২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মাওলানা ইউসুফের বিরুদ্ধে ১২ ও ১৩তম সাক্ষীর জেরা বন্ধ
৪ ডিসেম্বর ২০১৩, বুধবার,
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান  বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, ট্রাইব্যুনাল কারো অধীনে নয়। ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা এ কে এম ইউসুফের মামলায় প্রসিকিউশনের ১৪তম সাক্ষীর জেরার জন্য সময় আবেদন করায় তিনি এই মন্তব্য করেন। পরে প্রসিকিউশনের ১৪তম সাক্ষীর জেরা বন্ধ (ক্লোজ) করে দেন। এর আগে প্রসিকিউশনের ১২ ও ১৩তম সাক্ষীর জেরাও বন্ধ করে আদেশ দিয়েছিল একই ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় প্রসিকিউশনের ১৫তম সাক্ষীর জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করা হয়েছে।
 গতকাল ১৪তম সাক্ষীর জেরা মুলতবি রাখতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ মন্তব্য করেন। ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবী গাজী এ এইচ এম তামিম আহমেদ ট্রাইব্যুনালকে বলেন, অবরোধে সময়ে হাইকোর্টের কোনো বেঞ্চ বসেন না। অ্যাপিলেট ডিভিশন বসলেও কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। এছাড়া মামলা পরিচালনাকারী সিনিয়র কোন আইনজীবীও ট্রাইব্যুনালে আসতে পারেন না।
তখন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, সেটা আমাদের ব্যাপার। আমি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি বলেছেন, আমরা ট্রাইব্যুনাল স্বাধীন। এ সময় বিচারপতি বলেন, হরতাল-অবরোধের মধ্যেও  ট্রাইব্যুনাল চলবে। তিনি আরো বলেন, অবরোধের মধ্যে আপনি আসছেন, আসামীর আত্মীয়-স্বজন আসছেন, অন্যন্য  আইনজীবীরা আসছেন। শুধু একজন সিনিয়র আইনজীবীর কারণে কোর্ট বন্ধ থাকবে-এটা হতে পারে না।
মাওলানা  ইউসুফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ১২তম সাক্ষী আফজাল হোসেন, ১৩তম সাক্ষী শুধাংশু ম-ল এবং ১৪তম সাক্ষী বাবলু কুমার মিস্ত্রীর জেরা ক্লোজ (বন্ধ) করে  ট্রাইব্যুনাল। এই প্রথম কোনো আসামির বিরুদ্ধে পর পর তিনজন সাক্ষীর জেরা ক্লোজ (বন্ধ) করা হলো।
গত ৬ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউটর রেজাউর রহমান এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ওইদিন থেকে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ১৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর আগে গত ১ আগস্ট মাওলানা ইউসুফের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ চার ধরনের ১৩টি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। গত ১২ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে  মাওলানা ইউসুফের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই ধানম-ির বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=133518