২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
বাদশাহ আবদুল্লাহর ইন্তেকাল
২৪ জানুয়ারি ২০১৫, শনিবার,
সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদ্লু আজিজ শুক্রবার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সৌদি রাজপরিবারের একজন কর্মকর্তা টেলিভিশনে বাদশাহ আবদুল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ঘোষণায় বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১টায় তিনি মারা যান। আরব নিউজ ও এএফপি।
বাদশাহ আবদুল্লাহ কয়েক সপ্তাহ আগে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর পর থেকেই ফুসফুসে প্রদাহ নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগে তিনি কয়েকবার অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। এরই মধ্যে তার সৎভাই ৭৯ বছর বয়সী সালমানকে দেশটির নতুন বাদশাহ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি অবশ্য আবদুল্লাহর অসুস্থতার পর থেকেই প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছিলেন।
২০০৫ সালে বাদশাহ হিসেবে অধিষ্ঠিত হন আবদুল্লাহ। আবদুল্লাহ তার ভাই বাদশাহ ফাহাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। সৌদি আরবে বেশ কিছু সংস্কারের কৃতিত্ব রয়েছে বাদশাহ আবদুল্লাহর। এর মধ্যে নারীদের ভোটাধিকার অন্যতম। ১৯২৪ সালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের সুবিশাল এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল এ সউদ। তার বাবা আবদুল আজিজের ছিল ২২ জন স্ত্রী।
ফাহদা বিনতে আসি আল-সামমার ছিলেন আবদুল্লাহর মা। ফাহদার একমাত্র ছেলে আবদুল্লাহ। অবশ্য তার আরো দু’জন মেয়ে ছিল।  ১৯৬২ সালে তিনি আরব জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডার নিযুক্ত হন।
১৯৭৫ সালে বাদশাহ খালেদ দ্বিতীয় ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন আবদুল্লাহকে। সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য ১৯৮২ সালে বাদশাহ ফাহাদ তাকে উপপ্রধানমন্ত্রী ও যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ দেন। ২০০৫ সালের ১ আগস্ট ভাই বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর পর তিনি বাদশাহ হন।
ওবামার প্রশংসা : মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা একজন সাহসী নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হিসেবে সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সৌদি আরবের এ নেতা মতায় থাকাকালে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখার েেত্র অনেক অবদান রেখেছেন।
রয়াল কোর্ট বাদশাহর মৃত্যু সংবাদ ঘোষণা করার পরপরই ওবামা এক লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, ‘একজন নেতা হিসেবে তিনি সর্বদা আন্তরিক এবং তার বিশ্বাসকে তুলে ধরতে তিনি অত্যন্ত সাহসী ছিলেন।’
ওবামা বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এক সাথে কাজ করার েেত্র আমি সর্বদা বাদশার চিন্তাচেতনাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি এবং আমাদের প্রকৃত ও বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে তিনি প্রশংসার পাত্র ছিলেন।’ ওবামা যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের সম্পর্কের গুরুত্বের েেত্র আবদুল্লাহর দৃঢ়তা ও আবেগোদ্দীপ্ত বিশ্বাসের প্রশংসা করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ একজন ‘প্রিয় বন্ধু ও অংশীদারের’ প্রশংসা করেন। একজন ‘বিচণ ও নির্ভরযোগ্য মিত্র’ হিসেবে তিনি তাকে তুলে ধরেন।
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=MTAzODY4&sec=1#sthash.O3nZELzY.dpuf