৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
বিজ্ঞপ্তি
জনাব মুজাহিদের সাথে আইনজীবীদের সাক্ষাৎ
৩ অক্টোবর ২০১৫, শনিবার,
আজ ৩ অক্টোবর, শনিবার সকাল ১০.৩০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মো: মুজাহিদের সাথে আমরা ৫জন আইনজীবী সাক্ষাৎ করি। এই সাক্ষাতের বিষয়ে নি¤েœ সংক্ষিপ্ত বর্ননা দেয়া হলো:
জনাব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন। জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী নির্বিশেষে সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন। তিনি শারীরিক ভাবে সুস্থ আছেন এবং মানসিকভাবে অনঢ় ও অবিচল আছেন।
তিনি আমাদেরকে রিভিউ পিটিশন (পূণর্বিবেচনার আবেদন) দায়েরের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা তার সাথে ৩০ মিনিট আালোচনা করেছি। এই স্বল্প সময়ে ১৯১ পৃষ্ঠার রায় পর্যালোচনা করে মতামত দেয়া সম্ভব নয়। তাই সময় নিয়ে পর্যালোচনা করার জন্য আমরা রায়ের একটি কপি তাকে দিয়েছি। তিনি সেটি পর্যালোচনা করবেন এবং পূণর্বিবেচনার আবেদন দায়েরের পূর্বে আইনজীবীদের সাথে সাক্ষাত করে বিস্তারিত মতামত প্রদান করবেন মর্মে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র পক্ষ তার বিরুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনতে সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ হয়েছে। আন্দাজ এবং অনুমানের ভিত্তিতে এই অভিযোগ দায়ের করেছে। অধিকন্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কেউ তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আসেনি।
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি সময়ে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে ৪২টি মামলা দায়ের হয়েছিল অথচ কোন মামলাতেই তিনি আসামী ছিলেন না। ২৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের তদন্তের জন্য জনাব জহির রায়হানকে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়েছিল। প্রথিতযশা সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আমির-উল-ইসলাম এবং ব্যারস্টিার মওদুদ আহমদ এই কমিটির সদস্য ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ সেই তদন্ত রিপোর্ট আদালতে উপস্থাপন করেনি।
জনাব আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ১৯৭১ সালে একজন ছাত্র ছিলেন অথচ ৪২ বছর পরে এই হত্যাকান্ডের সমস্ত দায় দায়িত্ব তার উপর অন্যায়ভাবে চাপানো হচ্ছে।
তিনি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তিনি আশাবাদী যে মহামান্য আপীল বিভাগ তার পূণর্বিবেচনার আবেদনটি (রিভিউ পিটিশন) গ্রহণ করে তার দন্ড মওকুফ করবেন এবং বেকসুর খলাস প্রদান করবেন।   
---ডিফেন্স টিমের পক্ষে
মোহাম্মাদ শিশির মনির