১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
কর্মকর্তা পুনর্বাসনে মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন!
১৯ জানুয়ারি ২০১৭, বৃহস্পতিবার,
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই ভাগ হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও দুই বিভাগ করার কাজ চূড়ান্ত প্রায়। একই প্রক্রিয়ায় রয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও। কাজের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় এসব মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করা হচ্ছে—সরকারের তরফ থেকে এ যুক্তি দেওয়া হলেও ভিন্নমত সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, পদের চেয়ে বেশি সংখ্যায় পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের পুনর্বাসনের জন্যই এ উদ্যোগ। কারণ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে মঞ্জুরীকৃত পদে প্রায় দ্বিগুণ কর্মকর্তা রয়েছেন এখন।
সাবেক সংস্থাপন সচিব (সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান নাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়) ড. মাহবুবুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যেভাবে মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করা হচ্ছে সেটা যুক্তিযুক্ত নয়। এর আদৌ প্রয়োজন আছে কি না তা যাচাই-বাছাই করা দরকার ছিল। এই যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিশন গঠন খুব জরুরি ছিল। কমিশন যদি মনে করত পুনর্গঠন দরকার, তাহলে তারা তার কারণ ও কিভাবে পুনর্গঠন হবে, সে ফর্মুলা দিত। সে অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করা যেত। এখন যেভাবে পুনর্গঠন করা হচ্ছে, সেটা কর্মকর্তাদের পুনর্বাসনের জন্যই হচ্ছে। কারণ এত কর্মকর্তাকে কোথায় জায়গা দেবে। ’  তিনি আরো বলেন, ‘গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সংস্থাপন সচিব হিসেবে আমি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদকে একটা কমিশন গঠন করে প্রশাসন সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর যুক্তি ছিল, এটা গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ। কিন্তু কোনো গণতান্ত্রিক সরকারই সেই পথে হাঁটেনি। ১৯৮২ সালের পর প্রশাসনে আর কোনো সংস্কারই হয়নি। ’
বর্তমানে প্রশাসনে অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। যে মন্ত্রণালয়ে একজন অতিরিক্ত সচিব থাকার কথা, সেখানে ১০ জন অতিরিক্ত সচিব কাজ করছেন। ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ ব্যাচের মতো কয়েকটি বড় ব্যাচকে একসঙ্গে পদোন্নতি দিতে গিয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে। এরপর গত তিন বছরে প্রশাসনের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব ও উপসচিব স্তরে মোট এক হাজার ৮০০ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, মঞ্জুরীকৃত পদ না থাকা সত্ত্বেও যোগ্যতাসম্পন্ন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ডিঙিয়ে সরকারের আস্থাভাজন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এখন তাঁদের পদায়নের দায় রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের আগের পদেই পদায়ন (ইনসিটু) করা হয়েছে। কোথাও নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ও অন্যত্র প্রেষণে পাঠানো হয়েছে। অনেককে  ওএসডি করে রাখা হয়েছে। এখন ইনসিটু ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত আছেন প্রায় ৩০০ কর্মকর্তা, প্রেষণে আছেন এক হাজার ৪৬ জন। যেখানে প্রেষণ ও চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, সেখানকার নিজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। কোনো কোনো দপ্তরে এ ক্ষোভ প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। এ ছাড়া প্রশাসনের চার স্তরে মঞ্জুরীকৃত এক হাজার ৬১৬ পদের বিপরীতে আছেন দুই হাজার ৭৪১ কর্মকর্তা। অর্থাৎ অতিরিক্ত আছেন এক হাজার ১২৫ জন।
মন্ত্রণালয় বিভক্ত করে পুনর্গঠনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাজের গুরুত্ব বিবেচনায় ভাগ করার কথা ছিল বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ। কারণ স্থানীয় সরকার বিভাগের অনেক কাজ। তারা উন্নয়ন বাজেটের একটা বড় অংশ ব্যয় করে। রোড, কালভার্ট, কাঁচা রাস্তা থেকে শুরু করে গ্রামীণ ও ফিডার সড়কের উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা স্থানীয় সরকারের কাজ। উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামের হাটবাজার উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। গোরস্থান, শ্মশানঘাট থেকে শুরু করে ১১ সিটি করপোরেশন, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৪৮৯টি উপজেলা পরিষদ, ৩২৬ পৌরসভা, চার হাজার ৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদসহ সব কিছুই স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান  বাড়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ওয়াটার ও স্যুয়ারেজ অথরিটি (ওয়াসা), স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট স্থানীয় সরকার বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা। এমনকি হাল আমলের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষও স্থানীয় সরকার বিভাগের কাজ। বিভাগটির বার্ষিক বাজেট প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। এই বিভাগের কাজ আরো কয়েকজন সচিবের কাছে ন্যস্ত করার চিন্তা থেকেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি আরো জানান, দিন দিনই অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক রুটে বিমান পরিবহন বাড়ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পর্যটন স্পটের সংখ্যা। দুজন সচিবের নেতৃত্বে বিমান চলাচল ও পর্যটনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পর্যটন ও বিমান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্গঠন করার কথা থাকলেও সে দুটিই পিছিয়ে গেছে।
বিভিন্ন কমিশনের প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ সম্প্রসারণ না করার সুপারিশ এসেছিল। ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসনিক সংস্কারের জন্য জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করেছিলেন। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হককে প্রধান করে গঠিত এ কমিশনে সদস্য ছিলেন ড. আকবর আলি খান, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, ড. এস এ সামাদ প্রমুখ। এই কমিশনের প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ২৫ করার সুপারিশ ছিল। মন্ত্রণালয়গুলোকে গুচ্ছভিত্তিক করার কথাও বলা হয়েছিল। সাধারণ গুচ্ছ, অর্থনৈতিক গুচ্ছ ও ভৌত-সামাজিক অধিকাঠামো গুচ্ছভিত্তিক করার কথা বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও একাধিকবার বলেছেন। বিভিন্ন বেতন কমিশনের প্রতিবেদনেও মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কমিয়ে আনার সুপারিশ রয়েছে।
প্রায় এক বছর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ নামে দুটি বিভাগে রূপান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত বিভাগ দুটির সাংগঠনিক কাঠামো ও কার্যতালিকা (অ্যালোকেশন অব বিজনেস) বিষয়ে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর নির্দেশনা ছিল।
এসংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অধীন সব সংস্থার প্রধানকে নিয়ে বৈঠক হয়। এতে প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের বিভাজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত বিভাগগুলোর কর্ম বণ্টন, জনব্যবস্থাপনা কাঠামো, কার্যসম্পাদন কাঠামো, সম্পদের ব্যবস্থাপনা, সেবা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা হয়। ওই বৈঠকে বলা হয়, মেডিক্যাল কলেজগুলোর শিক্ষা এবং হাসপাতালগুলোর সেবা কার্যক্রম দুটি আলাদা বিভাগের আওতায় গেলে উন্নত চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা শিক্ষায় সমন্বয়হীনতা সৃষ্টি হবে। কারণ হাসপাতাল পরিচালনা, ওষুধ সরবরাহ, হাসপাতালকেন্দ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে থাকে। বৈঠকে আরো বলা হয়, সব চিকিৎসক বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সদস্য। তাঁদের বদলি, পদায়ন, পদোন্নতি এক বিভাগ থেকে সম্পন্ন হবে। আর তাঁরা কাজ করবেন অন্য বিভাগে। এতে সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হবে। আর্থিক সম্পদ ও মানবসম্পদ আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রিত হলে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ মনোভাব জানার পরও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুটি বিভাগে ভাগ করে পুনর্গঠন করতে বলা হয়। এরপর আরো একটি বৈঠক করে মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে দুটি বিভাগের নামকরণে এবং অধীন দপ্তর অধিদপ্তরের বিষয়ে পরির্বতন আনা হয়। ওই বৈঠকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নাম স্বাস্থ্য বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের নাম জনসংখ্যা, নার্সিং ও ঔষধ বিভাগ করা হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মেডিক্যাল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, মেডিক্যল বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট, নিমিউ অ্যান্ড টিসি, টেমোসিএমএসডি রাখা হয়। আর জনসংখ্যা নার্সিং ও ঔষধ বিভাগের অধীনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেবা পরিদপ্তর, নার্সিং কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট, নার্সিং কাউন্সিল, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, ইডিসিএল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক বোর্ডকে রাখা হয়। দুটি বিভাগের কার্যতালিকা ও সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করে তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে তারা স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জন্য ৩৩২টি এবং জনসংখ্যা নার্সিং ও ঔষধ বিভাগের জন্য ২৪৪টি পদ রাজস্ব খাতে সৃজনের সম্মতি দেয়। অর্থ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য বিভাগের ২১ এবং জনসংখ্যা বিভাগের ১৮টি পদ কমিয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়।
সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই দুই বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং সুরক্ষা সেবা বিভাগ নামে দুটি বিভাগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। জননিরাপত্তা বিভাগের অধীনে থাকছে রাজনৈতিক ও আইন শাখা, পুলিশ বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, আনসার এবং উন্নয়ন অনুবিভাগ। সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনে থাকছে ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), ফায়ার সার্ভিস, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, কারাগার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুই বিভাগ সৃষ্টি নিয়ে জটিলতা বেধেছিল। ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএমসিকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনে রাখা হয়েছিল। পরে এই অনুবিভাগ জননিরাপত্তা বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। একপর্যায়ে এই স্থানান্তরের ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এনটিএমসির কার্যক্রম সুরক্ষা সেবামূলক নয়। এর কাজ মূলত জননিরাপত্তামূলক। বিশ্বব্যাপী টেলিযোগাযোগের অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং অবাধ তথ্যপ্রবাহের কারণে সংবেদনশীল তথ্যের অযাচিত প্রকাশ নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ কাজে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নানা রকম অপতৎপরতা রোধের জন্য এনটিএমসি গঠন করা হয়। সাইবার ক্রাইম, সন্ত্রাস দমন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, মানি লন্ডারিং, হুমকি প্রদান এসব ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন, ল্যান্ডফোন, আইএসপি এসব যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট অপরাধী শনাক্তকরণে ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ, র্যাব, এসবি, পিবিআই, বিজিবি, ও কোস্ট গার্ডকে সহায়তা করে এনটিএমসি।
এ ছাড়া গত ৩০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুটি বিভাগে বিভক্ত করে পুনর্গঠন করা হয়েছে। বিভাগ দুটি হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ।
http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2017/01/19/453646