২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
চট্টগ্রাম মহানগরীতে গ্যাস সংকট প্রকট
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, শনিবার,
চট্টগ্রাম নগরীতে প্রকট গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। প্রতিদিনই সকাল সাড়ে ছয়টা-সাতটার মধ্যেই গ্যাস চলে যায়। দিনভর আর আসে না। বিকেলের দিকে আসলেও আবার চলে যায় সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে। রাত ১০টার পর কিছুটা গ্যাস পাওয়া যায়। তবে এই গ্যাস সংকট বেশিদিন থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন কেজিডিসিএল’র ম্যানেজার (কাস্টমার অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) প্রকৌশলী অনুপম দত্ত। তিনি বলেন, গ্যাস সংকটটা সার্বজনীন সমস্যা। এই সংকট নিরসনে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত। এতে রেশনিংয়ের মাধ্যমে আবাসিকে গ্যাসের চাহিদা কোনোভাবে মেটানো যেত।
কিন্তু ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কেজিডিসিএলকে দেয়া হচ্ছে ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডকে (কাফকো) দিতে হচ্ছে ৪১ মিলিয়ন ঘনফুট, প্রায় ১০ মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হওয়া চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডকে (সিইউএফএল) দিতে হচ্ছে ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বাকি থাকা মাত্র ১৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিয়ে আবাসিক খাতে চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
 কেজিডিসিএল’র ম্যানেজার (কাস্টমার অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) প্রকৌশলী অনুপম দত্ত বলেন, সম্প্রতি গ্যাস সংকট বাড়ার কারণ আছে। কারণ আমরা আগে প্রতিদিন ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পেতাম। রেশনিংয়ের মাধ্যমে এই গ্যাস দিয়ে আবাসিকের চাহিদা মেটানো যেত। কিন্তু হঠাৎ করে গত শনিবার থেকে আমরা পাচ্ছি ২২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে থেকে কাফকো ও সিইউএফএলকে দেয়ার পর বাকি ১৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিয়ে আসলে আবাসিকের চাহিদা মেটানো সম্ভব না।
এদিকে সর্বশেষ চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের ম্যানেজম্যান্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপকের কাছে এমআইএস প্রতিবেদন পাঠায় কেজিডিএল’র মহাব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব) মো. আবু জাফর। কেজিডিএল’র ডিসেম্বর মাসের এই এমআইএস প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে গ্যাস সংকটের কথা।
এতে বলা হয়, কেজিডিএল’র ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। এছাড়া আবেদন করা গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ প্রদান করলে প্রায় ৫০০ ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হবে। এই বিপুল চাহিদার বিপরীতে ডিসেম্বর মাসে ২০৮ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত চাপে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না করলে কেজিডিসিএল’র চাহিদা মেটানো সম্ভব না।
http://www.dailysangram.com/post/271321-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%9F