১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
গ্যাং কালচার না যৌনতা: অন্য দৃষ্টি
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার,
|| জসিম উদ্দিন ||
 
পাড়ার নিরীহ ছেলেটি মাস্তান হয়ে ওঠে সবার চোখের সামনে। কিছু দিন আগেও কেউই যাকে দুই পয়সা গুনত না; এখন সামনে সবাই তাকে সমীহ করে। সালাম দেয়, ভয়ে জড়সড় হয়ে তার প্রতি নতিস্বীকার করে। পেছনে আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। এই ছেলেটিকে তারা গালিগালাজ করে কঠোর নিন্দা করে। কিন্তু কেন একটি নিরীহ গোবেচারা কিশোর এমন অসভ্য মাস্তানে পরিণত হলো, তার খোঁজ রাখে না কেউ। সমাজের চরিত্র হচ্ছে, আমরা আসলে শক্তের ভক্ত নরমের যম। 
মাস্তান হয়ে বেড়ে ওঠার পেছনে একটা করুণ কাহিনী থাকে। অনেক সময় নিপীড়ন-নির্যাতন-অপমান-দরিদ্রতায় পিষ্ট হয়ে জিল্লতির জীবন তাকে বিদ্রোহী করে তোলে। পাবিরারিক নিরাপত্তাহীনতা তাকে বড় কষ্ট দেয়। প্রভাবশালীদের অত্যাচার তাদের এ পথে টেনে নিয়ে আসে। এমন কিশোর দেখেছি, যারা নিজের বোনদের লাঞ্ছিত হতে দেখেছে। উপর্যুপরি তরুণী বোনদের ওপর পাশবিক নির্যাতন ভাই হয়ে সামনে থেকে হজম করতে হয়েছে। দরিদ্র ও দুর্বল শ্রেণীর হওয়ায় এর প্রতিকার দূরে থাক, বিষয়টি কাউকে খুলে বলতেও পারেনি সে। এমন তরুণ নিজের ও পরিবারের সম্মান ও ইজ্জতের নিরাপত্তা রাষ্ট্র ও সমাজের কাছে পায়নি। ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ-বিক্ষোভ তাকে সন্ত্রাসী হতে তাড়া করে। সে খুঁজে নেয় বাঁকা পথটি। এই পথে এগিয়ে যেতে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিও অত্যন্ত সহায়ক। তারা এই মাস্তান ছেলেটিকে খোঁজে। কারণ তাকে দিয়ে তাদের স্বার্থসিদ্ধি হয়। 
ওই কিশোর স্থানীয় মাস্তান চক্র, ক্ষমতাসীন সন্ত্রাসী গ্রুপের ক্যাডার হয়ে একসময় আত্মপ্রকাশ করে। কয়েকটি নির্মম নিষ্ঠুর ঘটনার জন্ম দিয়ে সে সন্ত্রাসী গ্রুপের নেতা বনে যায়। পরে এই পথে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে নেয়। সমাজে কিশোর অপরাধের কথা বলা হচ্ছে। এর মূলে রয়েছে প্রধানত এ ধরনের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বঞ্চনা। একটা বৈষম্যমূলক সমাজকাঠামো থেকে কিশোরদের নিরাপদ বেড়ে ওঠার গ্যারান্টি খোঁজা অযৌক্তিক। কাকের ঔরস থেকে কোকিল প্রত্যাশা বোকামি। অনেকটা অবাস্তব। অন্য দিকে এই কিশোরদের কেউ পারিবারিক বিশৃঙ্খলা, সামাজিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে হয়ে উঠছে নারী ও শিশু নির্যাতক। এরাই প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে জড়াচ্ছে বিরোধে। শক্তি-সামর্থ্য প্রদর্শন করে একটা কিছু হিসেবে নিজেকে জাহির করতে চাইছে। অবশেষে তারা নিজেরা নিজেদের লাশ ফেলছে।
এই কিশোরদের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের বাড়ন্ত প্রবণতা দেখা যাচ্ছে । তাদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে তার মধ্যে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা বেশি । শিশুদেরকে ধর্ষণের চেষ্টার সংখ্যাও অনেক বেশি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের এক শিক্ষকের গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে রাজধানী ঢাকায় মোট কিশোর অপরাধের মামলা ছিল তিন হাজার ৫০১টি। ২০০১ থেকে পরবর্তী ১০ বছরে একই ধরনের মামলা চার হাজার ৮৮২টি। লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, পরের ১০ বছরে খুন এবং নারী নির্যাতনের অভিযোগ কিশোরদের বিরুদ্ধে বেড়ে যায়। তাদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ার গড় হারের চেয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন বাড়ার প্রবণতা অনেক বেশি। যৌনবিষয়ক পতন ও ক্ষত বেশি দেখা যাচ্ছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি আংশিক একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়েছে। 
কয়েক মাস আগে তরুণদের ওপর আরেকটি জরিপ চালানো হয়। এ জরিপটি আমরা এর সাথে মিলিয়ে দেখতে পারি। জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৭৭ শতাংশ স্কুলগামী শিক্ষার্থী পর্নোগ্রাফি দেখে। সম্প্রতি যে গ্যাং কালচারের কথা উঠেছে, তার সাথে এর একটা জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। যদিও এর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক দেখাতে কাউকে আগ্রহী দেখা গেল না। বাংলাদেশের শিশুপরিস্থিতি নিয়ে একটি বেসরকারি সংস্থা জরিপটি উপস্থাপন করে। স্কুলগামী ৫০০ জনের ওপর জরিপটি চালানো হয়। স্কুলগামীরা যেসব পর্নো দেখছে, সেগুলোর পাত্রপাত্রীও ১৮ বছর বা তার কম বয়সী। অর্থাৎ এর সাবজেক্টও অনেক ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীরা। জরিপকারীরা পর্নোগ্রাফি নিয়ে নিজেদের একটি দৃষ্টিভঙ্গি পরোক্ষভাবে প্রকাশ করেছেন। তা হচ্ছে, ‘শিশুরা’ এটি দেখতে পারে না। এটা তাদের জন্য ক্ষতিকর।
মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের ওপর ভর করে পর্নোগ্রাফির বিস্তৃতি ঘটেছে সব জায়গায় সব বয়সীর মধ্যে। শুধু স্কুলগামীরা নয়, একই বয়সী সব শ্রেণীর মধ্যে এ প্রবণতা উচ্চ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর মূল কারণ পরিবেশ থেকে এর প্রতি তারা প্রতিনিয়ত উদ্দীপনা গ্রহণ করছে। যে দিকে তাকানো হোক, নারী-পুরুষের সম্পর্ককে প্রধান বিষয় করা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে যখন পর্নো দেখার ক্ষতির কথা উচ্চারণ করা হচ্ছে, তখন জাতীয়ভাবে আমরা এ ব্যাপারে লাগাম ছেড়ে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। নাটক-সিনেমা, আইটেম সংয়ের নামে দেহ প্রদর্শনীর সীমা অতিক্রম করা হচ্ছে। নারীদেহ প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শক টানার প্রচেষ্টা সব সময় দৃশ্যমান। এমনকি পণ্যের বিজ্ঞাপনে অপ্র্রাসঙ্গিকভাবে বিষয়টিকে টেনে আনা হচ্ছে। কম বয়সীদের যৌন আচরণের জন্য যা উসকানি দিচ্ছে। আরো একটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন। প্রথম আমরা ভারতীয় ছবির অর্ধনগ্ন দৃশ্যের শুধুই দর্শক ছিলাম। কেউ তা অনুসরণ করত না। যারা অগ্রগামী হয়ে এমন পোশাক পরে ভাবভঙ্গি নিতে চাইতেন, তাদের প্রতি ধিক্কার পড়ে যেত। সেই অবস্থা আমূল পরিবর্তিত হয়েছে এখন। 
একটা সময় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীরা চলাচল করতেন, কিন্তু তারা আপাদমস্তক বোরকা পরতেন না। সেই সময় কেনো নারীর মধ্যে শালীনতার অভাব দেখা যায়নি। এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত পোশাক পরিহিত ও কম পোশাক পরিহিত উভয় শ্রেণীর নারীদের দেখা যায়। কিন্তু সেই শালীনতা কম দেখা যায়। শালীনতা বিষয়টি যতটা না পোশাকে, তার চেয়ে বেশি অন্তরে। অনেকেই আছেন, অনেক বেশি পোশাক তিনি পরেন। হয়তো তিনি হাতমোজা, পা-মোজা লাগিয়েছেন; কিন্তু তার শালীন অন্তরের অভাবে চালচলনে উৎকট ভঙ্গিমা প্রকাশ হয়ে পড়েছে। এই ধরনের পদচারণা অনেকটাই উসকানিমূলক। তবে এখন ফ্যাশনের নামে ক্রমেই পরিধেয় বস্ত্রের আকার ছোট হচ্ছে। অন্য দিকে জরিপকারীরা পর্নোকে শুধু ‘শিশুদের’ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলছেন, সেটাকে প্রকৃতপক্ষে সবার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলে চিহ্নিত করতে পারেননি। 
স্কুলগামীদের ব্যাপারে অভিভাবকদের উচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরিবর্তে অসচেতনতা বেশি প্রকাশ পাচ্ছে। তারই ফল পাওয়া গেল জরিপে। অভিভাবকেরাই সন্তানকে মোবাইল সেট সরবরাহ করছেন। মমতা দেখাতে গিয়ে অনেকে তাদের দিচ্ছেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা। এ টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে, সেটার খবর নিচ্ছেন না। একইভাবে কেউ খেয়াল রাখছেন না মোবাইলটি কম বয়সী সন্তান কী কাজে লাগাচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা কী উপকার নিচ্ছে, সেটাও দেখা হচ্ছে না। ইন্টারনেট ও মোবাইল কম বয়সীদের অনেক দরকারে আসে। তবে গাফিলতি ও সতর্কতার অভাবে এটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর ব্যবহার হচ্ছে। এই সুযোগে গড়ে উঠছে গ্যাং কালচার, যারা জড়িত হয় নানা যৌন আয়োজনে। তা একপর্যায়ে খুনোখুনিতে গড়াচ্ছে। 
কিশোর অপরাধের বাড়ন্ত প্রবণতাকে আমরা নড়বড়ে বিচারব্যবস্থা দিয়ে মোকাবেলা করতে চাই। আবার অপরাধীদের প্রতি করুণা করার চেষ্টাও দেখা যাচ্ছে। একজন ধর্ষক ও শিশু নির্যাতককে কিশোর বলে তার অপরাধ লঘু করে দেখানো হচ্ছে। প্রকৃত ব্যাপার হওয়া উচিত, সমাজে অপরাধের বিস্তার রোধ। সে জন্য দরকার অপরাধ অনুযায়ী বিচার। খুনির বিচার হবে, বিচার হবে ধর্ষকের। একজন মানুষ শারীরিক-মানসিকভাবে যথেষ্ট পরিপক্ব না হলে এমন অপরাধ করতে পারে না। বয়স এখানে প্রধান হয়ে ওঠা কোনোভাবে উচিত নয়। শাস্তি লাঘবের বিষয়টি হতে পারে পাগল ও মস্তিষ্কবিকৃতদের ব্যাপারে। এটা অনেকটা রাজনৈতিক বিবেচনায় খুনির মাফ পেয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা। মূলত এতে সমাজে অপরাধপ্রবণতা আশকারা পায়। অপরাধী পার পেয়ে যাওয়ার এমন একটি সংস্কৃতির কারণে কিশোরদের অপরাধ বেড়ে যাওয়ার লাগামহীন ঘটনা ঘটছে। 
প্রযুক্তির বিকাশ সুনামির আকারে আছড়ে পড়ছে। এই প্লাবনের অগ্রভাগে রয়েছে অশ্লীলতার ডাস্টবিন। এই ময়লার ঝুড়িকে বাদ না দিয়েই আমরা এই সর্বপ্লøøাবী প্লাবনে অবগাহন করছি। স্নানের পরিবর্তে তাই জোয়ারের ময়লা লেপ্টে যাচ্ছে আমাদের শরীরে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এভাবে যখন ময়লার পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছি, তার আগে থেকেই আকাশ সংস্কৃতি আমাদের পরিবেশ নষ্ট করে চলছে। সুস্থ ও পরিমিতিবোধের একটি সামাজিক সংস্কৃতি থেকে এর মাধ্যমে আমরা বেহায়া উলঙ্গপনার সামাজিক পরিবেশের দিকে অনেক আগেই যাত্রা করেছি। এটি রোধ করার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে তা আনুকূল্য পেয়ে আসছে। ক্ষতিকর চ্যানেল বন্ধ করার পরিবর্তে এই নষ্ট পচাগলা অনুষ্ঠান গেলার মাধ্যমে আমরা যেন প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্ব গ্রহণ করতে চাইছি। ক্ষতিকর চ্যানেল বন্ধ করার এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও আমরা সেটা করছি না। এগুলো পচা-দুর্গন্ধযুক্ত পারিবারিক সংস্কৃতিকে ডেকে আনছে। ফলে ভেতর থেকে আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশ পচে-গলে যাচ্ছে। 
এই অবস্থায় সংবাদমাধ্যমে একটা হাহাকার উঠেছে। বলা হচ্ছে গ্যাং কালচার। তাদের মতে, কিশোরেরা এমন কালচারে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। গড়ে উঠেছে স্কুল-কলেজগামী কম বয়সীদের চক্র। পেছনের দিকে একবারো না তাকিয়ে খুব বড় করে দেখানো হচ্ছে এ ধরনের গ্যাং কালচারের ক্ষতিকর সামনের অংশটিকে। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে এমন সংস্কৃতি রোধ করতে হবে। বখে যাওয়া কিশোরদের সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দিয়ে কিংবা যারা খুন-ধর্ষণ করছে তাদের লঘু শাস্তি দিয়ে এই অপরাধ দমিয়ে দেয়া যাবে। এর পেছনে সামাজিক বৈষম্যের দিকটি আমলে নেয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, দুর্বলের নির্যাতিত, অপমানিত-লাঞ্ছিত হওয়ার বিষয়টি না দেখার ভান করা হচ্ছে। প্রকৃত ব্যাপার হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কিশোর সংশোধনাগারে পাঠিয়ে এ ধরনের অপরাধের ওপর একটা পলিশ দেয়া যাবে, কিন্তু অবক্ষয়ের যে ক্ষত দৃশ্যমান হচ্ছে তা রোধ করা যাবে না। 
সমাজতাত্ত্বিকদের কাছ থেকে অপরিপক্ব কিছু সুপারিশ পাওয়া যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে সেটা হাইলাইট করে প্রচার করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, কিশোরদের কম্পিউটার থাকবে, কিন্তু ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে না। আবার বলা হচ্ছে, ইন্টারনেটে তাদের সামাজিক যোগাযোগ ঠিকানা থাকবে; কিন্তু সেগুলোর পাসওয়ার্ড থাকবে অভিভাবকদের কাছে। এগুলো আসলে কোনোভাবে অপরাধী হয়ে ওঠা ঠেকানোর সঠিক পদ্ধতি হতে পারে না। অনেকটা লিচুবাগানে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে গেটে পাহারা বসানোর মতো। দারোয়ানের ভয় দেখিয়ে পাকা টসটসে লিচু খাওয়া থেকে কাউকে বিরত রাখার অলীক কল্পনা। এটা অনেকটা রশি দিয়ে এমন শক্ত করে বাঁধা যতটা লোড ওই রশি নিতে পারবে না। ফলে রশি ছিঁড়ে গিয়ে একেবারে বাঁধনহীন হয়ে যাওয়ার শামিল। 
বালির বাঁধ দিয়ে সাগরের ঢেউ মোকাবেলার এই বোকামিপূর্ণ প্রচেষ্টা কোনো কাজে আসবে না। বরং এর জন্য এমন বাঁধের ব্যবস্থার পথে হাঁটতে হবে, যা টেকসই। কখনো ছিঁড়ে যাবে না। প্রত্যেক মানুষ তার ভেতর থেকে যেন অপরাধ প্রতিরোধ করার শক্তি পায়, সেটা করতে হবে। এ জন্য পারিবারিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। পরিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করতে হবে। সামাজিক কাঠামো মজবুত করতে হবে। 
jjshim146@yahoo.com
http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/194269