২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করায় নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত: ‘নিজামীর মৃত্যুদন্ড বাংলাদেশকে আরও রোগগ্রস্ত করল’ -দ্য ইকোনমিস্ট
১৫ মে ২০১৬, রবিবার,
বাংলাদেশের ক্রমঅবনতিশীল পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। মহাসচিবের পক্ষে এক ব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশের চলমান এই সহিংস পরিস্থিতির ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মৃত্যুদন্ড কার্যকরের বিষয়টিও তারা অবলোকন করেছে। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন দ্যা ইকোনমিস্ট বলেছে, একদলীয় একনায়কতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ। সবচেয়ে বড় ইসলামী দলের নেতা নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের মধ্যে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী শাসনের অনুতাপহীন উৎপত্তি দেখা যাচ্ছে। ভিন্নমতকে সহ্য না করার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং তা ধ্বংস করার উপায় হিসেবেই এসব বিষয় দেখা হচ্ছে। মাওলানা নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ফিলিস্তিন উলামা পরিষদ বলেছে, মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে একটি জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে। মৃত্যুদন্ড কার্যকরকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে মালয়েশিয়ার বৃহত্তম যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ মুভমেন্ট অব মালয়েশিয়া (আবিম)। পাশাপাশি মালয়েশিয়া সরকারকেও এ ব্যাপারে জোরালো প্রতিবাদ জানাতে আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটি। জামায়াত নেতাদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর বাংলাদেশে ইসলামী বিপ্লবের সূচনা বলে মন্তব্য করেছে কাশ্মিরের তেহরিক-ই- র্হুরিয়াতের চেয়ারম্যান সাইয়্যেদ আলী গিলানী।  
জাতিসংঘ : বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। গত শুক্রবার জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ পরিস্থিত নিয়ে কথা বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র স্টিফেন ডোজারিক। জুলহাস মান্নানসহ ব্লগারদের হত্যা, বিচারবহিভূত হত্যাকান্ড, সাংবাদিক শফিক রেহমান-শওকত মাহমুদের কারা নির্যাতন, ফাঁসির দন্ড কার্যকরের বিষয় উঠে আসে ওই ব্রিফ্রিংয়ে।
একজন সাংবাদিক স্টিফেন ডোজারিককে প্রশ্ন করেন, গত রোববার নিউইয়র্ক টাইমসে বাংলাদেশের ওপর ‘বাংলাদেশে বিচারহীনতা বিরাজ করছে’ শিরোনোমে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। আপনি জানেন, দেশটিতে সমকামী সম্পাদক জুলহাজ মান্নান হত্যা, ব্লগার হত্যা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- এবং সরকারের হয়রানি চলছেই। বিশেষ করে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ৮২ বছর বয়সী এক সম্পাদক এবং দেশটির সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতিও জেলে আছেন। বাংলাদেশে এখন এ সবই হচ্ছে। এই বিচারহীনতা থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে জাতিসংঘের ভূমিকা কী?
এই প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশের সাংবাদিক ও ব্লগারদের বিরুদ্ধে চলমান এই সহিংস পরিস্থিতির ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাছাড়া, সম্প্রতি যে মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো সেটাও আমরা দেখেছি। আমরা দেখতে চাই, দেশটির সরকার যেন এমন পরিবেশ সৃষ্টি করে যাতে আমাদের সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
দ্যা ইকনোমিস্ট : ‘ঢাকায় স্বৈরতন্ত্র-একদলীয় একনায়কতন্ত্রের পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নিবন্ধে বলা হয়েছে, মুসলিম সংখ্যগরিষ্ঠ বাংলাদেশ এখন নানা কদর্য কারণে বিশ্বব্যাপী শিরোনাম হচ্ছে। গতকাল শনিবার এশিয়ার প্রিন্ট সংস্করণে এ প্রতিবেদনটি ছাপা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমত: ধর্মীয়কারণে হত্যান্ড এ কারণে দুই ডজনেরও বেশি সেক্যুলার ব্লগার, উদারপন্থী ও অন্যান্যদের কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এদিকে গত ১১ মে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী দলের নেতা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদী শাসনের অনুতাপহীন উৎপত্তি দেখা যাচ্ছে। ভিন্নমতকে সহ্য না করার যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং তা ধ্বংস করার উপায় হিসেবেই এসব বিষয় দেখা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড বাংলাদেশকে আরো রোগাগ্রস্থ করলো। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতা লাভ করে, তখন এদেশে পরিকল্পিত গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭১ সালে সংগঠিত অপরাধের বিচার না হওয়ায় বাংলাদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ ছিল। তাই ২০১০ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার এর বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করে, তখন তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। কিন্তু এর প্রক্রিয়াকে হাস্যকর করা হয়। কেননা, এখানে ন্যায়বিচার খোঁজার পরিবর্তে সরকার বিরোধীদের দুর্বল করার জন্য বাছাই করা হয়।
নিজামী হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর ৪র্থ নেতা, যার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হলো। জামায়াতে ইসলামী হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপির শরীক দল। নিজামী বেগম জিয়ার মন্ত্রী সভার সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ এখন একদলীয় শাসনের মধ্যে ঘূর্ণয়মান। শেখ হাসিনা এ দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৯৯১-২০০৬ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করেছে। নির্বাচন নিরপেক্ষ করার জন্য কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তারা সংবিধান পরিবর্তন করে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা উঠিয়ে দেয়। তার প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি। কোনো জনসমর্থন ছাড়াই বিরোধীদলকে কোনঠাসা করে ক্ষমতায় থেকে যায়। সর্বত্রই তারা দলীয়করণ করে। বাংলাদেশ সরকার গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনকে পদদলিত করেছে। এই সময়ে প্রতিবেশী ভারতের সাথে বৈদেশিক সমর্থন উন্নতি হয়েছে, যা আগে ছিল অবহেলিত। প্রতিবেদনে বিভিন্ন হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যাপারে সরকারের উদাসিনতার কথা তুলে ধরা হয়। তবে সরকার এসব হত্যাকান্ডের জন্য বিএনপি ও জামায়াতকে দায়ী করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ফিলিস্তিন উলামা পরিষদ : মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিন উলামা পরিষদ। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার জামায়াতে ইসলামীর আমীর শায়খ শহীদ মতিউর রহমানের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে একটি জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছে। আমরা বহিঃবিশ্বের ফিলিস্তিনী উলামা পরিষদ এই জঘন্য নিকৃষ্ট কাজটির নিন্দা জানাচ্ছি। পরিষদের ওয়েবসাইট সূত্রে প্রাপ্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে, এটা বাংলাদেশের ইসলামী কার্যকলাপকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। আর এখানে আলেমদের নিরবতা এই বিষয়টিকে আরো উৎসাহিত করছে যে, সকল জায়গায় ইসলাম ও তার অনুসারীদের লক্ষ্যবস্তু বানানো। আর এটি বাড়াবাড়ির অন্যতম একটি মাধ্যম। যা পাপিষ্ঠরা তাদের রাজনীতির মাধ্যমে হাসিল করতে চায়। আর নিরবতা পালনকারী আলেমরাও তাই চায়। আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং সকল মুসলমানদের প্রতি শায়খ শহীদ মতিউর রহমানের শাহাদাতে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা উম্মাহর আলেমদেরকে আহ্বান করছি বাংলাদেশের যালেম সরকারের দ্বারা অত্যাচারিত সকল আলেমদের পাশে দাঁড়াতে। আল্লাহ শায়খ শহীদের উপর রহম করুক এবং বাংলাদেশের ইসলাম ও মুসলমানদের হেফাজত করুক। আর আল্লাহ তার সিদ্ধান্তে বিজয়ী কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।
মালয়েশিয়ায় আবিমের নিন্দা : জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মালয়েশিয়ার বৃহত্তম যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ মুভমেন্ট অব মালয়েশিয়া (আবিম)। মৃত্যুদন্ড কার্যকরকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি। আবিমের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাইমি এবি রহিম এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। পাশাপাশি মালয়েশিয়া সরকারকেও এ ব্যাপারে জোরালো প্রতিবাদ জানাতে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন। আবিমের পক্ষ থেকে উদ্বেগের কথা জানিয়ে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও চিঠি পাঠিয়েছে। আবিমের বিবৃতিটি তাদের ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, যৌক্তিক সাক্ষ্য-প্রমাণ ও কারণ ছাড়াই অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্যেই নিজামীর মৃত্যুদন্ডাদেশ কর্যকর করা হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মৃত্যুদন্ড জাতীয় অধঃপতনের লক্ষণ। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর তিন নেতাসহ বিরোধী দলের নেতাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। এগুলো অন্যায় ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। বিবৃতিতে বাংলাদেশে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হচ্ছে বলে উল্লেখ করে আবিম। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের এমন পরিস্থিতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে মালয়েশিয়া সরকারকে।
কাশ্মিরের র্হুরিয়াত : জামায়াত নেতাদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর বাংলাদেশে ইসলামী বিপ্লবের সূচনা বলে মন্তব্য করেছে কাশ্মিরের তেহরিক-ই-র্হুরিয়াতের চেয়ারম্যান সাইয়্যেদ আলী গিলানী। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের পর তীব্র নিন্দা, গভীর শোক জানিয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন। গত বুধবার দেয়া বিবৃতিতে তিনি তার সংগঠনের পক্ষ থেকে শুক্রবার মাওলানা নিজামীর জন্য মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া ও গায়েবানা জানাযা আদায়ের আহ্বান জানান। গ্রেটার কাশ্মিরে এ বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে। সাইয়্যেদ আলী গিলানী জম্মু ও কাশ্মিরের ২৬টি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের জোট আলপার্টি র্হুরিয়াত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ৩ বার এমএলএ নির্বধাচিত হয়েছিলেন। বিবৃতিতে গিলানী বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ইসলামপ্রিয় জনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, ইসলামের প্রতি ভালোবাসা ও দক্ষতার কারণেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা সাজা ভোগ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নিজামী একজন ইসলামী পন্ডিত ব্যক্তি, উদার মনের মানুষ, প্রাজ্ঞ ব্যক্তি, তিনি তার পুরো জীবনটাই ইসলামের জন্য, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন।  তিনি বলেন, সত্যিকারের মুসলমানদের কাছে তিনি আজীবন বেঁচে থাকবেন এবং তার মৃত্যু হচ্ছে বীরের মতো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদ মতিউর রহমান নিজামীর আত্মত্যাগ একটি মাইলস্টোন হিসেবে কাজ করবে এবং এটা বাংলাদেশে ইসলামী বিপ্লবের সূচনা হবে।
শায়খ রুদ্রিগোয়েজ : ব্র্রাজিলের প্রখ্যাত আলেম শায়খ রুদ্রিগোয়েজ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, আমরা ব্রাজিলের মুসলিমানরা খবর পেলাম, বাংলাদেশের সম্পদ শায়খ মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে জান্নাতের জন্য কবুল করেন, যাকে ইচ্ছা তাকে জাহান্নামের জন্য বাছাই করেন। তিনি মাওলানা নিজামীর শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ধৈর্যের সাথে জিহাদ চালিয়ে যান। সত্যের উপর অবিচল থেকে অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত রাখুন। তিনি বিশ্ববাসীর প্রতি অনুরোধ জানান, বাংলাদেশের ইমাম মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ড কার্যকরের খবরটি দেশে দেশে প্রচার করুন, যাতে সকলে তার উপর জুলুমের ব্যাপারে পরিষ্কার হন। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই অবিশ্বাসীদের উপর বিশ্বাসীদের বিজয়ের ব্যাপারে সাহায্য দান করবেন।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=234909