১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মহাজোটের মন্ত্রী হলে মাওলানা নিজামী মহাসুখে থাকতেন-ব্যারিস্টার রাজ্জাক
২০ নভেম্বর ২০১৩, বুধবার,
প্রধান ডিফেন্স কৌঁসুলি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী হওয়ার কারণে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে আজ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। তিনি যদি মহাজোট সরকারের মন্ত্রী হতেন তাহলে তিনি আজ মহাসুখে থাকতে পারতেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলেই সরকারের রোষানলের শিকার হয়ে তাকে আজ এখানে দাঁড়াতে হয়েছে। তার বিরদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার সবই ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অভিযোগের সাথে বাস্তবতার রয়েছে মাইলকে মাইল দূরত্ব। এত মানুষ হত্যা, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে তিনি জড়িত অথচ স্বাধীনতার পরে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বা কোনো থানায় একটি জিডিও হলো না? রাজনৈতিকভাবে একজন ব্যক্তিকে হত্যা করার জন্য এই মামলা একটি বড় হাতিয়ার। মাওলানা নিজামীকে আল বদর কমান্ডার বলে অভিযোগ করা হয়েছে মিথ্যাভাবে। তিনি একজন বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন। কোনো বেসামরিক ব্যক্তি একটি আধাসামরিক বাহিনীর (প্যারা মিলিটারি) সুপ্রিম কমান্ডার হতে পারে না। জেনারেল নিয়াজী নিজেই তার ‘বিট্রায়েল অব ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে লিখেছেন যে, আল বদর বাহিনী সম্পূর্ণই সেনাবাহিনীর কমান্ডে পরিচালিত একটি প্যারা মিলিটারি বাহিনী ছিল।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পক্ষে যুক্তিতর্ক পেশকালে উপরোক্ত কথা বলেন। চট্টগ্রামে একটি মামলায় হাজিরা থাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর অনুপস্থিতিতেই গতকাল তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক। বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে অপর দুই সদস্য বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গতকাল সকাল-বিকাল দুই বেলায় তিনি সমাপ্ত করেন আর্গুমেন্ট। এর আগে গত ৭, ১৭ ও ১৮ নবেম্বর মাওলানা নিজামীর পক্ষে যুক্তি-তর্ক পেশ করেন এডভোকেট মিজানুল ইসলাম ও এডভোকেট তাজুল ইসলাম। গতকাল ব্যারিস্টার রাজ্জাক যুক্তি-তর্ক শেষ করার পর সরকার পক্ষের কৌঁসুলি প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আলী ট্রাইব্যুনালকে জানান আজ বুধবার তারা কিছু ল পয়েন্টে জবাব দিবেন। ফলে তাদের জন্য আজ জবাবী শুনানির দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। গতকালের আর্গুমেন্টে ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাককে সহায়তা করেন এডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিক, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন, তারিকুল ইসলাম, আসাদ উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম বাপ্পী প্রমুখ। অপরদিকে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, প্রসিকিউর সৈয়দ হায়দার আলী, মীর ইকবাল হোসেন, আলতাফ উদ্দিন, ড. তুরিন আফরোজ, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা বাস্তবতা থেকে মাইলকে মাইল দূরত্বে। ভুলভাবে আনীত চার্জের ওপর ভিত্তি করে কাউকে শাস্তি দেয়া যায় না। ১ নম্বর চার্জে কসিম উদ্দিন মাস্টারকে হত্যার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। ৪নং সাক্ষী হাবিবুর রহমান হাবিব নিজামী সাহেবকে দেখেছেন। এটা সত্য ধরে নিলেও তা ৪(১)-এর আওতায় পড়ে না। শুধু উপস্থিতি এই ধারায় পড়ে না। উপস্থিতি এবং হত্যায় অংশগ্রহণ হলে পড়তো কিন্তু তা অভিযোগেও নেই, কোন সাক্ষীও তা বলেনি। ১২নং সাক্ষী রথীন্দ্রনাথ কুন্ডু নিজে দেখেনি, স্বপন দেখেছিল। এই চার্জে আরেকজন সাক্ষী হলো ২১নং সক্ষী ইউসুফ আলী। সেও এমন কথা বলেনি যে, নিজামী উপস্থিত থেকে হত্যাকা-ে অংশ নিয়েছেন বা তার নির্দেশে হত্যা হয়েছে। পাকিস্তান আর্মি কসিম উদ্দিনকে আটক করে নিয়ে যায়, হত্যাও করেছে তারা। আটক বা হত্যার সাথে নিজামী সাহেব জড়িত ছিল মর্মে চার্জেও নেই, সাক্ষীরাও তা বলেনি। নিজামী সাহেবকে শুধু পাকিস্তান আর্মির গাড়িতে একজন দেখেছে। এই নিছক উপস্থিতি ৪(১) ধারার কোন অপরাধ নয়। চার্জই সঠিকভাবে আনা হয়নি। ত্রুটিযুক্ত অভিযোগ বিচার্য বা শাস্তিযোগ্য হতে পারে না। সুতরাং কসিম উদ্দিন হত্যার অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, পাবনায় যে এলাকায় অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি সেই এলাকা থেকেই দুইবার এমপি হয়েছেন এবং মন্ত্রী হয়েছেন। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করেছেন। তিনি যদি বাস্তবে পাবনায় ১৯৭১ সালে কোন অপরাধের সাথে ন্যূনতম জড়িত থাকতেন তাহলে তার এলাকার মানুষ তাকে বার বার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতো না। তিনি যদি জোট সরকারের মন্ত্রী না হয়ে মহাজোট সরকারের মন্ত্রী হতেন তাহলে তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হতো না। নিছক রাজনৈতিক কারণেই তার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাক্ষী জহির উদ্দিন জালাল নিজামী ও মুজাহিদকে দেখেছেন মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজের আল বদর ক্যাম্পে। আবার তিনি বলেছেন, সর্বাধিক ক্ষমতাধর ছিলেন লেঃ কর্নেল হেজাজী। তাহলে কমান্ড রেসপনসিবিলিটি মতিউর রহমান নিজামীর ওপর পড়ে কিভাবে? যদি ধরেও নিই যে তিনি আল বদর কমান্ডার ছিলেন, তাহলে তার নির্দেশে কখন কাকে আটক, নির্যাতন, হত্যা বা গণহত্যা করা হয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন ছিল চার্জে। কিন্তু চার্জে তা নেই। এমন কোন সাক্ষীও তারা আনতে পারেনি। কোন দালিলিক প্রমাণও নেই।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যা হয়েছিল এটা সত্য। কিন্তু নিজামী সাহেব কবে, কাকে নির্দেশ দিয়ে হত্যা করালেন বা করলেন তার কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। যারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে তাদের ওপর যদি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিজামী সাহেবের থাকতো তাহলে তাকে অভিযুক্ত করা যেত। কিন্তু এমন কোন অভিযোগ প্রসিকিউশন করতে পারেনি যে, বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িতদের তিনি নিয়োগ দেয়া, নিয়োগ বাতিল করা, শাস্তি দেয়া বা নির্দেশ দিতে পারতেন।
তিনি বলেন, এই মামলাটি যে কতটা হাস্যকর তার প্রমাণ হলো সূরা তওবার দু’টি আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন নিজামী সাহেব, সেটাকেও অপরাধ হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছে। ঐ আয়াতের অর্থ হলো ‘আল্লাহ মুমিনদের জান ও মাল জান্নাতের বিনিময়ে ক্রয় করে নিয়েছেন।’ এই আয়াতটার ওপরে বক্তৃতাকে মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ এনে চমক দেখিয়েছে বটে। রাজনৈতিকভাবে একজন মানুষকে হত্যা করার জন্য এই পুরো মামলাটিই ব্যবহৃত হয়েছে। আইনগত ভিত্তি এই মামলার একেবারেই নেই। এই আমলে যদি তিনি মহাজোটের মন্ত্রিত্ব নিতেন তাহলে তিনি মহাসুখে থাকতেন। এসব অভিযোগের কিছুই আনা হতো না।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, আল বদর বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম গঠন করেন মাওলানা নিজামী এই মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ তারাই যে ডকুমেন্ট দাখিল করেছে তাতেই কয়েক ধরনের তথ্য রয়েছে। সেলিম মনসুর খালেদ লিখিত ‘আল বদর’ বইয়ে বলা হয়েছে শেরপুরে প্রথম মেজর কামরানের নেতৃত্বে আল বদর বাহিনী গঠিত হয়। তাদেরই প্রদর্শিত একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায় বইয়ে বলা হয়েছে আল বদর বাহিনী জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতাদের দ্বারা গঠিত হয়নি। এটা প্রথম শুরু হয়েছিল জামালপুরে। অন্য এক ডকুমেন্টে বলা হয়েছে আল বদর বাহিনী গঠিত হয়েছিল শর্ষিনার পীর সাহেবের নেতৃত্বে মাদরাসা ছাত্রদের নিয়ে। প্রসিকিউশনের কোন কথা ট্রাইব্যুনাল বিশ্বাস করবে? আবার জেনারেল নিয়াজী নিজেই তার লিখিত ‘বিট্রায়েল অফ ইস্ট পাকিস্তান’ বইয়ে লিখেছেন যে, আল বদর বাহিনীর ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল সেনাবাহিনীর। সেনাবাহিনী দ্বারাই পরিচালিত হতো এই বাহিনী। এটা ছিল একটি সম্পূর্ণ প্যারামিলিটারী (আধা-সামরিক) বাহিনী। আর তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, নিজামী সাহেব ১৯৭১ সালের পুরো সময়ই একজন বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন। একটি আধাসামরিক বাহিনীর ওপর একজন বেসামরিক বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ড বা নিয়ন্ত্রণ কিভাবে থাকতে পারে।
এ পর্যায়ে বিচারপতি ফজলে কবির বলেন, প্রসিকিউশন বলতে চেয়েছে যে, ছাত্রসংঘের সদস্যরাই যেহেতু আল বদর, রাজাকারসহ বিভিন্ন বাহিনীতে ছিল ঐ সদস্যদের ওপর তো সভাপতি হিসেবে নিজামী সাহেবের নিয়ন্ত্রণ ছিল। সেই হিসেবে কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়েছে। এর জবাবে ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, আমি বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলাম। তবে লজিকও কিছুটা পড়েছি। লজিক দিয়ে গল্প বলা যায়। বিচার করতে হয় আইন এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়ে। বিচারের কাছে লজিকের কোন গুরুত্ব নেই। এখন যারা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে চাকরি করে তারা যদি কোন ছাত্র সংগঠনের সদস্য আগে থেকে থাকে তাহলে কি ঐ ছাত্র সংগঠনের নেতা তার কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে?
তিনি আরো বলেন, মাওলানা নিজামী পাকিস্তানের অখ-তার পক্ষে ছিলেন। এই অখ-তা রক্ষার জন্য দোয়া করেছেন। সেটাকেও অপরাধ হিসেবে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর চেয়ে হাস্যকর আর কি হতে পারে। মাওলানা নিজামীর পাকিস্তানের অখ-তায় বিশ্বাস ছিল শুধুই রাজনৈতিক। তিনি কোন অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন না। ছাত্রসংঘের সভাপতি হিসেবে তিনি তার সংগঠনের সদস্যদের কাউকে কোন অপরাধের নির্দেশ দেননি। উস্কানিও দেননি। তিনি কোন অপরাধ করেননি। করলে স্বাধীনতার পরে মামলা হতো। বিগত ৪০ বছরে দেশের কোন থানায় বা আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা তো দূরের কথা একটি জিডিও হয়নি। মাওলানা আব্দুস সুবহানের মামলায় প্রসিকিউশন পাবনা জেলার রাজাকার, আল বদরসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি তালিকা দিয়েছে। ঐ তালিকায় মাওলানা সুবহান সাহেবের নাম থাকলেও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর নাম নেই।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, দৈনিক সংগ্রাম মতিউর রহমান নিজামীর দলীয় পত্রিকা, প্রসিকিউশন এই পত্রিকার যেসব কাটিং দিয়েছে তার কোনটাতেই তাকে আল বদর কমান্ডার বলা হয়নি। পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সভাপতি হিসেবেই সব খবর এসেছে। তিনি যদি আল বদর কমান্ডারের মতো কোন বড় পদে থাকতেন তাহলে দৈনিক সংগ্রামে ঐ পদটা অবশ্যই ছাপা হতো। তদন্ত কর্মকর্তা সাক্ষ্য প্রদানকালে বলেছেন, ১৯৭১ সালে নিজামী সাহেবকে আল বদর বাহিনীর প্রধান হিসেবে উল্লেখ করে পরিবেশিত খবর সংবলিত কোন পত্রিকা তিনি জব্দ করতে পারেননি।
জহিরুল ইসলাম বিশু লিখিত ‘পাবনা জেলার মুক্তিযুদ্ধের কথা’ বইয়ে মতিউর রহমান নিজামীকে আল বদর কমান্ডার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বইটি ২০০৯ সালে অর্থাৎ বর্তমান সরকারের সময়ে লেখা হয়েছে। এতে তিনি উদাহরণ দিয়েছেন জনকণ্ঠে ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত আবু সাইয়িদের একটি লেখা। সেই লেখায় আবু সাইয়িদ সাহেব দৈনিক সংগ্রামের একটি নিউজের রেফারেন্স দিয়েছে। কিন্তু ঐ নিউজে এমন কোন তথ্য নেই। ঐ পেপার কাটিং প্রসিকিউশন প্রদর্শনীও করেছে। তাহলে বিশু সাহেবের এই বইয়ে যা লেখা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে প্রমাণ হওয়ার কোন সুযোগ নেই যে, মাওলানা নিজামী আল বদর বাহিনীর কমান্ডার বা প্রধান ছিলেন।
ব্যারিস্টার রাজ্জাক বলেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে আনীত ১৬টি অভিযোগের প্রত্যেকটিই মিথ্যা। তিনি নির্দোষ। তাকে অপরাধী প্রমাণ করতে এমন কোন দালিলিক বা মৌখিক সাক্ষ্য সরকার পক্ষ যোগাড় করতে পারেনি যাতে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়। তার সব অভিযোগই প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি নির্দোষ বিধায় ন্যায়বান আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেবেন এই আবেদন করছি।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=132423