১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
চলতি বিষয়াবলি
মোদির নেতৃত্বে অভিজ্ঞ মন্ত্রীরা ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা: বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অ-কংগ্রেসী সরকারই ইতিবাচক প্রমাণিত
২৯ মে ২০১৪, বৃহস্পতিবার,

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অ-কংগ্রেসী সরকারই ইতিবাচক প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের নবগঠিত বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে অভিজ্ঞ মন্ত্রীরা ন্যয় ও সমতার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এখানকার দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল। সংশ্লিষ্টরা অভিমত প্রকাশ করেন, ভারতে নতুন সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শুধু জোরদার নয়, তা হবে সৎ প্রতিবেশীসুলভ, ন্যয়ভিত্তিক ও আইনসম্মত।
নয়া সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সুষমা স্বরাজ। অপর অভিজ্ঞ নেত্রী উমা ভারতীকে দেয়া হয়েছে পানিসম্পদ, নদী উন্নয়ন ও গঙ্গা অভিযান মন্ত্রক। এই দু’জনই প্রধানত বাংলাদেশের সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ পরিচালনা করবেন। এদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ন্যায়, যৌক্তিক ও আইনসম্মতভাবে গড়ে উঠবে বলে বাংলাদেশের মানুষ আশা করে। পারস্পরিক দেয়া-নেয়ার উপরেই সম্পর্ক যুক্তিসম্মত হয়। কংগ্রেসী সরকার মূলত নেয়ার উপরেই একতরফা কূটনীতি চালাতে চেয়েছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে তাদের আজ্ঞাবহ সরকার কায়েম রাখার স্বার্থে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও অনৈতিক কৌশলকে সমর্থন ও শক্তি যুগিয়েছে বলে অভিযোগ আছে। এবার সেই পরিস্থিতির অবসান ঘটবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশের দিক থেকে প্রধানত নদী-সংকট, সীমান্ত সমস্যা ও বাণিজ্য নীতি প্রাধান্য পাবার কথা। এসব বিষয় আলোচনায় আসবে অবশ্যই। নতুন সরকারের নীতি-পলিসি প্রতিবেশীদের জন্য ভাল হবে- এটাই আশা করা হচ্ছে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও যৌক্তিক সহাবস্থানে অতীতের অ-কংগ্রেসী সরকারগুলোর আমলে যতোটা ইতিবাচক দেখা গেছে, কংগ্রেসীদের আমলে বিপরীত তথা যুদ্ধংদেহী অবস্থান সকলকেই অস্বস্তিতে রেখেছিল।
নরেন্দ্র মোদির নয়া মন্ত্রীসভা গত ২৬ মে রাষ্ট্রপতি ভবনের আঙ্গিনায় এক ব্যতিক্রমী ও চমক সৃষ্টিকারী আয়োজনের মধ্যদিয়ে প্রায় চার হাজার অতিথির উপস্থিতিতে শপথ নেয়। বিজয়ী দল বিজেপি ও পরাজিত দল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন শপথ অনুষ্ঠানে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসে, আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই যোগ দিয়েছেন শপথ অনুষ্ঠানে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান সফরে থাকায় এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মরিশাসের ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী নবীন রামগোলামও। সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী এবং সহসভাপতি রাহুল গান্ধী এবং ক্রিকেট ও চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গনের তারকারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর এতজন নেতা দিল্লিতে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে- এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন বলছেন পর্যবেক্ষকরা। এতো অল্প সময়ের মধ্যেও সার্কের সবগুলো দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীরাই মোদির আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন কিংবা পাঠিয়েছেন তার প্রতিনিধিকে। এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই নরেন্দ্র মোদি তার বক্তব্যে বলেন, ‘আসুন আমরা বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নকে সামনে রেখে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাওয়ার মতো একটি শক্তিশালী, উন্নত এবং পূর্ণাঙ্গ দেশ হিসেবে ভারতকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখি।’ তিনি বিশ্বব্যাপী জনগণের সাথে যোগাযোগের জন্য প্রযুক্তি এবং সামাজিক মাধ্যমের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বানও জানান।
অ-কংগ্রেসী সরকারের আমল
ভারতে ৯ দফায় অ-কংগ্রেসী সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছেন ৮ জন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে জনতা পার্টির মোরারজি দেশাই প্রথম ১৯৭৭-৭৯ সালে দু’বছরের বেশী সময় প্রথম অ-কংগ্রেসী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর ১৯৭৯ সালে ১৭০ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন জনতা পার্টি  (সেকুলার) নেতা সরদার চরণ সিং। জনতা দলের বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং (ভিপি সিং) প্রধানমন্ত্রী হন ১৯৮৯-৯০ সালের প্রায় এক বছরের জন্য। ১৯৯০-৯১ সালের ২২৩ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন সমাজবাদী জনতা পার্টির শ্রী চন্দ্রশেখর। ১৯৯৬ সালের মে মাসে মাত্র ১৬ দিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন বিজেপি নেতা অটল বিহরী বাজপেয়ী। ১৯৯৬-৯৭ সালে প্রায় এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন জনতা দলের এইচ.ডি. দেবগৌড়া। ১৯৯৭-৯৮ সালে প্রায় এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন জনতা দলেরই আই.কে গুজরাল। এ পর্যন্ত সরকারগুলো খুবই স্বল্প মেয়াদী হলেও ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছরেরও বেশী সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)’র অটল বিহারী বাজপেয়ী। এর ফলে তিনি দু’দফা প্রধানমন্ত্রী হবার সুযোগ পান। সর্বশেষ এবছর ২৬ মে একই দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন হলে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন নরেন্দ্র মোদি। এই অ-কংগ্রেসী সরকারগুলোর আমলে ভারতের প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুস্থ ও স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় থাকতে দেখা যায়। বিশেষ করে মোরারজি দেশাই, আই.কে গুজরাল, এইচ.ডি দেবগৌড়া ও অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রমুখের মেয়াদকাল ছিল উল্লেখযোগ্য। মোরারজি দেশাই ও বাজপেয়ী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটান। ফলে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস পায়। ইন্দিরা গান্ধী পারমাণবিক বোমা তৈরির ফলে পাকিস্তানের সাথে যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, দেশাই তা প্রশমিত করতে ভারত আগে পারমাণবিক বোমা ব্যবহার না করার ঘোষণা দেন। তিনি ১৯৬২ সালে চীনের সাথে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষত দূর করতেও উদ্যোগী হন এবং এতে বেশ সাফল্য অর্জনও করেন। আই.কে গুজরালের বিখ্যাত ‘গুজরাল ডকট্রিন’-এর মূল স্পিরিট ছিল নিকট প্রতিবেশীদের সাথে বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে তোলা, তাদের অখ-তা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বিরোধীয় বিষয়গুলো শান্তিপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে মিমাংসা করা। এইচ.ডি দেবগৌড়া তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বের আমলে বাংলাদেশের সাথে গঙ্গার যে পানিচুক্তি স্বাক্ষর করেন তা ছিল অনেক উন্নত। আর প্রধানমন্ত্রী দেশাই-এর আমলে জিয়াউর রহমনের সময়ে যে পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তা এযাবতকালের শ্রেষ্ঠ পানি চুক্তি।
বঞ্চিতই থেকে গেছে বাংলাদেশ
বিগত কংগ্রেসের সরকারগুলোর আমলে বাংলাদেশের কপালে বঞ্চনাই কেবল জুটেছে। বাংলাদেশের সাথে সর্বসাম্প্রতিক ইস্যুগুলোর অন্যতম তিস্তার পানি নিয়ে আজো কোনো চুক্তি করেনি ভারত। গত ২০১২ সালের ১০ মে ভারত সরকারের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র বিবিসিকে জানায়, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা নদীর পানিবণ্টনের প্রস্তাবিত চুক্তি ‘আপাতত’ হচ্ছে না বলে জানা যাচ্ছে। এই খবর বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনিকে ভারত সরকারের তরফে জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তিস্তা নিয়ে ভারতের ‘আপাতত’ সময়ের মেয়াদ আজো শেষ হয়নি। তিস্তা চুক্তিও হয়নি। তবে ভারত তার ট্রানজিটের আড়ালে করিডোর সুবিধা ঠিকই আদায় করে নিচ্ছে। ভারত একাধারে আন্তর্জাতিক নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, মহানন্দা প্রভৃতিসহ প্রায় সকল নদীর উপরে বহুসংখ্যক পানি-বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব প্রকল্পের জন্য বিশাল বিশাল বাঁধ ও জলাধার নির্মাণ করা হচ্ছে পানি সংক্ষণের জন্য। এর ফলে এসব নদীর পানি ভারতের অভ্যন্তরেই থেকে যাচ্ছে। আর বাংলাদেশ হচ্ছে মারাত্মকভাবে পানি বঞ্চিত। এদিকে, সীমান্তে বাংলাদেশীদের লাশের মিছিলও থামছেনা। সীমান্তে হত্যাকা- বন্ধে ভারতের দেয়া ওয়াদার কোনো কার্যকারিতা নেই। কোনোই কাজে আসছে না বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ের পতাকা বৈঠক। সীমান্তের  জীবন হয়ে উঠেছে ভীতিকর। সীমান্তে বাংলাদেশীদের গুলী করে হত্যা করেই ক্ষান্ত হচ্ছেনা বিএসএফ। তারা বাংলাদেশীদের অপহরণ ও নির্যাতনও করে। শুধু সাধারণ ব্যবসায়ী বা কৃষকই নয়, বিএসএফ’র হাতে জাতীয় সংসদের সদস্য, জেলা প্রশাসকও আটক, লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। পর্যবেক্ষকদের অভিমত, ভারতের সাথে বাংলাদেশ ছাড়াও আরো ৫টি সীমান্ত রয়েছে। কিন্তু শুধু বাংলাদেশ সীমান্তেই হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে বিএসএফ। ভারতের সবচেয়ে বৈরী প্রতিবেশী পাকিস্তান সীমান্তে গত এক যুগেও কোনো বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। অপরদিকে, বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যে প্রতি বছরই ঘাটতি বেড়ে চলেছে বলে জানা গেছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল প্রায় ৩০০ কোটি ডলার। ২০১০-২০১১ সালে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক বৈষম্য এ যাবতকালের সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০১০-২০১১ সালে বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করে ৪৫৭ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্যসামগ্রী। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ সেদেশে রপ্তানি করে মাত্র ৫০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য। আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যের সাথে চোরাই পথে আসা পণ্যের হিসাব করলে ঘাটতির পরিমাণ আরো অনেক বেড়ে যাবে। কয়েক বছর আগে বিশ্বব্যাংকের দেয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ভারত থেকে আসা ৮৩ শতাংশ পণ্য আসে চোরাই পথে। এর পরিমাণ ৬৩১ মিলিয়ন ডলার। সুতরাং গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান থেকে এটা সহজেই অনুমেয় বাংলাদেশ ভারতের বাণিজ্য সম্পর্ক কতটা বৈষম্যমূলক। মূলত ভারতের রক্ষণশীল বাণিজ্য নীতির কারণেই ঘাটতির পরিমাণ বাড়ছে। সাফটা চুক্তিতে বেশ কিছু পণ্যের ব্যাপারে শুল্ক  হ্রাসের কথা বলা হলেও ভারত তা কার্যকর করছেনা। ভারত বাংলাদেশকে যে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ দিয়েছিল তাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে। ভারত বাংলাদেশকে নেপালে প্রবেশের রাস্তা দেবার কথা বলে আসছে। কিন্তু কথার সাথে কাজের মিল আজো হয়নি। নেপাল এবং বাংলাদেশ-এ দুটো দেশের বাণিজ্যের একটা ভালো সম্ভাবনা ছিল। নেপাল মংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায়। এর জন্য নেপাল এবং বাংলাদেশের মাঝখানে যে ৩০/৩৫ কি.মি রাস্তা আছে- সেটি করিডোর হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছে ভারতের কাছে। ভারত তাতে বহুদিন আপত্তি করেছে। কিন্তু এখন আপত্তির কথা প্রকাশ না করলেও বাস্তবে এই রাস্তা ব্যবহার করতে পারছেনা বাংলাদেশ। কারণ রাস্তাটা এতোটাই খারাপ যে তা যানবহন চলার অনুপোযোগী। ভারত যদি রাস্তাটা ঠিক না করে তাহলে এর কোন কার্যকারিতা নেই। কিন্তু এব্যাপারে বাস্তবে কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। বলা হয়েছে, ভারতে বাংলাদেশের পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশধিকার পাবে। ভুটান, নেপাল ও ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে। বিনিময়ে ভুটান ও নেপাল এই বন্দর দু’টো ব্যবহারের জন্য স্থলপথে ভারতের ট্রানজিট পাবে। কিন্তু এসব কেতাবেই থেকে গেছে। বাস্তবের মুখ দেখেনি।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=147554