১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
আবারো বাড়ছে রসুনের দাম
২৪ জানুয়ারি ২০১৭, মঙ্গলবার,
আবারো বেড়ে চলেছে রসুনের দাম। দামের দিক থেকে এখন চরম অনিশ্চিত পণ্য হিসেবে পরিচিত পাচ্ছে রসুন। কারণ এক মাস ধরে প্রায় প্রতি সপ্তাহে এ পণ্যটির দাম বাড়ছে। গেল সপ্তাহেই প্রতি কেজি আমদানি করা রসুনের দাম ছিল ২১০ থেকে ২১৫ টাকা করে। কিন্তু গতকাল বাজারে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে ২২০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা করে। অন্য দিকে, দেশী রসুন বিক্রি হয়েছে কেজি প্রতি ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা করে। এক মাসের ব্যবধানে রসুনের দাম ৫০ ভাগ বেড়েছে বলে ট্রেডিং করপোরেশন বাংলাদেশ (টিসিবি) সূত্র জানিয়েছে। রসুনের দাম আগামীতে আরো বাড়বে বলে শঙ্কা ব্যক্ত করেছেন ব্যবসায়ীরা। 
টিসিবির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গতকাল বিভিন্ন বাজারে দেশী রসুন বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা দরে। অন্য দিকে আমদানি করা রসুনের দর ছিল কেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকা। এক বছর আগে দেশী ও বিদেশী রসুনের দাম ছিল কেজি প্রতি ১৪৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকার মধ্যে। টিসিবি বলছে, এক বছরের ব্যবধানে এ পণ্যটির দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ ভাগ। আমদানি করা রসুনের দাম টিসিবির খাতায় কেজি ২২০ টাকা লেখা থাকলেও গতকাল খুব কম বাজারে এ দামে আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন বাজারে আমদানিকৃত রসুনের দর ছিল কেজিপ্রতি ২৩০ টাকা। আর দেশী রসুন বিক্রি হেেছ ১৯০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। 
রসুনের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কারণ জিজ্ঞেস করলে পুরনো ঢাকার ঠাঁটারী বাজারের একজন ব্যবসায়ী জানান, আমদানিকৃত রসুন পুরোটা চীন থেকে এসে থাকে। কিন্তু এক বছর ধরে চীনে এ পণ্যটির উৎপাদন ভালো হয়নি। একই সাথে রসুনের অভ্যন্তরীণ চাহিদাও দেশটিতে বেড়ে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবে চীনের বাজারে রসুনের দর চড়া। এর প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। যেহেতু আমদানি করা রসুনের দাম বেড়ে গেছে, তাই একই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশী রসুন। 
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আগামী মাসগুলোয় রসুনের দাম আর বেড়ে যেতে পারে। কারণ চীনের বাজারে এ পণ্যটির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমদানিকারকেরা রসুন আমদানি কমিয়ে দিচ্ছেন। ফলে চাহিদা ও জোগানের ফারাকের কারণে রসুন দাম আড়াই শ’ টাকা কেজি হয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, দেশে রসুনের চাহিদা বছরে পাঁচ লাখ টন। দেশেই উৎপাদিত হয় তিন লাখ ৯২ হাজার টন।
http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/189946