২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে স্ববিরোধী অভিযোগই প্রমাণ করেছে যে তিনি নির্দোষ: ন্যায়বিচারের স্বার্থে সসম্মানে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন তাজুলের
২৪ মার্চ ২০১৪, সোমবার,
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের কথিত অভিযোগে আটক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক মন্ত্রী বিশ্ব বরেণ্য ইসলামী ব্যক্তিত্ব মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মামলায় দ্বিতীয় দফা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সপ্তম  দিনে গতকাল রোববার আসামীপক্ষের অভিযোগ খ-ন শেষ হয়েছে। গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে অপর দুই সদস্যের মধ্যে বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ যুক্তিতর্ক পেশ করেন মাওলানা নিজামীর আইনজীবী এডভোকেট তাজুল ইসলাম। সকাল-বিকাল দুই বেলা মোট সাড়ে তিন ঘণ্টা তার আর্গুমেন্ট পেশ করার মাধ্যমে শেষ হয় আসামীপক্ষের যুক্তি খ-ন। পরে সরকার পক্ষে  প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী কতিপয় ল, পয়েন্টে জবাব দেয়ার পর আজ সোমবার বেলা ২ টা পর্যন্তু শুনানি মুলতবি করা হয়। ইতঃপূর্বে এডভোকেট মিজানুল ইসলাম তিন দিনে ৫ সেশনে মাওলানা নিজামীর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। গতকাল এডভোকেট তাজুল ১১,১২,১৩ ও ১৪নং চার্জ এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটির উপর যুক্তি উপস্থাপন করবেন। তিনি বলেন, গণহত্যায় উস্কানি দেয়ার মতো কোনো প্রমাণ প্রসিকিউশন দিতে পারেনি। তারা দ্বৈত অবস্থান নিয়েছেন। একদিকে বলেছেন, পাবনার গ্রামে-গঞ্জে অপরাধ করেছেন একজন সাধারণ রাজাকার হিসেবে আবার অন্যদিকে বলেছেন যে,আল বদরের উপর সুপ্রিম কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ছিল তার। তারা যেসব বই, পত্র-পত্রিকা ও অন্যান্য ডকুমেন্ট দিয়েছেন তাতেই আছে পাকিস্তানী সেনা কমান্ডাররা বলেছেন, আল বদর গঠন করেছেন সেনা বাহিনী। স্ববিরোধী, ভুল, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার রাজনৈতিক কেরিয়ার নষ্ট করার জন্য  অভিযোগ আনা হয়েছে। কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি তারা। প্রতিটি অভিযোগ তারা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনি সসম্মানে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন জানান।
চূড়ান্ত আর্গুমেন্ট উপলক্ষে গতকাল রোববারও পূর্বের মত গাজীপুরস্থ কাশিমপুর-১ কারাগারে আটক মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে কড়া পুলিশ প্রহরায় নিয়ে আসা হয় পুরাতন হাইকোর্ট ভবনস্থ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায়। তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনকালে তিনি ট্রাইব্যুনাল-১ এর কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। গতকাল আসামীপক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, নাজিব মোমেন, মতিউর রহমান আকন্দ, আসাদ উদ্দিন, হাসানুল বান্না সোহাগ,আমিনুল ইসলাম বাপ্পি প্রমুখ। অপরদিকে সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী, আলতাফ উদ্দিন, মীর ইকবাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
তাজুল ইসলাম সরকার পক্ষ প্রদর্শিত ১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়,“ কোনো শক্তিই পাকিস্তানকে নিশ্চিহ্ন করতে পারবে না। পাকিস্তান টিকে থাকলেই মুসলমানরা টিকে থাকবে। পাকিস্তান আল্লাহর ঘর।” এই বক্তব্যে কোন গণহত্যায় বা অপরাধে উস্কানি দেননি। ১১ থেকে ১৪ নং এই ৪টি চার্জের মূল বক্তব্য হলো আসামী বক্তৃতার মাধ্যমে উস্কানি দিয়েছেন। প্রসিকিউটররা নিজেরাই জানেন না যে তারা আসামীকে কি হিসেবে প্রমাণ করতে চান। তাদের অবস্থান দ্বৈত। তারা একবার আল বদরের সুপ্রিম কমান্ডার বলছে, আরেক জায়গায় বলছে, পাবনায় সাধারণ একজন রাজাকার হিসেবে অপরাধ করেছেন, লুঙ্গি পরে, সেনাবাহিনীর সাথে অপরাধ করেছেন। তাদের এহেন দ্বৈত অবস্থানই এই মামলাকে দুর্বল করেছে।
তিনি বলেন,একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায় বইয়ের ১১৩ পৃষ্ঠাতে শাহরিয়ার কবির মাওলানা নিজামীকে বলেছেন, আল বদর প্রধান। ’৭১-এর দশমাস বইতে আসামীকে ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রধান বলা হয়েছে। পাবনা কেন্দ্রিক সাক্ষীদের সাক্ষ্য মতে নিজামীকে একজন অতি সাধারণ রাজাকার বলা হয়েছে। পাবনার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে রাজাকারীই করেছেন তিনি। তাকে মুক্তিযোদ্ধারা ধরে নৌকায় নিয়ে আটক করে রাখে এবং ৭ দিন পরে ছেড়ে দেয়। তাদের মৌখিক সাক্ষ্য এবং তাদেরই ডকুমেন্টে রয়েছে এই বৈপরিত্য । এতে প্রমাণ করে যে মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারাই এই মামলাটিকে ধ্বংস করেছে।
তিনি বলেন,তারা পাবনার ঘটনাগুলো প্রমাণ করতে পারবে না মনে করে পরবর্তীতে কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ এনেছে। এমনকি ১৬নং চার্জ এনেছে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ে দায়ী করে। অথচ তদন্ত কর্মকর্তা নিজেই বলেছেন, তিনি কমান্ড রেসপনসিবিলিটির তদন্ত করেনি। মাওলানা নিজামীকে ঝুলাতে হবে এই ইনটেনশন থেকে একেকবার একেক জন একেক বুদ্ধি দিয়েছেন। সেভাবেই বার বার নানা অভিযোগ আনা হয়েছে। শাহরিয়ার কবির  লিখিত “বাংলাদেশে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা” বইয়ে বলা হয়েছে আল বদরের নৃশংসতা শুরু হয়েছে ১৫ নবেম্বর থেকে। তারাই বলছে ছাত্র সংঘের প্রধানই আল বদরের প্রধান। তাহলে তাদের ডকুমেন্টই প্রমাণ করে যে ১৫ নবেম্বর আসামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন না। কারণ তাদের দাখিলী ডকুমেন্টই আছে মতিউর রহমান নিজামী ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন। এতে স্পষ্ট নবেম্বর-ডিসেম্বরের কোন ঘটনার দায়ভার তার ওপর আসে না। ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতিই যে আল বদর প্রধান সেটাও সত্য নয়। তদন্ত কর্মকর্তা একটি পত্রিকার ছবির রেফারেন্স দিয়েছেন। তার ক্যাপশনে আল বদর প্রধান হিসেবে নিজামী নয় অন্য ব্যক্তির নাম আছে।
১৯৭১ সালের ঘটনাবলীতে কোন সিভিলিয়ানের কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ছিল না। তদন্ত কর্মকর্তা জেরায় বলেছেন, মতিউর রহমান নিজামী ১৯৭১ সালের পুরো সময়ই একজন বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি কোনো বাহিনীর প্রধান ছিলেন না। আইনেই বলা হয়েছে কোন কমান্ডার বা সুপিরিয়র অফিসার হতে পারে কমান্ডার। একজন সিভিলিয়ান কোন বাহিনীর প্রধান হতে পারে না। এটা তাদের ডকুমেন্ট থেকেই প্রমাণ হয়।
শাহরিয়ার কবির যে পত্রিকার রেফারেন্স দিয়ে বই লিখেছেন সেই পত্রিকায় নিজামীকে আল বদর প্রধান বলা হয়নি। আল বদর কথাটি তিনি নিজের থেকে লিখেছেন। আর বইটি লেখা ১৯৭১ সালের অনেক পরে।
এডভোকেট তাজুল বলেন,জনকণ্ঠের রিপোর্টে আবু সাইয়িদ সাহেবের বরাত দিয়ে ২০০৭ সালে বলা হয়েছে যে মতিউর রহমান নিজামী আল বদর প্রধান ছিলেন। আর আবু সাইয়িদ সাহেব নিজামীর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। সাইয়িদ সাহেব যে পত্রিকার রেফারেন্স দিয়েছেন তাতে নিজামীকে আল বদর প্রধান নয় ছাত্র সংঘের প্রধান বলা হয়েছে। দি ভ্যান গার্ড অব ইসলামিক রিভলুশন বইয়ে নিজামীর সাক্ষাৎকারের রেফারেন্স দিয়ে অভিযোগে বলা হয়েছে আল বদর প্রধান ছিলেন নিজামী। কিন্তু তাতে কোথায় নেই যে নিজামী সাহেব আল বদর প্রধান ছিলেন। সেকটারিয়ানিজন এন্ড ইসলামিক রিভলুশন বইয়ে বলা হয়েছে নিজামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক ছাত্র থাকাকালে আল বদর বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু কোন একটি প্রমাণও নেই যে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন আবাসিক হলে থাকতেন। ভুল রেফারেন্সের বই দিয়ে কোন ব্যক্তির পানিশমেন্ট হতে পারে না। এত বড় বাহিনী প্রধান বলা হলো অথচ কোন ডকুমেন্টে তা নেই।
তিনি বলেন,আল বদরের কয়েকটি আইডি কার্ড প্রদর্শনী করা হয়েছে। নিজামী আল বদর প্রধান হলে কার্ড ইস্যু কর্তৃপক্ষ হিসেবে তার স্বাক্ষর থাকার কথা ছিল। কিন্তু দেখা যায়, সব আইডি কার্ডে ক্যাপ্টেন, মেজর পদ মর্যাদার সামরিক বাহিনীর অফিসারদের স্বাক্ষর রয়েছে। এতে প্রমাণ হয় আল বদর ছিল সম্পূর্ণই সামরিক বাহিনী দ্বারা পরিচালিত বাহিনী। ২৫ নং সাক্ষী বলেছেন, যে আল বদরের কার্ডগুলো পাকিস্তান আর্মি অফিসাররা দিতেন।
প্রসিকিউশনই সফলভাবে প্রমাণ করেছেন যে মতিউর রহমান নিজামী আল বদর বাহিনী প্রধান ছিলেন না। তাদের ডকুমেন্টই আছে মেজর রিয়াজ হোসেন মালিক জামালপুরে আল বদর গঠন করেন। তাহলে কি করে তারা বলেন, নিজামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আল বদর প্রতিষ্ঠা করেন। আবার তাদের ডকুমেন্টই প্রমাণ করে আল বদর কোন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। তাহলে সেই বাহিনীর কেন্দ্রীয় বা সুপ্রিম কমান্ডার কি করে নিজামী সাহেব হতে পারেন।
তাজুল ইসলাম বলেন,জেনারেল নিয়াজীর সাক্ষাৎকারেই রয়েছে আল বদর, রাজাকার তারাই সৃষ্টি করেন মার্শাল ‘ল হেডকোয়ার্টারে, তারাই এই বাহিনী পরিচালনা করেন। আর শাহরিয়ার কবির সাহেব বললেন যে নিজামী সাহেব আল বদর প্রধান ! সাক্ষাৎকারে নিয়াজি স্পষ্ট বলেছেন, “জামায়াতে ইসলামী নয় আমিই আল বদর সৃষ্টি করেছি। আমি রাজনীতিবিদদের ঘৃণা করি।” এই সাক্ষাৎকারটি আছে মুনতাসির মামুনের বইয়ে।
তিনি বলেন,চট্টগ্রাম মুসলিম বলে নিজামী সাহেব যা বলেছেন তাতে উস্কানি পেয়ে যদি কেউ কোন গণহত্যা করে থাকে তাহলে সেটা অপরাধ হতে পারে। কিন্তু এখানে সে ধরনের কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়নি। চার্জ নং ১১-১৪ এই চারটি চার্জে কোন সুনির্দিষ্টভাবে বলা নাই যে কোন গ্রুপকে ধ্বংস করতে তিনি উস্কানি দিয়েছেন। তার অধীনে কোন সশস্ত্র গ্রুপ ছিল তারও উল্লেখ নেই। কমান্ড রেসপনসিবিলটির জন্য যেসব শর্ত প্রয়োজন তার একটিও মতিউর রহমান নিজামীর ছিল না। তিনি কোন আল বদর সদস্যকে নিয়োগ দেয়ারও ক্ষমতা রাখতেন না। আদেশ-নির্দেশ দেয়া বা শাস্তি দেয়ার ক্ষমতাও তার ছিল না।
তিনি আরো বলেন,আনীত প্রতিটি অভিযোগই ত্রুটিপূর্ণ। এমন একটি চার্জও নেই যার অপরাধ সুনির্দিষ্ট। ত্রুটিপূর্ণ চার্জ দিয়ে কোন আসামীকে শাস্তি দেয়া যায় না। অভিযোগ আনা হয়েছে ৩ আগস্টের। ঐ দিন নিজামী চট্টগ্রামে বক্তৃতা করেছেন। পত্রিকার কাটিং দৈনিক সংগ্রাম ৫ আগস্ট, পত্রিকায় ৩ আগস্ট তারিখে লেখা রিপোর্টে বলা হয়েছে গতকাল, অর্থাৎ ২ আগস্ট তিনি বক্তৃতা করেছেন। মাদানীর স্মরণসভায় নিজামীর বক্তৃতার মধ্যে কোন উস্কানি নেই। দুষ‹ৃতকারীরা তাকে হত্যা করছে। তিনি আওলাদে রসূল, রাজনৈতিক ব্যক্তি নন। তাকে যারা হত্যা করছে তারা ইসলামের শত্রু। এই পত্রিকার কোন হেডিং নেই। মাঝখান থেকে অংশবিশেষ ফটোকপি এবং কিছু অংশ হাতে লেখা বা টাইপ করা অবস্থায় দাখিল করা হয়েছে। সূরা তাওবার ১১১ নং আয়াতের ব্যাখ্যা যেটুকু পত্রিকার কাটিং-এ আছে তার মধ্যে না থেকে অতিরিক্ত কথা বানিয়ে বলা হয়েছে অভিযোগে।
তাজুল বলেন,যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ালেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসলেন তারপরে লিখিত বইতে নিজামীর নাম উল্লেখ করা হলো। তার আগ পর্যন্ত লিখিত কোন বইয়ে বা পত্রিকার রিপোর্টে তার নাম নেই। জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রেইনার হিসেবে নিজামীকে দেখানোর চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু কোন আইনও তা প্রমাণ করে না। কোন গ্রুপের সাথে তার সম্পর্ক ছিল এমন কোন প্রমাণ তারা দাখিল করেননি। যেনতেনভাবে নিজামীকে ফাঁসানোর তারা চেষ্টা করেছেন। যে কোনোভাবেই হোক তারা ফাঁসিতে ঝোলাতে চায় এজন্য তদন্ত অব্যাহত রেখে রিপোর্ট দিয়েছে। কোনভাবেই নিজামী কোন অপরাধ করেছেন মর্মে প্রমাণ করতে পারেননি তারা। তিনি সসম্মানে অব্যাহতি পাবেন। এতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি মাওলানা নিজামীকে বেকসুর খালাস আবেদন করেন ট্রাইব্যুনালের কাছে।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=141768