১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মুজাহিদের আপিলে সময়ের আবেদন গ্রহণ
১৫ জানুয়ারি ২০১৫, বৃহস্পতিবার,
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আপিল শুনানি হয়নি। এ জন্য ডিফেন্স পক্ষের সময় চেয়ে করা আবেদন গ্রহণ করে আদালত ‘নট টুডে’ করেছেন।
আদালতে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের পক্ষে সময় আবেদন করেন এডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন। তিনি বলেন, সিনিয়র কাউন্সিল খন্দকার মাহবুব হোসেন ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে আসতে পারেননি। তাই আমাদের সময়ের প্রয়োজন। আদালত তা মঞ্জুর করে ‘নট টুডে’ আদেশ দেন। মামলার শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য হয়নি। তবে আগের দিন মঙ্গলবার ক্রিমিনাল আপিল (এ), ১০৩/২০১৩, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বনাম দি চীফ প্রসিকিউটর, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা, বাংলাদেশ হিসেবে শুনানির জন্য স্ুিপ্রম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসে।
গতকাল বুধবার আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ডিফেন্সপক্ষে আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির জানিয়েছেন নতুন করে মামলাটি আপিল বিভাগের কার্য তালিকায় এলে শুনানি হবে।
২০১৩ সালের ১১ আগস্ট ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদন্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। মোট ৯৫ পৃষ্ঠার ১১৫ টি গ্রাউন্ডে আপিল আবেদন করা হয়। মূল আবেদনের সঙ্গে ৩ হাজার ৮শ’ পৃষ্ঠার নথিপত্র সংযুক্ত রয়েছে। এডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদিন তুহিন এ আপিল দাখিল করেন।
এর আগে গত বছরের ১৭ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করে। তার বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম, তৃতীয়, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম অভিযোগে তাকে মৃত্যুদন্ডের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। দ্বিতীয় ও চতুর্থ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতি দেয়া হয় তাকে। ২০১০ সালের ২৯ জুন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার একটি মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়। ২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরপর ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=172333