১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
Choose Language:

সর্বশেষ
নীতিমালা
বিদেশনীতি
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বুধবার,
০১. “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্র“তা নয়” এই  নীতির ভিত্তিতেই বিদেশনীতি পরিচালিত হবে।
 
০২. দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সবার ওপর স্থান দিয়ে বিদেশনীতি ও কার্যক্রমে প্রতিবেশী দেশসমূহসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ স¤পর্ক স্থাপনে গুরুত্ব দেয়া হবে।
 
০৩. বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় দেশের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখা হবে।
 
০৪.দেশের মর্যাদা হানিকর কোন চুক্তি বা নীতি গ্রহণ বা বাস্তবায়ন করা হবে না এবং দেশের স্বার্থ পরিপন্থী সকল কালো চুক্তি স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের আলোকে পুনর্বিন্যাস ও পুনর্বিবেচনা করা হবে। কোন রাষ্ট্রকে তার সামরিক প্রয়োজনে এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তার পরিপন্থি হয় এমন ক্ষেত্রে কোন রাষ্ট্রকে বাংলাদেশের স্থল, জলপথ, সমুদ্রসীমা ও আকাশপথ ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।
 
০৫. আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদের বিরোধীতা সহ একরাষ্ট্র কর্তৃক অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা হবে।
 
০৬. বর্ণবাদ ও জাতিগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে প্রতিটি জাতিসত্তার স্বাতন্ত্র ও সকল জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দেয়া হবে।
 
০৬. ডি-এইট (D-8) ও সার্ক (SAARC)-কে শক্তিশালী করা হবে এবং আসিয়ানের (ASEAN)সদস্যপদ লাভের জন্য বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেয়া হবে।  অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোট ও সংস্থার সাথে সুসম্পর্ক ও পারস্পারিক সহযোগীতার সম্পর্ক রাখা হবে ।
 
০৭. ওআইসি অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অন্যান্য সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি করার ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
 
০৮. বিশ্বের সকল সম্ভাবনাময় শান্তি প্রিয় শক্তির সাথে আরও দৃঢ় ও আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলাসহ মুসলিম বিশ্বের সাথে বিশেষ সম্পর্ক রক্ষা করা হবে।