১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
রাশিয়ার পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে ভারত
৩০ জানুয়ারি ২০১৭, সোমবার,
রাশিয়ার পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে যুক্ত হতে যাচ্ছে ভারত। এ জন্য দু’টি চুক্তি সই হবে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে। সচিবালয়ে আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে চুক্তি দুটি অনুমোদনের জন্য উঠবে। এ জন্য আলাদা দুটি সারসংক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। প্রথম সারসংক্ষেপের বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছে, ‘ইন্টার-এজেন্সি এগ্রিমেন্ট বিটউইন গ্লোবাল সেন্টার ফর নিউক্লিয়ার এনার্জি পার্টনারশিপ (জিসিএনইপি), ডিপার্টমেন্ট অফ অটোমিক এনার্জি, গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ অটোমিক এনার্জি কমিশন (বিএইসি), মিনিস্ট্রি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, গভর্নমেন্ট অফ পিপলস রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ অন কো-অপারেশন রিগার্ডিং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রজেক্ট বাংলাদেশ’। এছাড়া দ্বিতীয় সারসংক্ষেপের বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছে, ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট বিটউইন দ্য অটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি বোর্ড (এইআরবি) অফ দ্য গভর্নমেন্ট অফ দ্য রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড বাংলাদেশ অটোমিক এনার্জি রেগুলেটরি অথরিটি (বিএইআরএ), দ্য গভর্নমেন্ট অফ দ্য পিপলস রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ ফর দ্য এক্সচেঞ্জ অফ টেকনিক্যাল ইনফরমেশন এবং কো-অপারেশন ইন দ্য রেগুলেশন অফ নিউক্লিয়ার সেফটি অ্যান্ড রেডিয়েশন প্রোটেকশন’। দুই প্রস্তাবেই মন্ত্রিসভার অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর রূপপুরে প্রতিটি ১২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। এটাই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বর্তমানে এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ চলছে। এ বছরের মধ্যেই প্রথম পর্বের কাজ শেষ হবে। এরপর শুরু হবে প্রকল্পের মূল কাজ। রাশান ফেডারেশনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট’ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে কাজ করছে। মন্ত্রিসভায় পাঠানো সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ অটোমিক এনার্জি কমিশন (বিএইসি)-এর আগে থেকে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ যথাযথভাবে তদারকির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ ভারতের পরামর্শক ও বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের সহায়তা প্রয়োজন। সহায়তার কারণ হিসেবে সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কার্যক্রমে রেগুলেটরি কমপ্লাইন্স এবং মনিটরিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য ২০১৩ সালে বিএইআরএ প্রতিষ্ঠান করা হয়। নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএইআরএ-এর আগের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এরই মধ্যে বিএইআরএ রাশান ফেডারেশনের রেগুলেটরি অথরিটির সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সাইটিং লাইসেন্স ইস্যু করেছে। বর্তমানে ডিজাইন ও কনস্ট্রাকশন লাইসেন্স ইস্যুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভবিষ্যতে বিএইআরএ কর্তৃক এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অপারেশন লাইসেন্সও ইস্যু করতে হবে। এসব বিষয়ে অভিজ্ঞ রাশান রেগুলেটরি অথরিটির পাশাপাশি অন্য অভিজ্ঞ রেগুলেটরি অথরিটির সহায়তা নেয়া প্রয়োজন। এতে বলা হয়, ভারত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুরূপ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনা করে আসছে। এ কারণে ভারতের রেগুলেটরি অথরিটি এইআরবি- এর বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স ইস্যু করাসহ এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনার রেগুলেটরি বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই বিএইআরএ কর্তৃক ভারতের এইআরবি-এর সহায়তা নিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইসেন্সগুলো ইস্যু এবং পরে এর নির্মাণ ও পরিচালনা তদারকির বিষয়টি সহজ হবে। এসব নানা যুক্তি তুলে ধরে ভারতের কাছ থেকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সহায়তার জন্য দুটি চুক্তি করার অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।         
http://www.mzamin.com/article.php?mzamin=51340&cat=3/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%82%E0%A6%AA%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4-