২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
ট্রাইবুনাল
মুজাহিদের আইনজীবীর ওপর হামলার ঘটনা মহানগর হাকিমকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২
৩০ জুলাই ২০১৩, মঙ্গলবার,
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মুজাহিদের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবীরের ওপর প্রসিকিউশনের সাক্ষী জহিরউদ্দিন জালাল ওরফে বিচ্ছু জালালের হামলার ঘটনাটি মুখ্য মহানগর হাকিমকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর এ তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেয়। গত ২১ জুলাই এ ঘটনায় অভিযুক্ত জহিরউদ্দিন জালালকে সতর্ক করে অভিযোগটি নিষ্পত্তি করে আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের এ আদেশের পর অভিযুক্ত বিচ্ছু জালাল তার আইনজীবী মহসিন রশিদকে প্রত্যাহার করে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন।
গতকাল জহিরউদ্দিন জালালের পক্ষে তার নবনিযুক্ত আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী বলেন, যেহেতু এ ঘটনার সঙ্গে জহিরউদ্দিন জালাল জড়িতই ছিলেন না, তাই তাকে সতর্ক করে দেয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনাটি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার ভেতরে পড়ে কি না তা বিবেচ্য  বিষয়, কেননা এটি দূরবর্তী একটি ঘটনা। এ ঘটনা ট্রাইব্যুনালকে সরাসরি আঘাত করেনি। এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, যেহেতু একজন অফিসার অব দি কোর্টের ওপর হামলা হয়েছে, এটি দূরবর্তী কোনো বিষয় নয়, এটি ট্রাইব্যুনাল আমলে নিতে হবে।
পরে মুন্সী আহসান কবিরের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যেহেতু এ অভিযোগটি উঠেছে, অতএব এতে সংশ্লিষ্ট যে কোনো এক পক্ষ অসত্য বক্তব্য দিচ্ছে। এ ব্যাপারে সত্য উদঘাটনে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত করা উচিত।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে জামায়াত নেতা মুজাহিদের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবির তার ওপর বিচ্ছু জালাল হামলা চালিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করে মর্মে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। এরপর গত ২৮ মে বিচ্ছু জালালের বিরুদ্ধে আদালত অবমানার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে ৫ জুন তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২।
বিচ্ছু জালালের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ মে সেগুনবাগিচায় নূর মসজিদের সামনে আসামীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুন্সী আহসান কবিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী বিচ্ছু জালাল ও তার সহযোগীরা। হামলার সময় বিচ্ছু জালাল মুন্সী আহসান কবিরকে লাথি-ঘুষি মেরে বলতে থাকেন, ‘রাজাকারের আইনজীবী হয়ে আমাকে জেরা করিস।’
গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে বিচ্ছু জালাল সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য দেয়া শেষে তাকে জেরা করেন মুন্সী আহসান কবির।
http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=123373