২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা সুবহানের মামলায় ডিফেন্স পক্ষের ল’পয়েন্টে যুক্তি উপস্থাপন শেষ
১ ডিসেম্বর ২০১৪, সোমবার,
একাত্তরের কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমর মাওলানা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে আনত অভিযোগের ওপর ডিফেন্স পক্ষের ল’পয়েন্টের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়েছে। গতকাল রোববার ট্রাইব্যুনাল-২ এ ল’পয়েন্টে যু্িক্ত উপস্থাপন করেন আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। আজ সোমবার প্রসিকিউশনের পাল্টা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-২।
গতকাল ডিফেন্স পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আইনজীবী বলেন, মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে পাক আর্মির ওপর নিয়ন্ত্রণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার পক্ষে কোন যুক্তিই প্রসিকিউশন দেখাতে পারেননি। কাজেই ইফেকটিভ কন্ট্রোলের যে কথা বলা হচ্ছে তার ভিত্তি নেই।
আইনজীবী বলেন, রাজাকার বা আল বদর বাহিনীর ওপরও  মাওলানা সুবহানের যে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা  হয়েছে তার পক্ষেও তারা  কার্যকর কোন যুক্তি দেখাতে পারেননি। কাজেই রাজাকার বাহিনী যে অপরাধ করেছে তার দায় মাওলানা সুবহানের ওপর বর্তাবে না। পাক আর্মি রাজাকার বা বিহারীদের ওপর একক কর্তৃত্ব বা আধিপত্য বা নিয়ন্ত্রণের এই অভিযোগ সত্য নয়। এসব অভিযোগ থেকে তিনি অবশ্যই খালাস পাবেন।
এছাড়া নেতৃত্বের জন্যও মাওলানা সুবহানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এর পক্ষেও কোন যুক্তি প্রসিকিউশন দাঁড়  করাতে পারেননি। মাওলানা সুবহান কাউকে অপরাধ করতে প্রভাবিত করতে এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগও প্রসিকিউশন দেখাতে পারেননি।  উল্লেখ্য, মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে ৩০ জন সাক্ষির সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, আটক, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ ৯টি সুনির্দিষ্ট ঘটনার ভিত্তিতে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০১২ সালের ২০  সেপ্টেম্বর সুবহানকে  গ্রেফতার করা হয়। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৯টি ঘটনায় তার বিরুদ্ধে  অভিযোগ গঠন করা হয়।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=166459