১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ
১৮ নভেম্বর ২০১৪, মঙ্গলবার,
জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আবদুস সুবহানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়েছে। গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম মামলার আইনগত বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন।
 
রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে মাওলানা সুবহানের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। পরে আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তি উপস্থাপন মুলতবি করা হয়েছে।
 
যুক্তি উপস্থাপনকালে মিজানুল ইসলাম বলেন, মাওলানা সুবহান শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন না। রাষ্ট্রপক্ষের ডকুমেন্ট থেকে প্রমাণিত হয় পিস কমিটি গঠনের সময় তিনি অন্য স্থানে ছিলেন। তিনি বলেন, মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে ’৭১ সালে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।
 
তিনি বলেন, পাবনা জেলার আলবদর ও রাজাকারের প্রধান অন্য ব্যক্তি ছিলেন। অথচ রাষ্ট্রপক্ষ তাকে রাজাকার ও আলবদর প্রধান বলেছে। এ সময় মিজানুল ইসলাম ’৭১ সালে পাবনার রাজাকার ও আলবদর প্রধানদের নাম-ঠিকানাসহ এ সম্পর্কিত ডকুমেন্ট ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেন।
 
মিজানুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের ডকুমেন্ট অনুযায়ী পিস কমিটি গঠনের সময় মাওলানা সুবহান ঈশ্বরদী ও কুচিয়ামোড়ার ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন। দু’টি ঘটনার সময়ের ব্যাপারে বলা হয়েছে, একটি দুপুরের পরে, আরেকটি ঘটনা আসরের আগে ঘটেছে। দুপুরের পরে আর আসরের আগে বললে তো একই সময় বলা যায়। ১৭ কিলোমিটার দূরত্বের দুই জায়গায় ’৭১ সালে প্রায় একই সময় একজন ব্যক্তির পক্ষে উপস্থিত থাকা সম্ভব নয়।
 
যুক্তি উপস্থাপনকালে মাওলানা সুবহানকে ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় আনা হয়। এ সময় তার দুই ছেলে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তার পক্ষে আইনজীবী মিজানুল ইসলাম ছাড়াও ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক, এস এম শাহজাহান, রায়হানুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার পালোয়ান উপস্থিত ছিলেন।
 
- See more at: http://www.dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=ODY4Mjg=&sec=16#sthash.kxN5T28l.dpuf