২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের ২৮ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য আজ
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার,
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২৮ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গতকাল বুধবার হয়নি। ট্রাইব্যুনালে গতকাল  প্রসিকিউশন পক্ষ সাক্ষী আনতে না পারায় এই সাক্ষীর জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য আজ বৃহস্পতবিার পুনরায় দিন ধার্য করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই তারিখ ধার্য করেন।
অবশ্য গত মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রসিকিউশনের ২৭ তম (জব্দ তালিকার সাক্ষী) আনিসুর রহমান জবানবন্দী দেন। জবানবন্দীতে তিনি জানান, মাওলানা সুবহানের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর হোসেন তদন্তের প্রয়োজনে বেশ কয়েকবার তদন্ত সংস্থার লাইব্রেরিতে যান। এসময় তিনি বিভিন্ন ডকুমেন্ট জব্দও করেন। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও রিজিয়া সুলতানা চমন সাক্ষীকে জবানবন্দী গ্রহণে সহায়তা করেন। জবানবন্দী গ্রহণ শেষ হলে তাকে জেরা করেন মাওলানা সুবহানের আইনজীবী এডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও আবদুস সাত্তার।  সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মাওলানা সুবহানকে আসামীর কাঠগড়ায় হাজির করা হয়।
গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর মাওলানা সুবহানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর সুবহানের বিরুদ্ধে ৮৬ পৃষ্ঠার ওই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে জমা দেন প্রসিকিউশন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগে জামায়াতের এ নেতার বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ষড়যন্ত্রসহ ৮ ধরনের ৯টি মানবতাবিরোধী অপরাধের কথা উল্লেখ রয়েছে।
২০১৩ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে সুবহানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে  গত ১২ সেপ্টেম্বর তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন তদন্ত সংস্থা। তদন্তের স্বার্থে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর সেফহোমে নিয়ে সুবহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্ত সংস্থা। ৯ টি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৪৩ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে সুবহানের বিরুদ্ধে। ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত থেকে সুবহানকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=156491