১ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
আজহারের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সাক্ষীর জেরা অব্যাহত:নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা ও স্ত্রীকে বীরাঙ্গনা দাবি করলেও স্বীকার করলেন যে তালিকায় নাম নাই
৫ মার্চ ২০১৪, বুধবার,

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী মোহাম্মদ মোস্তফা মিয়ার জেরা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল-বিকাল দুই বেলা জেরা করেন আজহারের আইনজীবী এডভোকেট আব্দুস সুবহান তরফদার। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে অপর দুই বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে  জেরা করা হয় মোস্তফাকে। জেরা অসমাপ্ত থাকায় আজ বুধবার পুনরায় তাকে জেরা করার দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষী তার জবানবন্দীতে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা এবং নিজের স্ত্রীকে বীরাঙ্গনা বলে দাবি করলেও জেরায় তিনি স্বীকার করেন যে, রংপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় তার নাম নেই, বীরাঙ্গনার তালিকাতেও তার স্ত্রীর নাম নেই।
গাজীপুর জেলা কারাগারে আটক এটিএম আজহারুল ইসলামকে এ উপলক্ষে গতকাল সকালেই আনা হয়  ট্রাইব্যুনালে। সাক্ষ্য গ্রহণকালে তিনি এজলাস কক্ষের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। আসামীপক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির, রায়হান উদ্দিন ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। অন্যদিকে সরকার পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম,তুরিন আফরোজ, মীর ইকবাল হোসেন ও তাপস কান্তি বল।
 
জেরার বিবরণ নি¤œরূপ :
 
প্রশ্ন- আপনার জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর- রংপুর।
প্রশ্ন- আপনারা বর্তমানে কয় ভাই বোন জীবিত আছেন।
উত্তর- দুই ভাই তিন বোন।
প্রশ্ন- আপনি বড় না বড় কেউ আছে?
উত্তর- বড় এক বোন আছে।
প্রশ্ন- এই ৫ জনের মধ্যে ক’জন জীবিত আছে?
উত্তর- ৫ জনই জীবিত। একজন মারা গেছে।
প্রশ্ন- ভাইদের মধ্যে কে বড়?
উত্তর- আমি বড়।
প্রশ্ন- রংপুরে আপনাদের বাড়ী ক’টি?
উত্তর- একটিই।
প্রশ্ন- মা বাবা ভাই বোন ১৯৭১ সালে এক বাড়িতেই বসবাস করতেন?
উত্তর- জি।
প্রশ্ন আপনার বাপ-দাদার জন্মস্থানও রংপুর?
উত্তর- না, নোয়াখালী।
প্রশ্ন- আপনার স্ত্রীর জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর- নোয়াখালি।
প্রশ্ন- নোয়াখালির কোন থানায় আপনার বাপ-দাদার বাড়ী?
উত্তর- লক্ষ্মীপুর থানাধীন ছিল।
প্রশ্ন- আপনার স্ত্রীর বাড়ী কোন থানায়?
উত্তর- লক্ষ্মীপুর থানায়।
প্রশ্ন- আপনি লক্ষ্মীপুর না রংপুরে লেখাপড়া করেছেন?
উত্তর- রংপুরে।
প্রশ্ন- আপনার কত বছর বয়স পর্যন্ত রংপুর থেকে নোয়াখালিতে যাতায়াত করতেন?
উত্তর- ২৪ বছর বয়সে।
প্রশ্ন- নোয়াখালী গিয়ে কাদের কাছে থাকতেন?
উত্তর- আমার নানার বাড়ীতে থাকতাম।
প্রশ্ন- তখন কি নানা জীবিত ছিলেন?
উত্তর- না, মামারা ছিলেন।
প্রশ্ন- আপনি ছাড়া আপনার বাকী ভাই-বোনেরা কোথায় বিয়ে করেছেন?
উত্তর- রংপুরে।
প্রশ্ন- আপনার বিয়ের দিন তারিখ মাস মনে আছে?
উত্তর- না।
প্রশ্ন- কি বারে বিয়ে হয়েছিল?
উত্তর- মনে নেই।
প্রশ্ন- আপনার বিয়েতে কে কে আপনার সাথে গিয়েছিল?
উত্তর- আমি মামার বাড়ী বেড়াতে গিয়ে বিয়ে করেছিলাম।
প্রশ্ন- এটা কি প্রেমঘটিত বিয়ে ছিল?
উত্তর- আমার নানার ওসিয়ত মতে মামাতো বোনকে বিয়ে করি, প্রেমঘটিত নয়।
প্রশ্ন- আপনার স্ত্রীর সাথে আপনার বয়সের পার্থক্য তখন ছিল ৫ থেকে ৭ বছর।
উত্তর- ইহা সত্য নয়। আমার বয়স ছিল ২৪ বছর। তখন স্ত্রীর বয়স ছিল ৯ বছর।
প্রশ্ন- বিয়ের পরে কতদিন শ্বশুরবাড়ীতে ছিলেন?
উত্তর- এক সপ্তাহ।
প্রশ্ন- আপনার শ্বশুরের কত ছেলে-মেয়ে?
উত্তর- তিন ছেলে-তিন মেয়ে।
প্রশ্ন- সবার বড় কি আপনার স্ত্রী?
উত্তর- না।
প্রশ্ন- আপনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন- এটা অসত্য বলেছেন।
উত্তর- সত্য নয়।
প্রশ্ন- আপনার স্ত্রী মনসুরা খাতুন একজন বীরাঙ্গনা এটাও অসত্য বলেছেন।
উত্তর- সত্য নয়।
প্রশ্ন- আপনার গ্রামটি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
উত্তর- বলতে পারব না, তবে রাস্তাটি উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ির দক্ষিণের বাড়িটি পাকা ওয়াল করা বাড়ি।
উত্তর- ১৯৭১ সালে কারো বাড়ি ছিল না। দূরে এক ঢাকাইয়ার বাড়ি ছিল।
প্রশ্ন- ঐ বাড়ির মালিক কে ছিল?
উত্তর- মানিউল্লাহ।
প্রশ্ন- আপনার বাড়িটি পশ্চিমমুখী।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ী থেকে উত্তর দিকে অনেক দূর এগিয়ে গেলে চার রাস্তার একটি মোড় ছিল।
উত্তর- জি। তিন বাড়ী- পরই মোড়টি। এখন অবশ্য অনেক বাড়ি হয়েছে।
প্রশ্ন- এখন ঐ মোড় থেকে আপনার বাড়ি পর্যন্ত অনেক বাড়ি আছে পশ্চিমমুখী।
উত্তর- জি, পূর্ব-পশ্চিম উভয়মুখীই বাড়ীঘর হয়েছে।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ি সোজা বাড়িগুলির সবই পশ্চিমমুখী।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- রাস্তার পূর্বপাশের বাড়িগুলো পশ্চিমমুখী আর পশ্চিমপাশের বাড়িগুলো পূর্বমুখী।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ীর পশ্চিমে এখনো কোন বাড়ী নেই।
উত্তর- জি, ফাঁকা জায়গা।
প্রশ্ন- বর্তমানে ঐ ফাঁকা জায়গায় ধান লাগানো হয়।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- রাস্তার পশ্চিম পাশে ১৯৭১ সালে কোন বাড়ী ছিল না।
উত্তর- উভয় পাশে ৩টি করে বাড়ি ছিল।
প্রশ্ন- তাদের নাম কি ছিল।
উত্তর- পূর্বপাশের একটির মালিক ছিল আবদুল খালেক, আরেকটি আবুল কাসেম, অপরটি নুরুল হকের। পশ্চিম পাশের একটির মালিক ছবিউল্লাহ, আর দুই মালিকের নাম মনে নেই।
প্রশ্ন- আপনার মা জীবিত আছেন?
উত্তর- বর্তমানে মৃত।
প্রশ্ন- তিনি কবে মারা গেছেন?
উত্তর- বলতে পারব না।
প্রশ্ন- আপনার মা ও বাবা একবাড়িতে ১৯৭১ সালে বসবাস করতো না আলাদা বাড়ীতে বাস করতো?
উত্তর- এক বাড়ীতে।
প্রশ্ন- স্বাধীনতার পরে আপনার বাবা না মা আগে মারা গেছে?
প্রশ্ন- স্মরণ নেই।
প্রশ্ন- আপনার মা যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে না স্বাধীনতার পরে মারা গেছে।
উত্তর- সম্ভবত স্বাধীনতার আগেই আমার মা মারা গেছে।
প্রশ্ন- আপনার অপর ভাই আপনার একই বাড়িতে থাকে?
উত্তর- পাশেই আলাদা বাড়ি করেছি আমি। আর ভাই পৈতৃক ভিটায় পৃথক থাকে।
প্রশ্ন- ১৯৭১ সালে ঘটনার সময় আপনার পরিবার, আপনার ভাইয়ের পরিবার আপনার বাবা-মা একই বাড়িতে থাকতেন।
উত্তর- জি। আমার ভাই তখন ছোট ছিল।
প্রশ্ন- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সময় আপনার মা সুস্থ ছিলেন এবং চলাফেরা করতে পারতেন।
উত্তর- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই মা মারা গেছে।
প্রশ্ন-আপনার অন্যান্য ভাই-বোনদের মধ্যে কে ছোট কে বড় ?
উত্তর-আমার বোনদের মধ্যে ফাতেমা সবার ছোট। ভাইদের মধ্যে আমি বড়, আরেক ভাই আমার ছোট।
 প্রশ্ন-মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনার বোনেরা কি সবাই বিবাহিত ছিল ?
 উত্তর-আমার তিন বোনের মধ্যে কেউ বিবাহিত ছিল, কেউ অবিবাহিত ছিল। ফাতেমা এবং করফুলি অবিবাহিত ছিল।
 প্রশ্ন-অবিবাহিত দুইজন কি আপনাদের বাড়িতে থাকতো ?
উত্তর-ফাতেমা এবং করফুলি কখনো আমাদের বাড়িতে থাকতো, কখনো বোনের বাড়িতে থাকতো, আমার বাবা-মায়ের মৃত্যুর কারণে। বাবা-মা জীবিত থাকাকালীন আমার উক্ত দুই বোন আমাদের বাড়িতেই সাধারণত থাকতো।
প্রশ্ন-আপনার বাকী ভাই-বোনেরা কে কি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে ?
উত্তর- আমি জানিনা।
প্রশ্ন-“আমি তাকে আমার মা বাবার সাথে থাকার জন্য বলি এবং ব্যবসায় ১৬০০ টাকা তার নিকট দেই।” একথাগুলি অসত্য, বানোয়াট ও কাল্পনিক।
উত্তর- ইহা সত্য নহে।
প্রশ্ন-আপনি কখনো মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিংয়ের জন্য ভারতে যান নাই কিংবা আপনি মুক্তিযোদ্ধা নন।
উত্তর-ইহা সত্য নহে।
প্রশ্ন-আপনাদের গ্রামটি ৩পধন ইউনিয়নের অধীনস্ত।
উত্তর-জি।
প্রশ্ন- আপনি বাহার কাছনা গ্রামের আব্দুল জাব্বার, আমিনুল ইসলাম, এ কে এম ফজলুল হক, শ্রী উকিল চন্দ্র বর্মন, ফজলুল হক, নূরুল ইসলাম, মুকুল মোস্তাফিজুর রহমান, আমিনুল ইসলাম এবং আজিজুল ইসলামদেরকে চেনেন?
উত্তর- জি, চিনি।
প্রশ্ন-৩পধন ইউনিয়নের অধীন মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আছে, সেটা আপনি জানেন?
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- ঐ তালিকায় আপনাার নাম নাই।
উত্তর- জি। সাক্ষী স¦ত:স্ফূর্তভাবে বলেন, আমি ভারতের মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে আমাকে রান্নার দায়িত্ব দেয়া হয় এবং ঊর্ধতন কর্মকর্তারা বলেন রান্নার কাজের ব্যক্তিরাও একজন মুক্তিযোদ্ধা। পরবর্তীতে কুচবিহারের একটি ক্যাম্পে গেলে আমার পায়ের তালুতে ‘মাসকাটা’ থাকায় আমাকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কুচবিহার হাসপাতালে ডা: নারায়ণ চক্রবর্তী আমার পায়ে অপারেশন করে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রায় দুই মাস বিশ্রাম নেওয়ার পরে আলফা ক্যাম্পে ফিরে আসলে আবার আমাকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করতে কর্তৃপক্ষ বলে। সে কারণেই তালিকায় আমার নাই।
প্রশ্ন-আপনার স্ত্রীর নাম বীরাঙ্গনা তালিকায় নাই।
উত্তর-সত্য। তালিকা তৈরির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের, তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা আমাদের গ্রামে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে আমাদের বাড়িতে যায় এবং আমার স্ত্রীকে বীরাঙ্গনা জেনে তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেল যথা- বৈশাখী, ২৪ চ্যানেল ও বিটিভিতে সেই সাক্ষৎতকার প্রচার করা হয়।’
প্রশ্ন-আপনার বড় বোন জুলেখার বিয়ে কখন হয় ?
উত্তর- ১৯৭১ সালের আগে ।
প্রশ্ন-তার বিয়ে হয় রামগোবিন্দ বাহার কাছনা গ্রামে।
উত্তর- সত্য।
প্রশ্ন- ঐ গ্রামটি আমাদের গ্রাম থেকে কোন দিকে কত দূরে ?
উত্তর- দক্ষিণ দিকে আধা মাইল দূরে অবস্থিত।
প্রশ্ন- আপনি ভারতে যাই নাই কিংবা দেশ স্বাধীন হওয়ার একদিন পরে আপনি ভারত থেকে বাড়িতে ফিরে আসেননি।
উত্তর-ইহা সত্য নহে ।
প্রশ্ন-আপনার পিতার মৃত্যুর কথা কার কাছে শুনেছিলেন ?
উত্তর-প্রতিবেশী নূরুল হক, নুরুন্নবী ও আব্দুল হাকিম এদের কাছ থেকে শুনি যে, আমার বাবা পাকিস্তানী আর্মিদের নির্যাতনে মারা গেছে।
প্রশ্ন-তাদের বাড়ি আপনাদের বাড়ি থেকে কোন দিকে কত দূরে ?
উত্তর- উত্তর দিকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে অবস্থিত।
প্রশ্ন- তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট আপনি জবানবন্দী দিয়েছিলেন কত তারিখে ?
উত্তর-জবানবন্দী দিয়েছি কবে তা আমার স্মরণ নাই।
প্রশ্ন- আপনি তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে জবানবন্দী দিয়েছিলেন?
উত্তর- জি, আমার আগে আমার স্ত্রী জবানবন্দী দিয়েছিল।
প্রশ্ন- আপনি ও আপনার স্ত্রী তদন্ত কর্মকর্তার নিকট কোথায় বসে জবানবন্দী দিয়েছেন?
উত্তর- প্রথমে আমাদের বাড়ীতে বসে এবং পরে রংপুর সার্কিট হাউসে আমরা জবানবন্দী দিয়েছি।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ীতে বসে জবানবন্দী দেয়ার কতদিন পরে সার্কিট হাউসে বসে জবানবন্দী দেন?
উত্তর- অন্তত এক বছর পরে।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ী ও রংপুর সার্কিট হাউসে জবানবন্দী প্রদানকালে আপনার স্ত্রীও আপনার সাথে ছিলেন।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- আপনার স্ত্রী একজন পর্দানশীন মহিলা।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- পর্দা ছাড়া তিনি চলাফেরা করেন না।
উত্তর- জি।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ী থেকে ১৪/১৫ কি: মি: পশ্চিম দিকে রংপুর শহর।
উত্তর- ৬ কিলোমিটার হবে।
প্রশ্ন- আপনার বাড়ী থেকে ৩/৪ কি: মি: পশ্চিমে রমনা সিগারেট কোম্পানীর ফ্যাক্টরী।
উত্তর- ১ কি: মি: হবে।
প্রশ্ন- ১৯৭১ সালে আপনি কোন ব্যবসা করতেন না।
উত্তর- সত্য নয়। আমি ধান-চাউলের ব্যবসা করতাম।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=140162