১ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
আমীরে জামায়াত বিভাগ
জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬, শুক্রবার,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহ আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বাদ মাগরিব বার্ধক্যজনিত রোগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ......... রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র ও ২ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। আগামীকাল ১ অক্টোবর সকাল ১১টায় রহনপুরা গ্রামের মাঠে মরহুমের নামাজা জানাজা শেষে তাকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হবে। 
 
তিনি বহু দিন পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীরের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার রহনপুরা গ্রামে। তিনি দীর্ঘ দিন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
 
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৯৮৭ সালে জামায়াতের যে ১০ জন জাতীয় সংসদ সদস্য পদত্যাগ করেছিলেন তিনি ছিলেন তাদের অন্যতম। তিনি তার দীর্ঘ কর্মময় জীবনে ইসলামী সমাজ কায়েমের আন্দোলনে এবং দেশের জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গিয়েছেন। 
 
শোকবাণী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ এবং নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ এক যুক্ত শোকবাণী প্রদান করেছেন। 
 
শোকবাণীতে তারা বলেন, মাওলানা মীম ওবায়দুল্লাহর ইন্তেকালে আমরা একজন সৎ, দক্ষ, প্রবীণ আলেমে দ্বীন ও রাজনৈতিক সহকর্মীকে হারালাম। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের কাজের ভিত্তি স্থাপন এবং গতিশীল করার লক্ষ্যে তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তার এ ভূমিকা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের নিকট স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করে স্বার্থ ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। 
 
মরহুমের জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে আল্লাহ তাকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করুন। তারা মরহুমের শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আল্লাহ তাদের এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।