২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
তুরস্ক প্রবাসীর ফেসবুক স্ট্যাটাস: তুরস্কে পুণঅভ্যুত্থানের চেষ্টার গুজব
১৯ জুলাই ২০১৬, মঙ্গলবার,
তুরস্ক প্রবাসী পিএইচডি গবেষক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইয়াহইয়া গতকাল সোমবার দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, তুরস্কের রাজধানী আনকারা ও ইস্তাম্বুল আজ আবারও আতঙ্কের নগরিতে পরিণত হয়। শুধু আংকারা কিংবা ইস্তাম্বুলেই নয়, যে কোনো শহরে যে কোনো সময় আবারও অভ্যুত্থানের চেষ্টা হতে পারে এমন আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পড়ছে দেশটির প্রতিটি শহরে।
১৮ জুলাই দুপুরে আংকারা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মেলিহ গোকচেক টুইটে লিখেন, “এখনই, দ্রুত সবাই কিজিলাই ময়দানে একত্রিত হও। আনকারার এতিমসুতে বিদ্রোহীরা আবারো চেষ্টা করছে। গণতন্ত্রের নায়কেরা দায়িত্ব কাধে নাও..”।
পরবর্তীতে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলেও তিনি এমন বক্তব্য ও আশংকা প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের পরপরই জনগণ সেনাদের অবস্থানকে কেন্দ্র করে ‘কমান্ড ট্রেইনিং ডিভিশন’ এবং ‘আংকারা জিরলি বিরলিকলে’র ওকুলের সামনে দ্রুত বেগে ছুটে আসতে থাকে। ভেতর থেকে যাতে কোনো ট্যাংক বের হতে না পারে সে জন্য তারা সেখানে প্রধান গেটের সামনে ট্রাক দিয়ে অবরোধ করে রাখে।
এদিকে ইস্তাম্বুলের হাবিবলেরে অবস্থিত ‘শহীদ পিয়াদে উজমান চাভুশ আহমত ওযতুর্ক’ ব্যারাকের সামনে জড়ো হয়ে একই কায়দায় অসংখ্য ট্রাক দিয়ে অবরোধ স্থাপন করে মুহুর্মুহু সেনা ক্যু বিরোধী ও গণতন্ত্রের পক্ষে শ্লোগান দিতে থাকে জনগণ। ইস্তাম্বুলেও আবার বিদ্রোহীরা কিছু একটা করতে পারে এমন আশংকা থেকে তারা এমনটি করেন।
আসলে তুরস্কের প্রতিটি শহরেই এমন আতঙ্ক ও গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। ১৫ জুলাই রাতের অভুত্থান ব্যর্থ হলেও ঐ রাতে বিদ্রোহীদের ব্যবহৃত ২/১টি বিমান ও চল্লিশের বেশি হেলিকপ্টার নিখোঁজ রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে বিক্ষোভে ফেটে পড়া তুরস্কের প্রতিটি নাগরিকের মনে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে এ এব্যাপারে জনগণকে কিছুই বলা হয়নি। তুরস্কের কোনো মিডিয়াতেই এমন প্রচারের পক্ষে কোনো সংবাদ প্রচারিত হয়নি। তবুও সরকারি দলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, বিদ্রোহীরা আবারো সংগঠিত হয়ে যে কোনো সময় আবারও অভ্যুত্থান চেষ্টা চালাতে পারে। সরকার ও মিডিয়া কৌশলের অংশ হিসেবে এ সত্য প্রকাশ করছে না বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হবার পর সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্রোহের সাথে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত এমন সব ব্যক্তিদের চিহ্নিত করণ ও আটক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, তুরস্কের ইতিহাসে এর আগে সংগঠিত তিনটি সেনা অভ্যত্থানই পুরোপুরি সফল হলেও এবারের সেনা অভ্যুত্থানে সফল হতে পারেনি অভ্যুত্থান প্রয়াসী বিদ্রোহীরা।
এদিকে গণতন্ত্র বিরোধী এ অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান নেয়া জনতা আজ চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন। প্রথম দু’দিন রাত দিন ২৪ ঘন্টা অবস্থান নিলেও গতকাল থেকে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত চারটা পর্যন্ত রাজপথে বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
http://www.dailysangram.com/post/243244-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A6%AC