২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মুজাহিদের আপিলের শুনানি ১৪ জানুয়ারি
৪ ডিসেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার,
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আপিল শুনানির জন্য আগামী বছরের ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন। বেঞ্চের অপর চার বিচারপতি হলেন-বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা), বিচারপতি আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।
এর আগে আদালতে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ফেব্রুয়ারিতে আপিল শুনানি শুরুর জন্য আবেদন করেন। তবে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ডিসেম্বর মাসেই আপিল শুনানির জন্য আদালতের কাছে আর্জি জানান। পরে আদালত দু’ পক্ষের শুনানি শেষে ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
এ সময় মুজাহিদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এডভোকেট তাজুল ইসলাম, এডভোকেট মুহাম্মদ শিশির মনির ও এডভোকেট আসাদ উদ্দিন।
গত মঙ্গলবার মামলাটি আপিল শুনানির দিন নির্ধারণের জন্য কার্যতালিকায় আসে।
২০১৩ সালের ১১ আগস্ট ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদন্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ। মোট ৯৫ পৃষ্ঠার ১১৫ টি গ্রাউন্ডে আপিল আবেদন করা হয়। মূল আবেদনের সঙ্গে ৩ হাজার ৮শ পৃষ্ঠার নথিপত্র সংযুক্ত রয়েছে। এডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদিন তুহিন এ আপিল দাখিল করেন।
এর আগে গত বছরের ১৭ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে মৃত্যুদ- প্রদান করে। তার বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম, তৃতীয়, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম অভিযোগে তাকে মৃত্যুদন্ডের রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল। দ্বিতীয় ও চতুর্থ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অব্যাহতি দেয়া হয় তাকে। ২০১০ সালের ২৯ জুন আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার একটি মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক দেখানো হয়। ২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরপর ২০১২ সালের ২৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=166878