১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা ইউসুফের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য রোববার
২৩ জানুয়ারি ২০১৪, বৃহস্পতিবার,
একাত্তরে সংঘটিত কথিত মানবতাবিরেরাধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের শেষ সাক্ষী তথা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৬ জানুয়ারি  রোববার দিন ধার্য করা হয়েছে। গতকাল বুধবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করেন।
গতকাল এ মামলায় প্রসিকউশনের তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দী গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে প্রসিকিউশনের অন্য এক সাক্ষী প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি’র) ক্যাটালগার রবিউল আনাম খান (৫৬) গতকাল ট্রাইব্যুনালে তার জবানবিন্দ পেশ করেন। তাকে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর মোঃ জাহিদ ইমাম। সাক্ষী রবিউল আনাম খান ছিলেন সিজার লিস্টের দ্বিতীয় এবং প্রসিকিউশনের ২৫তম সাক্ষী। জবানবন্দী দেয়ার পর তাকে জেরা করেন মাওলানা ইউসুফের আইনজীবী গাজী এমএইচ তামিম।
জবানবন্দীতে সিজার লিস্টের এই সাক্ষী বলেন, আমি রবিউল আনাম খান, বর্তমানে পিআইবির ক্যাটালগার হিসেবে কাজ করছি। আমার প্রতিষ্ঠানের গত ২০০০ সালের ডিসেম্বর মাসের ‘দৈনিক জনকণ্ঠ’ এবং ২০০৮ সালের  ‘দৈনিক সমকাল’ পত্রিকা দুটির কপি জব্দ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আজ আমি ওই দুই পত্রিকার জব্দ তালিকা উপস্থাপন করেছি।
সাক্ষী আরো বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম হলো ‘৭১ এ রাজাকারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন একেএম ইউসুফ’। তার নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়।
জবানবন্দী পেশ করার পরে আইনজীবী গাজী এইচএম তামিম জেরা করেন। জেরা শেষে মামলার কার্যক্রম আগামী রোববার ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ইউসুফের বিরুদ্ধে আরও ২৪ সাক্ষী তাদের জবানবন্দী পেশ করেছেন। পরে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরাও শেষ করেন। গত বছর ১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অভিযোগ এনে মাওলানা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২।
জামায়াতের এই নেতাকে হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ ৪ ধরনের ১৩টি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যার পাঁচটি, গণহত্যার সাতটি এবং অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের একটি অভিযোগ রয়েছে। ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবীরা বরাবরই এসব আনীত অভিযোগ মিথ্যা অসত্য ও বানোয়াট বলে তাদের বক্তব্য-যুক্তি ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছেন।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=136961