৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
বিজ্ঞপ্তি
বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার
২৫ জুন ২০১৫, বৃহস্পতিবার,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ দেশের রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, প্রাক্তন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ওলামা-মাশায়েখ, ব্যবসায়ী ও কৃষিবিদসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে আজ ২৫ জুন ২০১৫ তারিখ বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকার হোটেল সোনারগাঁও-এর গ্র্যান্ড বলরুমে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। 
 
এই ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। 
 
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই আসনে বসে যারা আপনাদেরকে নিয়ে ইফতার মাহফিলে মিলিত হতেন এ জালেম সরকার তাদেরকে পাঁচ বছর যাবত কারাগারে আটক করে রেখেছে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুস সুবহান, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, সেক্রেটারী জেনারেল জনাব আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম, নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মীর কাসেম আলীর পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে সালাম জানান। 
তিনি বলেন, মাহে রমজান পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস। কুরআন হচ্ছে মানবজাতির জন্য পথ-নির্দেশিকা, সত্য মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী। কুরআন মুত্তাকীনদের সঠিক পথের দিশা দেয়। কুরআনের পথ নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হলে তাক্বওয়ার গুণ অপরিহার্য। আল্লাহর বিধানকে মানবজীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টার জন্য তাক্বওয়ার গুণ দরকার। এই তাক্বওয়ার গুণাবলী অর্জন করার জন্যই রমজান মাসের রোজা ফরজ করা হয়েছে। 
 
তিনি আরও বলেন, দেশ ও জাতি আজ এক কঠিন সংকটে নিপতিত। মানুষের জানমাল, ইজ্জত-আব্রুর কোন নিরাপত্তা নেই। সর্বত্রই আতঙ্ক, অস্বস্তি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অপরাধ দমনের পরিবর্তে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও হয়রানি করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নানান অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আজ ধর্ষণের মত চরম অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। নারীর ইজ্জত এবং সম্মানের আজ কোন নিরাপত্তা নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে নারীর ওপর হামলা, চলন্ত বাসে, ট্রাকে এমনকি নৌকায় নারী ধর্ষণ আজ খবরের প্রধান শিরোনাম। অথচ তার কোন প্রতিকার হচ্ছে না। 
 
তিনি বলেন, দেশে চলছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাস, নৈরাজ্য চলছে। এ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। মানবাধিকারের ধার ধারে না। এ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। কাজেই জনগণের নিকট তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। এ সরকার গণতন্ত্র হত্যাকারী, ভোটাধিকার হরণকারী, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। এ সরকার দেশ ও জনগণের দুশমন। সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার কবর রচনা করে গণতন্ত্রের দাফন সম্পন্ন করেছে। এ সরকার দুর্নীতিবাজ ও জনগণের সম্পদ আত্মসাৎকারী। সরকার দেশের নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে যেমন ব্যর্থ, তেমনি চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নিরাপত্তা বিধানে। সরকারের ব্যর্থ ও নতজানু পররাষ্ট্র নীতির কারণে বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাককে হাতকড়া পড়া অবস্থায় মিয়ানমারে প্রায় ১০ দিন যাবৎ মানবেতর জীবন-যাপন করতে হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা মোটেই সন্তোষজনক নয়। এ ঘটনা বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য অপমানজনক। 
 
তিনি বলেন, সরকার তার জনপ্রিয়তা হারিয়ে জোর-জবরদস্তি করে ক্ষমতায় টিকে থাকার পথ অবলম্বন করেছে। সরকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে ও এ জেলে বন্দী করে রেখে দেশকে রাজনীতি শূন্য করার ষড়যন্ত্র করছে। সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রধান শিকার জামায়াত নেতৃবৃন্দ। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে জামায়াত নেতৃবৃন্দকে সরকার একেএকে হত্যা করছে। প্রশ্নবিদ্ধ বিতর্কিত বিচার প্রক্রিয়ায় মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সরকার শহীদ আবদুল কাদের মোল্লা ও শহীদ মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। সরকার মূলতঃ জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে নিয়োজিত। সরকারের অনুগত মিডিয়ার মাধ্যমে জামায়াত সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পরিবেশ ঘোলাটে করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের জনগণ সরকারের এ ঘৃণ্য অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন, জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না ইনশাআল্লাহ। 
তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে এবং মুক্তিকামী মানবতার মুক্তির জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছে। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেনঃ
وَ مَا لَکُمۡ لَا تُقَاتِلُوۡنَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ الۡمُسۡتَضۡعَفِیۡنَ مِنَ الرِّجَالِ وَ النِّسَآءِ وَ الۡوِلۡدَانِ الَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَاۤ اَخۡرِجۡنَا مِنۡ ہٰذِہِ الۡقَرۡیَۃِ الظَّالِمِ اَہۡلُہَا ۚ وَ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ وَلِیًّا ۚۙ وَّ اجۡعَلۡ لَّنَا مِنۡ لَّدُنۡکَ نَصِیۡرًا 
“তোমাদের কী হলো, তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী ও শিশুদের জন্য লড়বে না, যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে? তারা ফরিয়াদ করছে, হে আমাদের রব! এই জনপদ থেকে আমাদের বের করে নিয়ে যাও, যার অধিবাসীরা জালেম এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের কোন বন্ধু, অভিভাবক ও সাহায্যকারী তৈরী করে দাও।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত-৭৫)
তিনি রমজানের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে শিশাঢালা প্রাচীরের মত ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে সফল এবং এ জালেম স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান। 
 
ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদের পক্ষ থেকে তিনি ইফতার মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
 
ইফতারীর পূর্ব মুহূর্তে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বাংলাদেশসহ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাাণ কামনা করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। 
 
এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী জনাব এমকে আনোয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম খান, সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা জনাব আলতাফ হোসেন চৌধুরী, এলডিপির প্রেসিডেণ্ট ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম, জাগপার সভাপতি জনাব শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মো: ইব্রাহিম বীর প্রতীক, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ভাসানী ন্যাপের চেয়ারম্যান এড. মো: আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান জনাব জেবেল রহমান গণি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি জনাব এএইচএম কামরুজ্জামান, সাম্যবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জনাব সাঈদ আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের, জমিয়তে ওলামা ইসলামের নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহমান চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তফিজুর রহমান ইরান, শরশিনা দরবার শরিফের পীর সাহেব মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ, এনডিপির চেয়ারম্যান জনাব খন্দকার গোলাম মোস্তফা, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইফুদ্দিন আহমদ মনি, বাংলাদেশ পিপলস লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ওলামা-মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সভাপতি মাওলানা জয়নাল আবেদীন ও সেক্রেটারী মাওলানা ড. খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন কমিটির আমীর ও বি-বাড়িয়ার পীর সাহেব মাওলানা আজিজুর রহমান আজিজ, তৌহিদী জনতা পরিষদের মহাসচিব মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, তা’মীরুল কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ড. আবু ইউসুফ, গাউসিয়া দরবার শরিফের পীর সাহেব মুফতি মাওলানা ড. আবদুল কাইয়ুম আজহারী, বিএনপি মহিলা দলের সেক্রেটারী শিরিন আখতার, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সেক্রেটারী ড. আসাদুজ্জামান রিপন, জাতীয়তাবাদী যুব দলের সভাপতি এড. মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সহ-সভাপতি মো: ফজলুল হক ও মহাসচিব জনাব ইকবাল হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এটিএম ফজলুল হক, অধ্যাপক ড. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, ড. শামসুল আলম,  ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হক, সাবেক সচিব জনাব আতাউর রহমান, জনাব সোলায়মান চৌধুরী, জনাব আনম আখতার হোসেন, সাবেক যুগ্ম সচিব জনাব হাফিজুল ইসলাম মিয়া, মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. কোরবান আলী, অধ্যাপক ড. ওমর আলী, সাবেক বিচারপতি এফএম আলী আজগর, সাবেক বিচারপতি ফায়েজি, সুপ্রীম কোর্ট বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রীম কোর্ট বারের সভাপতি এড. খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রীম কোর্ট বারের সাবেক সেক্রেটারী এড. সাঈদুর রহমান, সুপ্রীম কোর্ট বারের সেক্রেটারী ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সুপ্রীম কোর্টের এড. শিশির মুহাম্মদ মনির, কবি আল মাহমুদ ও  আবদুল হাই শিকদার, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক জনাব আবুল আসাদ, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি জনাব রহুল আমীন গাজী, বিশিষ্ট কলামিষ্ট জনাব সাদেক খান, জনাব রেদওয়ান সিদ্দিকী, জনাব নূরুল আমীন, বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব মাহফুজ উল্লাহ, ড. অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের সভাপতি জনাব শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সাবেক সভাপতি জনাব আবদুশ শহীদ, ডিইউজের সেক্রেটারী জনাব জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আবদুল মজিদ খান ও ডা. ইদ্রিস আলী প্রমুখ। 
 
জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর  মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এড. নজরুল ইসলাম, এড. জসিম উদ্দিন সরকার, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সহকারী সেক্রেটারী জনাব মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগরী জামায়াতের আমীর এড. মোয়ায্যম হোসাইন হেলাল, এড. মশিউল আলম, ডা. রেদওয়ান উল্লাহ শাহেদী ও জনাব মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জনাব সেলিম উদ্দিন, জামায়াতের ফরিদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মো: দেলোয়ার হোসাইন, মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারী অধ্যাপক হারুন খান,  প্রমুখ।