৫ এপ্রিল ২০২০, রবিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ আবেদন দায়ের
১৫ অক্টোবর ২০১৫, বৃহস্পতিবার,
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেছেন। মুজাহিদের রিভিউতে ৩২টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চাওয়া হয়েছে। আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তিগুলো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হলে তারা খালাস পাবেন। মুজাহিদের রিভিউ আবেদনে নতুন যুক্তি হিসেবে ‘দি ভ্যাঙ্কুইশড জেনারেলস’ নামের একটি বই দালিলিক প্রমাণ হিসেবে জমা দেয়া হয়েছে। বইটি সম্পাদনা করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ও লেখক ড. মুনতাসির মামুন। এতে মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ দু’ কর্মকর্তা রাও ফরমান আলী এবং জেনারেল এ, এ, কে, নিয়াজি স্বীকার করেছেন যে, আলবদর বাহিনী সরাসরি আর্মির কমান্ডে এবং কন্ট্রোলে পরিচালিত হতো। এর প্রেক্ষিতে রিভিউতে বলা হয়েছে মুজাহিদ একজন ছাত্রনেতা হয়ে কিভাবে এই বাহিনীর কমান্ডার হলেন? আর্মির নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত আধা-সামরিক বাহিনী আল বদরের কমান্ডার কোন বেসামরিক ব্যক্তি হতে পারেন না। ওই সময় মজাহিদ ২৩ বছরের ছাত্র ছিলেন।
গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করেন মুজাহিদের আইনজীবী এডভোকেট মো. শিশির মনির ও বেলা ১২ টার দিকে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রিভিউ আবেদন দাখিল করেন আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম খান আলফেসানী।।
মুজাহিদের আইনজীবী এডভোকেট শিশির মনির জানান, ৩৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ৩২টি গ্রাউন্ডে আপিল বিভাগের রায়ের পুনর্বিবেচনা চাওয়া হয়েছে। রিভিউ আবেদনে আপিল বিভাগের দেয়া দন্ড থেকে মুজাহিদের অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায় প্রকাশের পর নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে এই রিভিউ দাখিল করা হলো।
রিভিউ আবেদনে বলা হয় বুদ্ধিজীবী হত্যার অভিযোগের সমর্থনে সরকার পক্ষ (প্রসিকিউশন) দুইজন সাক্ষী হাজির করে। যথা রুস্তম আলী মোল্লা ও জহির উদ্দিন জালাল। ১৯৭১ সালে রুস্তম আলী মোল্লার বয়স ছিল ১৪ বছর এবং জহির উদ্দিন জালালের বয়স ছিল ১৩ বছর। রুস্তম আলী মোল্লা নিজেকে এই ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে দাবি করলেও তার সাক্ষ্য পরস্পর বিরোধী। আর জহিরউদ্দিন জালাল একজন শোনা সাক্ষী। রুস্তম আলী মোল্লা মুজাহিদকে আর্মি অফিসারের সাথে ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনা করতে দেখেনি। এই সাক্ষী দাবি করেছেন যে, স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৩/৪ মাস পর মুজাহিদকে ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের গেইটে দেখেছে। তিনি স্বীকার করেছেন যে, মুজাহিদকে আগে থেকে চিনতেন না। গেইটে প্রহরারত ব্যক্তিরা বলাবলি করছিল যে, গোলাম আযম, নিজামী ও মুজাহিদ কলেজে এসেছেন এবং তখন তিনি মুজাহিদ সাহেবকে চিনতে পারেন। রুস্তম আলী মোল্লার সাক্ষ্যে এটি প্রতীয়মান হয় যে, তিনি পূর্ব থেকে এই তিনজনের কাউকেই চিনতেন না। কেউ তাকে সুনির্দিষ্টভাবে মুজাহিদ চিনিয়েও দেয়নি। তাহলে প্রশ্ন হলো, পূর্ব থেকে না চেনা সত্ত্বেও কিভাবে তিনি নিজেই কলেজের গেইটে মুজাহিদকে চিহ্নিত করলেন? তর্কের খাতিরে রুস্তম আলী মোল্লার কথা সত্য বলে ধরে নিলেও এর দ্বারা কি আদৌ এটি প্রমাণিত হয় যে, তিনি আর্মি অফিসারের সাথে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করেছেন?
অপর সাক্ষী জহির উদ্দিন জালাল তার সাক্ষ্যে বলেছেন যে, নিজামী, মুজাহিদরা ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আসতেন-এই খবরগুলো রুস্তম আলী মোল্লা কেরানীগঞ্জে তাকে জানিয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্বীকার করেছেন রুস্তম আলী মোল্লা তদন্তকালে তার কাছে বলেনি যে, বিচ্ছু জালাল নামে কারো সঙ্গে তার পূর্ব পরিচয় ছিল। সুতরাং জালালের দাবি অসত্য প্রমাণিত।
রুস্তম আলী মোল্লার পিতা মো. রহম আলী মোল্লা ১৯৭১ সালে ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজের প্রহরী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্বীকার করেছেন যে, তিনি আজও জীবিত আছেন। কিন্তু প্রসিকিউশন এই মামলায় তাকে সাক্ষী হিসাবে ট্রাইব্যুনালে হাজির করেনি। ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজের তদানীন্তন অধ্যক্ষ মুহিবুল্লাহ খান মজলিস এবং তার ছেলে বর্তমান অধ্যক্ষ তারেক ইকবাল খান মজলিসকেও (যিনি ১৯৭১ সালে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন) সাক্ষী হিসাবে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি। অধিকন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৯৭১ সালে অত্র কলেজে কর্মরত কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর সাথে কথাবার্তা বলেননি এবং তাদের কাউকে সাক্ষী মান্য করেননি। প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জীবিত থাকা সত্ত্বেও অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন ব্যক্তির সন্দেহজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মুজাহিদের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখা হয়েছে?
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে আর্মী অফিসারের সাথে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার অভিযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি কবে কোথায় কোন্ আর্মী অফিসারের সাথে এই ষড়যন্ত্র করেছেন এই মর্মে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য প্রমাণ প্রসিকিউশন উপস্থাপন করতে পারেনি। উল্লেখ্য যে, এই কথিত ষড়যন্ত্রের ফলে কে কাকে কোথায় কখন কিভাবে হত্যা করেছে এই মর্মে কোন মৌখিক ও দালিলিক সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। প্রসিকিউশনের আনীত ১ নম্বর অভিযোগে সাংবাদিক সিরাজউদ্দিন হোসেনকে হত্যার কথা উল্লেখ থাকলেও আপীল বিভাগ অত্র অভিযোগ থেকে মুজাহিদকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন।
মুজাহিদকে আলবদরের কমান্ডার হিসাবে সাজা দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে নিম্নক্ত প্রশ্নের কোন সদুত্তর প্রসিকিউশন দিতে পারেনি- কে কখন কোথায় কিভাবে মুজাহিদকে আলবদরের কমান্ডার হিসাবে নিয়োগ প্রদান করেন? তিনিই কি আলবদরের প্রথম এবং শেষ কমান্ডার? তার আগে এবং পরে কে বা কারা এই দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন? প্রসিকিউশনের ভাষ্যমতে ১৯৭১ সালের মে মাসে জামালপুরে মেজর রিয়াজের প্রচেষ্টায় আলবদর বাহিনী গঠিত হয়। ঐ সময় মুজাহিদ ঢাকা জেলার ছাত্র সংঘের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তাহলে ঢাকায় বসে কিভাবে তিনি জামালপুরে গঠিত আলবদর বাহিনীর কমান্ডার হলেন?
রিভিউতে দাখিল করা নতুন দালিলিক প্রমাণ হিসেবে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও লেখক অধ্যাপক ড.মুনতাসির মামুন সম্পাদিত ‘দি ভ্যাঙ্কুইশড জেনারেলস’ বই দাখিল করা হয়েছে। বইটিতে রয়েছে রাও ফরমান আলী এবং জেনারেল এ, এ, কে, নিয়াজি স্বীকার করেছেন যে, আলবদর বাহিনী সরাসরি আর্মির কমান্ডে এবং কন্ট্রোলে পরিচালিত হতো। প্রশ্ন হলো মুজাহিদ একজন ছাত্রনেতা হয়ে কিভাবে এই বাহিনীর কমান্ডার হলেন? এই বইটি পুনর্বিবেচনার আবেদনের সাথে নতুন দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে দাখিল করা হয়েছে।
জেরায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন যে, তার তদন্তকালে রাজাকার, আলবদর, আল-শামস বা শান্তি কমিটির সংশ্লিষ্ট কোন তালিকায় আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের নাম ছিল মর্মে তিনি কোন প্রমাণ পাননি। কিসের ভিত্তিতে তাকে আলবদরের কমান্ডার সাব্যস্ত করা হলো এ বিষয়ে রিভিউতে বলা স্বাধীনতার অব্যবহিত পরবর্তীকালে (১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত) তদানীন্তন জাতীয় গণমাধ্যমে আলবদরের কর্মকান্ড নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ ছাপা হয়েছে এমনকি ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাদেরকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে। অথচ ঐসব সংবাদ ও বিজ্ঞপ্তিতে মুজাহিদের নাম কেউ উল্লেখ করেনি। যদি তিনি আলবদরের সারা দেশের কমান্ডার হতেন তাহলে স্বাধীনতার অব্যবহিত পরবর্তী সময়ে তার নাম কেউ উল্লেখ করেনি কেন? বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে ১৯৭২ সালে দালাল আইনে ৪২ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এর একটিতেও মুজাহিদকে আসামী করা হয়নি। প্রসিকিউশন এই মামলাগুলোর নথি আদালতে উপস্থাপন করেনি। অথচ ৪২ বছর পর কিভাবে এই হত্যাকান্ডের সকল দায়-দায়িত্ব তার উপর চাপানো হয়েছে? ২৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের তদন্তের জন্য জহির রায়হানকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল। প্রথিতযশা সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আমির-উল-ইসলাম এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এই কমিটির সদস্য ছিলেন। প্রসিকিউশন এই কমিটি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত তদন্ত রিপোর্ট ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়নি এবং তদন্তকালে তাদের কারো সাথে আলোচনাও করেনি। কেন প্রসিকিউশন এই তদন্ত রিপোর্ট জাতির সামনে প্রকাশ করেনি?
আপীল বিভাগ সুনির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হত্যার জন্য মুজাহিদকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেননি। অনুমানের উপর ভিত্তি করে ১৯৭১ সালে নিহত সকল বুদ্ধিজীবী হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার জন্য তাকে দায়ী করেছেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার বেলা ৩টায় আইনজীবীদের সাক্ষাৎকালে রিভিউ আবেদন দায়ের করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দু’টি প্রশ্ন উত্থাপন করেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
এই প্রশ্ন দু’টি হলো- মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন রাজাকার, আলবদর বা শান্তি কমিটির কোনো তালিকায় মুজাহিদের নাম নেই। হঠাৎ করে ৪২ বছর পর কিভাবে তিনি আলবদরের কমান্ডার হয়ে গেলেন?
দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো-১৯৭১ সালে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ২৩ বছর বয়সের একজন ছাত্র ছিলেন। একজন ছাত্র কিভাবে আধা-সামরিক বাহিনীর কমান্ডার হতে পারেন? কে কখন কোথায় তাকে এই পদে নিয়োগ দিলেন এই মর্মে প্রসিকিউশন কোনো মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারেনি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এরপর ১ অক্টোবর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং তা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর গত ২ অক্টোবর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ সাথে রিভিউ আবেদন দায়েরের বিষয়ে পরামর্শ করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের তার পাঁচজন আইনজীবী সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষতে তিনি আইনজীবীদের রিভিউ আবেদন দায়ের করার পরামর্শ দেন।
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রিভিউ আবেদন : রায় পুনর্বিবেচনার জন্য বেলা ১২টার দিকে আবেদন করেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। তার পক্ষে রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় দাখিল করেন তার আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম আল ফেসানী। এতে ১০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে মূল দশটি যুক্তি তুলে ধরে রায় পর্যালোচনা করে খালাসের আরজি রয়েছে। রিভিউ আবেদনে বলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী চট্টগ্রামে ছিলেন না। পাকিস্তানের পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটিতে পড়ছিলেন। এরপক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য পাকিস্তানের ৫ জন খ্যাতিমান নাগরিকের সাক্ষ্যগ্রহণের আরজি রয়েছে। আইনজীবীদের দাবি এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলে আপিলের রায় থেকে খালাস পাবেন তিনি।
গত ২৯ জুলাই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে রায় দেন আপিল বিভাগ। ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে তার চারটি অভিযোগে মৃত্যুদন্ড, চারটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা বহাল রাখা হয় তার। তবে একটিতে খালাস পান তিনি।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে চার বিচারপতির বেঞ্চ আপিলের চুড়ান্ত নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। হরতালের আগের রাতে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর গ্রেফতার হন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। এর পর ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=208416