১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা একেএম ইউসুফের মামলা : আইনজীবী নিয়োগ ও ক্লোজ করা ৫ সাক্ষীকে জেরার অনুমতির শুনানি কাল
১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, সোমবার,
বাগেরহাটের নোটারি পাবলিক আইনজীবী শামিমা আক্তারকে আগামী ১৯ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই আইনজীবীকে হাজির হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারকে (এসপি) গতকাল রোববার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ ছাড়া ইতোপুর্বে ক্লোজ করে দেয়া প্রসিকিউশনের সাক্ষীদেরকে জেরা করার অনুমতি এবং সৈয়দ মিজানুর রহমানকে মাওলানা এ কে এম ইউসুফের আইনজীবী হিসেবে বহাল রাখার আবেদন বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার তারিখ ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে গতকাল মাওলানা এ কে এম ইউসুফের নতুন আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে মিজানুল ইসলামকে। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর মাওলানা ইউসুফের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমানের ওকালতমানা বাতিল করে আদেশ দেয়  ট্রাইব্যুনাল-২।
বাগেরহাটের দুই নোটারি পাবলিক আইনজীবী আব্দুল ওয়াদুদ ও শামিমা আক্তার জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে প্রসিকউশনের সপ্তম সাক্ষী আসিয়া খাতুনের নামে ২০১০ সালে একটি এফিডেভিট করেন। এফিডেভিটে সাক্ষী আসিয়া বলেছেন, একাত্তরে এ কে এম ইউসুফ মানবতাবিরোধী কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
কিন্তু প্রসিকিউশনের সাক্ষী আসিয়া আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে বলেন, আমি এ ধরনের কোনো এফিডেভিট করিনি। অপরদিকে আসামীপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, তাদের কাছে এ এফিডেভিটের কপি আছে এবং তারা তা ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করেন। তখন ট্রাইব্যুনাল আসামিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এফিডেভিটের কপি থাকবে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর কাছে। আপনাদের কাছে তা কিভাবে আসল?
এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল নোটারি পাবলিকের দুই আইনজীবীকে আদালতে হাজির হয়ে এ ব্যাপারে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে আদেশ দেয়। গতকাল এডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ আদালতে উপস্থিত হন। কিন্তু অপর আইনজীবী শামিমা আক্তার শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় উপস্থিত হতে পারেননি। অতঃপর ট্রাইব্যুনাল ওই আইনজীবীকে ১৯ ডিসেম্বর হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=134323