১৯ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মীর কাসেম আলীর রিভিউর রায় কাল
২৯ আগস্ট ২০১৬, সোমবার,
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর খালাস চেয়ে করা রিভিউ আবেদনের (পুনর্বিবেচনা) শুনানি শেষে কাল মঙ্গলবার রায়ের দিন ধার্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। 
গতকাল রোববার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ শুনানি শেষে আদেশের দিন ধার্য করেন। বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
আদালতে শুনানিতে মীর কাসেম আলীর প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, যে অভিযোগে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে সেই ১১নম্বর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারেনি। কোনো সাক্ষী বলেনি যে, মীর কাসেম সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত ছিল। ওই অভিযোগে প্রসিকিউশনের ছয়জন সাক্ষী, কেউ বলেনি তিনি জড়িত। মৃত্যুদণ্ডের ওই অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণ হয়নি। প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্য প্রমাণ দিয়েছে তাতে তার অপরাধ প্রমাণ হয় না। আর সরাসরি অপরাধের সঙ্গে জড়িত না থাকার কারণে তার গুরুদণ্ড মৃত্যুদণ্ড হতে পারে না। আমার একটাই অনুরোধ প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। 
এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা সাঈদীকে (আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী) যাবজ্জবীন দিয়েছি। আমরা প্রতেকটা কেস আলাদা আলাদাভাবে দেখি। 
এরপর খন্দার মাহবুব হোসেন বলেন, সাতটি অভিযোগের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া এই অভিযোগে আসামীর বিরুদ্ধে কি আছে? মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রসিকিউশন আমার বিরুদ্ধে এসব করেছে। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, কোর্টে সাক্ষী দিলে কোর্ট যদি বিশ্বাস করে আমাদের কিছু করার নেই। এরপর খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সাজা দেয়ার ইচ্ছা থাকলে তা হলে এতো কিছু করার দরকার কি? 
রিভিউ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, রায় প্রকাশ হলে দায়ী প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা খোদ আইনমন্ত্রী প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু কী ব্যবস্থা সরকার নিয়েছে-তা আদালত জানে না।
আদালতের এ বক্তব্যের সূত্র ধরে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ১২ নম্বর অভিযোগেও সাজা হতো। কেবল তাদের কারণে তাদের ইনকম্পিটেন্সির কারণে।
প্রধান বিচারপতি এ সময় বলেন, এটা মোটিভেটেডলিও হতে পারে। এটা যেন নাটক। এক অংশ একজন পরিচালনা করবেন, আরেক অংশ আরেকজন। ট্রায়াল নিয়ে মকারি করেছেন। ভালো ভালো প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন না কেন? ভালো ভালো প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন। টাকা পয়সা দিতে কী সমস্যা?
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উত্তরে বলেন, ভালো প্রসিকউটর আছে। এদেরকে এই মামলায় কেন যুক্ত করা হলো, সেটা বিষয়।
সরাসরি জড়িত না থাকায় মৃত্যুদণ্ড হতে পারে না- খন্দকার মাহবুব হোসেন
শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সভাপতির কক্ষের সামনে এক ব্রিফিংয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা আদালতে বলেছি, এই মামলায় যে সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে, সেখানে কোনো সাক্ষী বলেনি যে, মীর কাসেম সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত ছিল। প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্য প্রমাণ দিয়েছে তাতে তার অপরাধ প্রমাণ হয় না। আর সরাসরি অপরাধের সঙ্গে জড়িত না থাকার কারণে তার গুরুদণ্ড মৃত্যুদণ্ড হতে পারে না। 
খন্দকার মাহবুব হোসেন আরো বলেন, আপিল বিভাগ বলেছে, সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া না যায়, তাহলে ওই সময়ে প্রকাশিত বই-পত্র ছিল, তা পর্যালোচনা করে আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে। জবাবে আমরা বলেছি, জসীমের মামাতো বোন হিসেবে দাবি করে প্রসিকিউশনের ১৭ নম্বর সাক্ষী, তিনি একটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই পত্রিকায় জসীমের কথা বলেননি। প্রসিকিউশন থেকে আরেকটা বই দেয়া হয়েছে, এডভোকেট শফিউল আলম একটা দীর্ঘ বই লিখেছেন, সেখানেও জসীমের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কোনো কিছু বলা হয়নি। 
আরেকটা রিসার্চ পেপার চট্টগ্রাম থেকে দেয়া হয়েছে, সেখানে জসীম কিভাবে কোথায় মারা গেছে, তার হদিস দেয়া হয়নি। মীর কাসেম আলী কিভাবে সম্পৃক্ত ছিলো, এটাও দেখানো হয়নি। যে সাক্ষ্য প্রমাণ আছে, অন্তত এই অভিযোগের জন্য তার অপরাধ প্রমাণিত হয়নি। তারপরও যদি আপনারা মনে করেন, অপরাধ প্রমাণ হয়েছে, তাহলে আমাদের নিবেদন থাকবে যে, যেহেতু মীর কাসেম আলীর এই হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রিন্সিপাল অফেন্ডার হিসেবে প্রমাণ হয়নি। সেইক্ষেত্রে তাকে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেয়া আইনগতভাবে উচিত হবে না। 
আমাদের দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়, যদি দেখা যায়, আসামী অত্যন্ত দুধর্ষ, একে ছেড়ে দিলে একই ধরণের অপরাধ করবে, সেক্ষেত্রে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। কিন্তু মীর কাসেম আলীকে যদি মৃত্যুদণ্ড নাও দেয়া হয়, তাহলে তিনি এই ধরণের অপরাধ বাংলার মাটিতে করবেন, এমন কোনো সম্ভাবনা নেই। 
তাই চরম দণ্ড দেয়ার মূল বিষয় অপরাধের পুনরাবৃত্তি এখানে নেই। মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময় আসামীর চরিত্র দেখা হয়। মীর কাসেম আলী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেবার ক্ষেত্রে ইবনে সিনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাসপাতাল করেছেন। এইভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে জড়িত থেকে তিনি টেলিভিশনের উদ্যোক্তা ছিলেন। তার সামাজিক কর্মকাণ্ড ছিলো। এই আসামীর মনে যদি বিন্দুমাত্র কোনো আশঙ্কা থাকতো, তাহলে এই মামলার যখন তদন্ত চলছিলো, উনি বিদেশে গিয়েছেন, বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন। এই সব কিছু বিবেচনা করে, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত হবে না।
সাক্ষী নেই বলে আসামী পক্ষের বক্তব্য ঠিক না -এটর্নি জেনারেল
এটর্নি জেনারেল রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সাক্ষী নেই বলে আসামী পক্ষের বক্তব্য ঠিক না। কারণ মীর কাসেম যে ডালিম হোটেলের হর্তা-কর্তা ছিলো, জসীম ওখানে মারা গেছে, তা তারা নিজেরাই অস্বীকার করেনি। যারা অত্যাচারিত হয়েছে, প্রক্যেকেই মীর কাসেম আলীর কথা বলেছে। 
এটর্নি জেনারেল বলেন, একটি অভিযোগের জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অথচ সেই মুক্তিযোদ্ধা জসীমকে হত্যা করা হয়েছে, এর কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী নেই। আমি আদালতকে দেখিয়েছি, জসীম যে ডালিম হোটেলে বন্দী অবস্থায় ছিলো, এটা প্রমাণিত। মীর কাসেম আলীর সেখানে সব নিয়ন্ত্রণ ছিলো। কয়েকজন সাক্ষী মীর কাসেমের উপস্থিতি ও অত্যাচার এবং জসীমকে ফেলে দেয়া, সেই সময়ে তার উপস্থিতির বিষয়ে বলেছে। এই মামলার ১২ নম্বর অভিযোগেও মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড হতো, যদি প্রসিকিউশন ঠিকমত মামলাটি পরিচালনা করতো। আদালত আমাকে বলেছেন, আদালত তাদের রায়ে কয়েকটা কমেন্ট করেছেন, তাদেরকে কেন এখনো সরানো হয়নি। আমি আদালতকে বলেছি, বিষয়টা আমি সরকারের গোচরে আনবো। 
আমিতো আশাবাদী যে, তার দণ্ড বহাল থাকবে। 
গত ২৫ জুলাই রিভিউ শুনানির জন্য প্রস্তুতিতে দু’মাস সময় চাইলে সর্বোচ্চ আদালত এক মাস শুনানি পিছিয়ে দেন। ওইদিন মীর কাসেম আলীর প্রধান আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন রিভিউ শুনানির দুই মাসের সময় আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে আদালত এক মাসের সময় মঞ্জুর করেন। ওই দিনই ২৪ আগস্ট রিভিউ শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন আদালত। এর ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। এরপর বুধবার শুনানি শুরু হয়ে আবার ২৮ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়। সে অনুযায়ী গতকাল রোববার শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করা হলো।
গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন মীর কাসেম আলী। রিভিউ দাখিলের একদিন পরেই সরকার পক্ষ দিন ধার্যের জন্য আবেদন করে। পরে ২১ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী রিভিউ শুনানির জন্য ২৫ জুলাই দিন ধার্য করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি আপিল বিভাগের ২৫ জুলাইর কার্যতালিকায় আসে। 
মীর কাসেম আলীর রিভিউতে বলা হয় আপিলের রায়ে ১১ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের দেয়া ত্রুটিপূর্ণ। আবেদনে আপিলের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সাতটি (২, ৩, ৭, ৯, ১০, ১১ এবং ১৪) অভিযোগ থেকে খালাস চান তিনি। খালাসের পক্ষে ৮৬ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এসব যুক্তিতে বলা হয়েছে মীর কাসেম আলী নির্দোষ এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। 
রিভিউতে আরো বলা হয়েছে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের রায়ে মারাত্মক ত্রুটি রয়েছে কেননা এটা সম্পূর্ণরূপে সন্দেহ ও অনুমানভিত্তিক এবং স্ববিরোধী রায়। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটি রিভিউ হওয়া উচিত। গত ৬ জুন মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায় প্রকাশিত হয়। 
গত ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর আপিল আংশিক মঞ্জুর করে তিনটি অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি এবং সাতটি অভিযোগে সাজা বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ। এরমধ্যে ১১ নম্বর অভিযোগে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন হত্যার অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের দেয়ার মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। 
আপিলের সংক্ষিপ্ত রায়ে বলা হয়, আসামীপক্ষের আপিল আংশিক মঞ্জুর করা হলো। প্রসিকিউশন করা অভিযোগের মধ্যে ৪, ৬ ও ১২ নম্বর অভিযোগ থেকে মীর কাসেম আলীকে খালাস এবং ২, ৩, ৭, ৯, ১০, ১১ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে ট্রাইব্যুনালে দেয়া দণ্ড বহাল রাখা হলো। এর মধ্যে ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। ১২ নম্বর অভিযোগ থেকে আপিল বিভাগ খালাস দিলেও ১১ নম্বর অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।
২০১৪ সালের ২ নবেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে দু’সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করেন। প্রসিকিউশনের আনীত ১১ ও ১২ নম্বর অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা জসিম ও জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে হত্যার অভিযোগে তাকে এই দণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে ১২ নম্বর অভিযোগে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে রায় প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ২ নম্বর অভিযোগে ২০ বছর, ৩, ৪, ৬, ৭, ৯ ও ১০ নম্বর অভিযোগে মীর কাসেম আলীকে ৭ বছর করে এবং ১৪ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। অপরদিকে ১, ৫, ৮ ও ১৩ নম্বর অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় তাকে। ওইদিন মোট ৩৫১ পৃষ্ঠার রায়ের মধ্যে ১১ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত রায় পড়ে শোনায় ট্রাইব্যুনাল। 
একই বছরের ৩০ নবেম্বর ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন মীর কাসেম আলী। তার পক্ষে আইনজীবীরা আপিলটি দাখিল করেন। আপিলটি পাঁচটি ভলিউমে ১৭৫০ পৃষ্ঠার। ১৫০ পৃষ্ঠার আপিলে ১৮১টি যুক্তিতে খালাস চাওয়া হয়েছিল। 
২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
http://www.dailysangram.com/post/248926-%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2