২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার
Choose Language:

সর্বশেষ
বিজ্ঞপ্তি
সরকারের জুলুম, নির্যাতন, গণগ্রেফতার, হত্যা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, বুধবার,
সরকারের জুলুম, নির্যাতন, গণগ্রেফতার, হত্যা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আজ ২৪ সেপ্টেম্বর নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেনঃ-
“সরকার জামায়াত-শিবিরসহ বিরোধী দলের ওপর অব্যাহতভাবে অত্যাচার নির্যাতন, গণগ্রেফতার, নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির যে ষড়যন্ত্র করছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর জামায়াতের পক্ষ থেকে ঘোষিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকালে সরকার পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি ভ-ুল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। গতকাল ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া, সিলেট ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়ে ও গুলিবর্ষণ করে অর্ধশত নেতাকর্মীকে আহত করেছে এবং শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। সরকার পুলিশ ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে হামলা চালিয়ে ও গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস সৃষ্টির মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে তথ্য সন্ত্রাস সষ্টি করছে। জামায়াত-শিবির এক দিকে সরকারের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের মদদ পুষ্ট এক শ্রেণীর সংবাদপত্র ও মিডিয়া জামায়াত-শিবিরকে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করার জন্য মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। এভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার তাদের জন্যই বুমেরাং হবে।
দেশবাসী সকলেই জানেন যে, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও সাধারণ ছাত্রদের ওপর গুলি বর্ষণ ও বোমা নিক্ষেপ করে ১০ জনকে আহত করেছে। এর কিছুদিন পূর্বে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র লীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশের সাহায্যে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের আহত করেছে। এসব ঘটনা থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, সরকার পরিকল্পিতভাবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়ে একটি প্রহসনের নির্বাচনের নাটক করে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন ব্যবস্থাকে হত্যা করে জাতির ঘাড়ে এক দলীয় বাকশালী শাসন চাপিয়ে দেয়ার চক্রান্ত করছে।
সেই চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যেই সরকার বিচারের নামে প্রহসন করে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে জামায়াতে ইসলামীকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের জনগণ সরকারের এ ষড়যন্ত্রের নীল নকশা কখনো বাস্তবায়ন হতে দিবে না। দেশের জনগণ একদলীয় প্রহসনের নির্বাচন ও জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল জনাব আবদুল কাদের মোল্লা ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ ১৮দলের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মী ও আলেমদের মুক্তি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহাল করে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দিয়ে সরকারের পদত্যাগের দাবীতে তীব্র গণআন্দোলন ও সরকারের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”
 
 
মোঃ ইব্রাহিম
কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী