২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
নিউইয়র্কে গায়েবানা জানাযা: বাংলাদেশকে ইসলামী নেতৃত্ব শূন্য করার চেষ্টা হচ্ছে
১২ মে ২০১৬, বৃহস্পতিবার,
গত মঙ্গলবার মাগরিবের নামাযের পর নিউইয়র্কে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়
মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর গায়েবানা জানাযা নামায নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার মাগরিবের নামাযের পর (বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টা) হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কের চার্চ ম্যাকডোনাল্ডে প্রবাসীদের উদ্যোগে এ গায়েবানা জানাযা নামায অনুষ্ঠিত হয়। গায়েবানা জানাযা নামাযে ইমামতি করেন বায়তুল মামুর মসজিদের মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন। গায়েবানা জানাযা নামায পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক মজলিসে শূরার সদস্য আবদুল হাফিজ জামিল, ইসলামী চিন্তাবিদ আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক কাজী ইসমাইল, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট এম এ আজিজউল্লাহ, কোয়ালিশন অব বাংলাদেশী আমেরিকান এসোসিয়েশনের (কোবা) সভাপতি আবদুল্লাহ আল আরিফ। সমাবেশ পরিচালনা করেন কোবার সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। 
এ সময় আবদুল হাফিজ জামিল বলেন, মাওলানা নিজামীকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইসলামী আন্দোলন থেমে যাবে না। এই রাষ্ট্রীয় অবিচারের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলমানরা রুখে দাঁড়াবেই। ইসলামের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই মাওলানা নিজামিকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ৭১ বছর বয়স্ক একজন ব্যক্তি অসুস্থ বা এক্সিডেন্টে মৃত্যুবরণ করতে পারতেন। কিন্তু মাওলানা নিজামী জালিম শাসকদের হাতে ফাঁসির মাধ্যমে শহীদ হয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। আমাদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ইসলামের জন্য নিজেদের উৎসগ করতে হবে। 
অন্যান্য বক্তারা বলেন, চারদলীয় জোট সরকারের কৃষি ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে তিনি যে দক্ষতা, সততা স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছেন তা বাংলাদেশের জনগণ কখনো ভুলবে না। তিনি ইসলামী আন্দোলনের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে বাংলাদেশের জনগণের নিকট ইসলামের সুমহান দাওয়াত পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য সারা জীবন পরিশ্রম করেছেন। বর্তমান সরকার এ রকম একজন সৎ, আল্লাহভীরু ও দেশপ্রেমিক দক্ষ জাতীয় নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করায় জাতির সঙ্গে বেঈমানী করেছে। 
বক্তারা বলেন, ইসলামবিদ্বেষী আধিপত্যবাদী শক্তির সাজানো বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একের পর এক দেশপ্রেমিক ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে। তারা বলেন, একদিকে শীর্ষ ইসলামিক নেতাদের হত্যাকাণ্ড অন্যদিকে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের গুপ্ত হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ইসলামী নেতৃত্ব শূন্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকার শত চেষ্টা করেও কুরআনের সৈনিকদের নিঃশেষ করতে পারবে না বলেও তারা মন্তব্য করেন।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=234548