১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
‘বিশ্বব্যাংক হুঁশিয়ার সাবধান’ চলতে ফিরতে দেখা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, রবিবার,
|| ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ||
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭,রবিবার, ০০:০০
 
পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এই প্রকল্প থেকে সরে গিয়েছিল বিশ্বব্যাংক। এর আগে এই প্রকল্পে তারা ১২০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার চুক্তি করেছিল ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আর প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে যাওয়ার ঘোষণার পর পরই এ থেকে সরে যায় জাইকা, এডিবি, আইডিবি প্রভৃতি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এতে সাঙ্ঘাতিক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে তিনি তখন বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে হক-না-হক অনেক কথাই বলেছিলেন। এমনকি বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যন্ত তার কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ ছিল প্রধানত তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে। অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘বিশ্বসেরা দেশপ্রেমিক’ বলে অভিহিত করে তার পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। পদ্মা সেতুর অর্থের জন্য অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত বিশ্বব্যাংকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্বব্যাংকের বক্তব্য ছিল, যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনকে আগে সরাতে হবে। এর পরিণতিতে আবুল হোসেনকে পদত্যাগ করানো হয়। কিন্তু বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য সংস্থা আর এই প্রকল্পে ফিরে আসেনি।
অভিযোগ ছিল, পদ্মা সেতুর তদারকির কাজ কানাডীয় কোম্পানি এসএনসি লাভালিনকে পাইয়ে দেয়ার জন্য দুর্নীতির চেষ্টা করা হয়েছে এবং এতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং এসএনসি লাভালিনের কর্মকর্তারা জড়িত।’ এর জেরে এসএনসি- লাভালিনের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন এবং কয়েকজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিশ্বব্যাংকও এই কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করে। এই দুর্নীতি চেষ্টার অভিযোগে কানাডার আদালতে মামলা করা হয়। রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু পুলিশের কাজে গাফিলতি থাকায় এবং যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি কানাডার সংশ্লিষ্ট আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন। এতে বাংলাদেশ সরকারের ভেতর আবারো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রীরা যার যা খুশি বলতে শুরু করেছেন বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে। কেউ বলেন, বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে। কেউ বলেন, বিশ্বব্যাংককে ক্ষমা চাইতে হবে। আবার আইনমন্ত্রী বললেন, বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করার কোনো সুযোগ নেই। ক্ষমতায় আসীন ১৪ দল বলেছে, বিশ্বব্যাংককে এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর বিশ্বব্যাংক বলেছে, তারা তাদের আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে। কানাডায় আদালত কী রায় দিয়েছে, না দিয়েছে, তাতে তাদের কিছু আসে যায় না বলেও তারা জানিয়ে দিয়েছে।
কানাডীয় আদালত রায় দেয়ার আগেই তো বাংলাদেশের আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দুর্নীতিমুক্ত ঘোষণা করেছে। তখন কিন্তু সরকার এতটা শোরগোল তোলেনি। ‘স্বদেশের ঠাকুর ফেলে বিদেশের কুকুর ধরা’র স্বভাব আমাদের গেল না আজো। কানাডীয় আদালতের রায়ের পর সরকার একেবারে উল্লসিত হয়ে উঠল। তদুপরি, অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে বসেছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ কান্ট্রি ডিরেক্টর বরাবর তাদের ১৬টি গাড়ির সন্ধান চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছে। গাড়িগুলো কোথায় আছে এবং কার নামে ইস্যু করা হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে এতে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কাছে নাকি এমন তথ্য রয়েছে যে, শুল্কমুক্ত সুবিধায় যাদের নামে গাড়িগুলো কেনা হয়েছিল, তারা সেগুলো বিক্রি করে দিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি যদি বিক্রি করতেই হয়, তবে তা সরকারকে আগে জানাতে হবে। আর যিনি গাড়ি কিনবেন, তিনি কোনো শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন না। তাকে পুরো কর পরিশোধ করেই গাড়ি তার নামে রেজিস্ট্রি করতে হবে।
এখানে বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতার দায় অনেক বেশি। তা ছাড়া গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের সময় বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ দেখতে পাবেন, গাড়ির মালিক কে। আর গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা হয়েছে কি না সেটাও জানা যাবে। ফলে সহজেই ক্রেতার কাছ থেকে প্রাপ্য শুল্ক আদায় করে নেয়া সম্ভব। আবার ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে গাড়িগুলো বিক্রি করার প্রশ্নও খুব যৌক্তিক নয়। কারণ একটা গাড়ি চার-পাঁচ বছর ব্যবহারের পর তা আর ক্রয়মূল্যে কেউ কিনবেন না। অর্ধেক দামেও কিনবেন কি না তাতেও সন্দেহ। এ ক্ষেত্রে যদি অনিয়ম হয়েই থাকে, তবে নিশ্চয়ই বিশ্বব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার জবাব দিতে বাধ্য। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে গড়ায়।
যা হোক, এগুলো কোনো শুভ লক্ষণ নয়। কারণ বিশ্বব্যাংক, এডিবি (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক), আইডিবি (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক), জাইকা (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) প্রভৃতি সংস্থার ঋণের শর্ত অত্যন্ত সহজ ও সহনশীল। তাদের ঋণের সুদের হারও নগণ্যÑ মাত্র এক শতাংশেরও নিচে। তবে ভারতীয় ঋণ শর্তের ভারে বিরাট বোঝা। এর সুদের হারও ৪ শতাংশের ওপরে। চীনের ঋণে শর্তের বোঝা তেমন একটা নেই বললেই চলে। কিন্তু তাদের ঋণের সুদের হার ৩ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে। এ দিকে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইডিবি, জাইকা প্রভৃতি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সম্পর্ক দিন দিন তিক্ত থেকে তিক্ততর হচ্ছে। অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা না করেই সরকার বিভিন্ন সূত্র থেকে উচ্চ হারের সুদে ঋণ নিচ্ছে, যার বোঝা চাপাচ্ছে জনগণের ওপর। দেশের অর্থনীতির ওপরও এর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়ছে। আবার এই তিক্ততার কারণে এবং সরকারের ব্যাপক দুর্নীতির জন্য এসব সংস্থা বহু প্রকল্প থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে ও নিচ্ছে। এগুলো জাতির জন্য কোনো সুসংবাদ নয়।
সরকার একই ধরনের গোলমাল বাধিয়েছে আইডিবির সঙ্গে। সরকার সম্প্রতি দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। এর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাতারাতি পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ আইডিবি এবং সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ ইসলামী ব্যাংকের ৫২ শতাংশ তথা বেশির ভাগ শেয়ারের মালিক। কিন্তু তাদের বিষয়টি যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আইডিবির প্রেসিডেন্ট বন্দর এম এইচ হাজ্জাজ অর্থমন্ত্রী আবদুল মুহিতের কাছে চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আইডিবি তাদের চিঠিতে বলেছে, যে প্রক্রিয়ায় ব্যাংকটির পরিচালনার ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাতে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে, সরকার এই ব্যাংকের বেশির ভাগ শেয়ারহোল্ডারের, যারা সবাই বিদেশী, অন্ধকারে রেখে এর কর্তৃত্ব দেশীয় শেয়ারহোল্ডারদের হাতে তুলে দিয়েছে। ব্যাংকের পরিচালনার ক্ষেত্রে এবার যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তাতে আইডিবির কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। উপরন্তু বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য আজকাল খুব কম সময় দেয়া হয়। যেমন, ৫ জানুয়ারির গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড সভার জন্য আইডিবিকে চিঠি দেয়া হয়েছে ২ জানুয়ারি। মিটিংয়ের নথিপত্র এমন সময় পাঠানো হয়, যখন তা পর্যালোচনা করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।
এ ছাড়া ব্যাংকের এমডি পরিবর্তনের বিষয়েও কথা বলেছেন আইডিবির প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকের মতো সুশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠানে এমডি (ব্যবস্থাপনা পরিচালক) নিয়োগের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়। দেশের নামী পত্রিকাগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। বোর্ডের প্রতিনিধিসহ একটি সিলেকশন কমিটি গঠন করা হয়। তারা আগ্রহী প্রার্থীদের বাছাই-তালিকা তৈরি করেন। প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেন। তারপর বোর্ডের বিবেচনার জন্য কারো নাম সুপারিশ করেন। কিন্তু ইসলামী ব্যাংকের নতুন এমডি নিয়োগের ক্ষেত্রে এর কোনো প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়নি। অত্যন্ত জবরদস্তিমূলকভাবে এর চেয়ারম্যান, এমডি এবং শীর্ষস্থানীয় অন্যান্য পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বিধিসম্মত হয়নি। আর এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের বেশির ভাগ শেয়ারহোল্ডারের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।’
প্রসঙ্গত আইডিবি প্রেসিডেন্ট জনাব বন্দর বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, আইডিবির ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা কর্মসূচির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হচ্ছে বাংলাদেশ।
বিশ্বব্যাংক অবশ্য বাংলাদেশ সরকারকে বা এর অর্থমন্ত্রীকে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়নি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের ঋণচুক্তি হয়েছিল। তারপর থেকেই শুরু হয়ে যায় ‘মাদারির খেল’। ২০১১ সালেরই ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থমন্ত্রীকে জানায় যে, ‘‘যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও (তার প্রতিষ্ঠান) ‘সাহকো’র উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মূল সেতু নির্মাণ ঠিকাদারদের পূর্বযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য সাহকোকে ‘কমিশন এজেন্ট’ করার জন্য চাপ দিচ্ছে।’’ বিশ্বব্যাংক একই সঙ্গে এসব ব্যক্তিকে তাদের নিজ নিজ পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানায়। সে অনুযায়ী মন্ত্রী আবুল হোসেনকে পদত্যাগ করতে হয়। সেই সাথে ওই মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সরিয়ে দেয়া হয়। দুর্নীতি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের সন্দেহ আরো ঘনীভূত হয় তখনি, যখন দেখা গেল, সর্বনি¤œ দরদাতাকে কাজ না দিয়ে সব সময় দ্বিতীয় স্থানে থাকা এসএনসিলাভালিনকে কাজ দেয়া হয়েছে। তখন বিশ্বব্যাংক এটা কানাডা পুলিশকে অবহিত করে এবং আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানায়। কিন্তু কানাডার পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি। তারা বিশ্বব্যাংকের দেয়া সূত্রগুলোর সঙ্গে কথাও বলেনি। শুধু একজনের সঙ্গে একবার টেলিফোনে কথা বলেই তাদের কাজ শেষ করেছে। ফলে আদালত তাদের বক্তব্য গ্রহণ না করে খারিজ করে দিয়েছেন।
কানাডীয় আদালত বিশ্বব্যাংককে তাদের তদন্তে প্রাপ্ত দুর্নীতির তথ্যাদি জমা দিতে বলেছিলেন। কিন্তু বিশ্বব্যাংক আদালতকে জানিয়ে দেয়, আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে তারা কোনো দেশের আদালতে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংক মনে করেছে যে, ‘দুর্নীতি হয়েছে, চুক্তি বাতিল করে দিয়েছি। এ নিয়ে আইনি লড়াই করে শ্রম ও অর্থের কেন অপচয় করতে যাবো?’ আর কানাডীয় পুলিশ সম্ভবত ভেবেছে, যে প্রকল্পই নেই, তার পেছনে এত শ্রম দেয়ার কোনো মানেই হয় না। তবে বিশ্বব্যাংক আদালতে কোনো তথ্য না দেয়ার কারণ হিসেবে ব্যাংকের এক আইনজীবী বলেছেন, যেসব দেশে তথ্যদাতার নাম বললে তথ্যদাতা বিপদে পড়ে যাবেন, সেসব দেশের কোনো তথ্য বিশ্বব্যাংক কাউকে দেয় না, সুতরাং মামলা ডিসমিস।
এখন বাংলাদেশ কী করবে? সব উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকে বাংলাদেশ থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দেয়া কি সম্ভব হবে? নো এন্ট্রি। গো ব্যাক। সম্ভব? যদি সম্ভব হয়, তা হলে ঝাঁপিয়ে পড়–ন। আবুল হোসেনকে ফের মন্ত্রী করুন। সচিবকে ভূতাপেক্ষ সিনিয়র সচিব করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিন। 
লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
rezwansiddiqui@yahoo.com
http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/197018