২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় রায় যথাযথ হয়নি বলে রিভিউ চেয়েছিলাম -খন্দকার মাহবুব হোসেন
১৯ নভেম্বর ২০১৫, বৃহস্পতিবার,
গতকাল বুধবার জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আইনজীবী এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করেন -সংগ্রাম
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর প্রধান আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, আপিল বিভাগ রিভিউ আবেদন খারিজ করেছেন। যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে, তাতে সাক্ষী-প্রমাণ সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে প্রশ্ন রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এখন আমরা আল্লাহর দরবারে বিচার চাইবো।
রিভিউ আবেদন খারিজের পর গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনে নিজ কার্যালয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো আসামীকে আইনি সাহায্য করা। আইনজীবীরা অপরাধকে সমর্থন করেন না। আমরা আইনি লড়াই করেছি। লড়াইয়ে হেরে গেছি।
তিনি বলেন, আমরা রিভিউতে বলেছি, যেসব অপরাধে দু’জন আসামীকে সাজা দেয়া হয়েছে, তা বৈধ আইনানুগ হয়নি। সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরী একাত্তর সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন। তিনি হত্যাকা-ে সম্পৃক্ত ছিলেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত সনদ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু এই বিচারের বিপক্ষে-এই যুক্তিতে ওই সনদ গ্রহণ করা হয়নি।
মুজাহিদের বিষয়ে খন্দকার মাহবুব বলেন, মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় ট্রাইব্যুনাল এবং আপিল বিভাগের রায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে রিভিউতে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু আদালত তা নাকচ করে দেন।
আসামীরা ক্ষমা চাইবেন কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ক্ষমা চাইবে কি চাইবে না, এটা আসামীর বিষয়। পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি যাওয়ার পর তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তারা আবেদন না করলেও রাষ্ট্রপতি চাইলে দণ্ড মওকুফ করতে পারেন।
রায় কার্যকর সরকারের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার চাইলে রায় কার্যকর করতেও পারে, নাও করতে পারে। সরকার চাইলে দণ্ড মওকুফ করে দিতে পারে।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=212929