২০ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
ঝিনাইদহে এবার যুবককে পেটাল পুলিশ: কোটচাঁদপুরের সেই কৃষকের সঙ্গে আপসের চেষ্টা
২৯ জানুয়ারি ২০১৭, রবিবার,
ঝিনাইদহে এবার পুলিশের বিরুদ্ধে সোহান (২২) নামে এক যুবককে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার শহরের চাকলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সোহান চাকলাপাড়ার রুস্তম আলীর ছেলে। তবে অভিযোগ স্বীকার করেছেন সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মামুন। তিনি দাবি করেন, তার (সোহান) ভাই সোহাগকে ধরতে বাড়িতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তিনি দুর্ব্যবহার করেন। এ সময় পড়ে গিয়ে পাশের বেড়ায় পা কেটে যায় সোহানের।
আহত সোহান বলেন, শনিবার দুপুরে চাঁদাবাজের অভিযোগের সূত্র ধরে বড় ভাই সোহাগকে খুঁজতে বাড়িতে আসেন ঝিনাইদহ সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক মামুন। এ সময় তিনি আমার সঙ্গে তর্কবিতর্কে লিপ্ত হন। সোহাগের ফোন কেন বন্ধ, এ প্রশ্ন তুলে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। আমি প্রতিবাদ করলে তিনি বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। খবরটি আমার প্রতিবেশীরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের জানালে ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই রবি আসেন। তিনিই আমাকে উদ্ধার করে ক্লিনিকে ভর্তি করেন।
সোহানের মা অভিযোগ করে বলেন, আমার এক ছেলের অপরাধে অন্য এক নিরীহ ছেলের ওপর নির্যাতন করেছে পুলিশ।
ঝিনাইদহ আল মামুন ক্লিনিকের ডা. রাশেদ আল মামুন জানান, সোহান নামের এক ছেলেকে পা কাটা অবস্থায় অপরিচিত দুই ব্যক্তি ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। তার পায়ে তিনটি সেলাই দেয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক মামুন জানান, সোহানকে চিকিৎসাসহ এক হাজার টাকা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
কোটচাঁদপুরে পুলিশের আপসের চেষ্টা : কোটচাঁদপুরের কৃষককে পুলিশের মারধরের ঘটনার সংবাদ প্রকাশের পর তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কৃষক আবদুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতাকে নিয়ে এসে আপসের চেষ্টা করা হয়। মালেকের মেয়ে শাহনাজ পারভীন রাজি না হওয়ায় আপস হয়নি।
পারভীন বলেন, সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশের আলী নাসির, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান আলী, কায়দার রহমান ও একজন দারোগা আমার চাচা আবদুল হাইকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে আসেন। তারা আমাকে ডেকে আপসের জন্য কাগজে সই করতে বলেন। আমি রাজি হইনি। এ সময় কায়দার রহমান আমাকে বলেন, ‘তোমরা যা পার কর, কিছু হলে আমরা এর মধ্যে নেই।’ এরপর আমার চাচার কাছে দেয়া সাত হাজার টাকা তারা ফিরিয়ে নেন।
জানতে চাইলে সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশের আলী নাসির বলেন, আবদুল মালেককে আমরা দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে আপসের চেষ্টা হয়নি।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমতিয়াজের নেতৃত্বে সিভিল পোশাকে পুলিশ আবদুল মালেক নামের ওই কৃষককে বেধড়ক মারধর করে।
http://www.jugantor.com/last-page/2017/01/29/97058/%E0%A6%9D%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A6%E0%A6%B9%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6