিধানিক পদে থেকে তা করা সম্ভব। নতুন ইসি সে রকম দৃঢ়তা নিয়ে কাজ করবে কিনা তা দেখতে আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। অনেকে ভাবছেন, নতুন ইসি প্রথমে সরকারি দলের ওপর কড়াকড়ি করে বিরোধী দলগুলোর আস্থা অর্জনের চেষ্টা করবে। এ কৌশলের অংশ হিসেবে আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত প্রতিটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও উপনির্বাচনে ইসি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন করবে। তবে সংসদ নির্বাচনকালে ইসি আর আস্থা অর্জনের দিকে মনোযোগ দেবে না।
 
জনগণ এখন অনেক সচেতন। তারা নতুন ইসির নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে সবকিছু দেখছেন ও বুঝছেন। কাজেই কাজ শুরু করে শুধু দু-একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানে নিরপেক্ষতা দেখালেই জনগণ নতুন ইসির ওপর আস্থাবান হবেন না। সংসদ নির্বাচনে পালিত ভূমিকা না দেখে এ ইসিকে নাগরিকরা গ্রহণযোগ্যতার সনদ দেবেন না। কাজেই সামনে অনুষ্ঠেয় দু-চারটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন কমিশনের পরীক্ষা শুরু হবে বলে যারা বক্তব্য রাখছেন, তারা ঠিক বলছেন না। এ ইসির চ্যালেঞ্জ ও পরীক্ষা মোটেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানে নয়। এ কমিশনের পরীক্ষা মাত্র একটি এবং তা হল ইনক্লুসিভ বা অংশগ্রহণমূলক একাদশ সংসদ নির্বাচন করা। ওই পরীক্ষায় ভালো করতে পারলেই কমিশন গ্রহণযোগ্যতা পাবে। সংসদ নির্বাচন ইনক্লুসিভ করতে হলে কমিশনকে ওই নির্বাচনে খেলার মাঠের রেফারির মতো নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। এখন দেখার বিষয় কমিশন একাদশ সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠানের চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবেলা করে। সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছ করতে এবং কমিশনের ভাবমূর্তি বাড়াতে নতুন ইসিকে কতগুলো কাজ করতে হবে। এ ব্যাপারে একজন নাগরিক হিসেবে কমিশনকে আপাতত ১১টি পরামর্শ দিচ্ছি।
 
১. নতুন কমিশনকে প্রথমেই স্পষ্টভাবে বলে দিতে হবে তারা স্বল্পশিক্ষিত ও প্রযুক্তি-অসচেতন ভোটারের দেশে মেশিনে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করবেন কিনা। কমিশনকে মনে রাখতে হবে, রকিব কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর দশম সংসদ নির্বাচন ইভিএমে হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নিতে সাড়ে চার মাস সময় নিয়েছিল। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কমিশন সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ হয়। এক পর্যায়ে হুদা কমিশনের পরামর্শ উপেক্ষা করে রকিব কমিশন ইভিএমে ভোট গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। নতুন কমিশনের রকিব কমিশনের পাতা ফাঁদে পা দেয়া উচিত হবে না। উল্লেখ্য, ওই কমিশন নিজেরা মেশিনে ভোট নিতে পারেনি। মেশিনকে হ্যাকপ্র“ফ করতে পারেনি। রাসিক নির্বাচনে টিটি কলেজ কেন্দ্রে ৩১০টি ভোট ইভিএম থেকে মুছে যাওয়ার কারণ বের করতে পারেনি। অথচ ২০ জানুয়ারি বিদায়ের আড়াই সপ্তাহ আগে কুমিল্লায় সার্ভার স্টেশন উদ্বোধন করতে গিয়ে সিইসি ডিজিটাল ভোটিং মেশিন তৈরির কথা জানালেন। একজন প্রযুক্তিবিশারদ না হয়েও রকিব সাহেব জনগণকে বোকা ঠাউরে বলে দিলেন, ওই মেশিন হ্যাক করা যাবে না। রকিব কমিশন ইভিএমের সমস্যা দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে। ইভিএমে দশম সংসদ নির্বাচন না করে বিদায়ের আগে তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরামর্শে প্রভাবিত হয়ে কৌশলে নতুন কমিশনের ওপর মেশিনে সংসদ নির্বাচন করার ভার চাপিয়ে দিয়ে থাকতে পারেন। ভোটারদের অস্বস্তি থাকলেও সংসদ নির্বাচনে মেশিনে ভোট গ্রহণে সরকারি দলের অতি আগ্রহের কারণ নতুন কমিশনকে খুঁজে দেখতে হবে। সুশীলসমাজ ও শিক্ষিত জনগণের অনেকেই ই-ভোটিং প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল কারচুপির আশংকা ব্যক্ত করেছেন। এ অবস্থায় রকিব কমিশনের মতো সময়ক্ষেপণ না করে নতুন কমিশনের উচিত হবে অতি দ্রুত এ বিষয়ে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
 
২. সংসদ নির্বাচনে মেশিনে ভোট হবে কিনা সে বিষয়ে কমিশন কয়েক রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তারা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে যদি রকিব কমিশনের মতো সংসদ নির্বাচনে মেশিন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তাহলে এ নিয়ে কোনো বিতর্ক হবে না। তবে রকিব কমিশনের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে যদি কমিশন একাদশ সংসদ নির্বাচনে মেশিনে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে এ নিয়ে রাজনীতি উত্তপ্ত হবে। কারণ ইতিপূর্বে সাবেক হুদা কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনায় সরকারি দল ছাড়া প্রায় সব দলই ইভিএম ব্যবহারের বিরুদ্ধে মতামত দিয়েছিল। কমিশন সতর্ক হলে এমন সিদ্ধান্তও গ্রহণ করতে পারে : সংসদ নির্বাচনে মেশিনে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হল, তবে তা আগামী (একাদশ) সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে না। আগামী ৫-১০ বছর ছোট ছোট নির্বাচনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রাজনৈতিক দল ও ভোটারদের যদি মেশিনে ভোট গ্রহণের ওপর শতভাগ আস্থা অর্জিত হয়, তাহলে দ্বাদশ বা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মেশিনে ভোট গ্রহণ করা হবে। কমিশন চাইলে এ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করতে পারে।
 
৩. একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে যেসব স্থানীয় সরকার বা উপনির্বাচন হবে, নতুন কমিশনকে ওইসব নির্বাচন অনুষ্ঠানে শতভাগ পেশাদারিত্ব দেখিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। এসব নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের ব্যবহার করতে হবে। যে সেনাবাহিনীকে যানজট নিরসনে বা জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলায় ব্যবহার করা হয়, সে পেশাদার সেনাবাহিনীকে নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় ব্যবহারে আপত্তি করা যাবে না। কমিশনকে মনে রাখতে হবে, আমাদের সেনাবাহিনী বিদেশে নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষা করে সুনাম অর্জন করেছে। কাজেই এ বাহিনীকে নিজ দেশের নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষার দায়িত্ব পালন থেকে বঞ্চিত করা ঠিক হবে না।
 
৪. যে কোনো নির্বাচনে কমিশনের লোকবল থাকা সত্ত্বেও দলীয়করণকৃত প্রশাসকদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ না করে ইসি কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া উচিত হবে।
 
৫. নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের দায়েরকৃত প্রতিটি অভিযোগ আমলে নিতে হবে এবং ওই অভিযোগগুলো যত দ্রুত সম্ভব নিষ্পত্তি করতে হবে।
 
৬. নির্বাচন পরিচালনায় সরকারের কাছ থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন বা অন্য কোনোরকম সহযোগিতা চেয়ে সাড়া না পেলে সাবেক হুদা বা রকিব কমিশনের মতো মন খারাপ না করে আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে। সৎ সাহস নিয়ে কমিশনের ভাবমর্যাদা সমুন্নত করতে না পারলে পদত্যাগ করে কমিশন ছেড়ে চলে যাওয়া ভালো।
 
৭. ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণে বাড়তি সতর্কতা নিয়ে পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রতি বছর নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজটি সময়মতো সুসম্পন্ন করতে হবে।
 
৮. নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই এমন কাজে কমিশনকে সম্পৃক্ত করা যাবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড তৈরি ও বিতরণের মতো বড় ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে কমিশনকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।
 
৯. নির্বাচন কমিশনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির ক্ষেত্রে কোনোরকম পক্ষপাতিত্ব না করে এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
 
১০. সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে যেন কোনো বিভেদ সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে কমিশনকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আলোচনার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।
 
১১. সিইসিসহ পাঁচ ইসি কর্মকর্তা যেন কোনো নির্বাচনকালে রাজধানীর ইসি কার্যালয়ে সময় না কাটান। তাদের উচিত হবে নির্বাচন দেখভাল করতে একেকজনের একেকটি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া। এর ফলে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজে গতিশীলতা সৃষ্টি হবে এবং কমিশনের ভাবমর্যাদা বাড়বে।
 
রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও নাগরিক সমাজে নতুন কমিশনের ভাবমূর্তি বৃদ্ধির জন্য কোনো বাড়তি কাজের প্রয়োজন হবে না। উপরিউক্ত পরামর্শের আলোকে ফুটবল মাঠের রেফারির মতো নিরপেক্ষভাবে কাজ করলে এমনিতেই কমিশনের ভাবমূর্তি উন্নীত হবে। নাগরিক সমাজ নতুন কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর সন্তুষ্ট না হলেও তারা এ কমিশনের প্রতিটি কাজের ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। অপেক্ষা করে দেখা যাক নতুন নির্বাচন কমিশন তার কাজের মধ্য দিয়ে স্বচ্ছভাবে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরীক্ষায় পাস করে রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের আস্থা অর্জন করতে পারে কিনা।
 
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
 
akhtermy@gmail.com
 
http://www.jugantor.com/window/2017/02/22/103227/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87