২৩ মে ২০১৭, মঙ্গলবার
Choose Language:

সর্বশেষ
বিজ্ঞপ্তি
দেশে এবং বিদেশে শহীদ মীর কাসেম আলীর গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬, রবিবার,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও তার রূহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করার জন্য আজকে দেশে এবং বিদেশে গায়েবানা জানাজা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের খবর পাওয়া গেছে। 
 
কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে টমছম ব্রিজের কাছে শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মুহাম্মাদ এবং জানাজা পূর্ব বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা জামায়াতের আমীর জনাব আব্দুস সাত্তার, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারী জনাব মোঃ মুসলেহ উদ্দিন, কুমিল্লা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহাদাত হোসাইন প্রমুখ।
 
চট্টগ্রাম মহানগরীতে শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ৮টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৯৬টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য রাজশাহী মহানগরীতে ৩টি, রাজশাহী পশ্চিম সাংগঠনিক জেলায় ৫৫টি এবং পূর্ব সাংগঠনিক জেলায় ৯টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
খুলনা দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলায় শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ২০টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া খুলনা উত্তর সাংগঠনিক জেলায় ৯টি এবং খুলনা মহানগরীতে ৪টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
সিলেট মহানগরীতে শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ৭টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
 
বরিশাল মহানগরীতে শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ৫টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল অঞ্চলে ১৬৬টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
নাটোর জেলা জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজায় ইমামতি করেন জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন। জেলার ৪৯টি স্থানে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
মাগুরা জেলা জামায়াতের উদ্যোগে শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন সাঈদ আহমাদ। জেলার ২০টি স্থানে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
কুস্টিয়া জেলা জামায়াতের উদ্যোগে একটি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন জেলা আমীর শাহজাহান আলী মোল্লা, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আবুল হাসেম, সহকারী সেক্রেটারী হাফেজ রফিক উদ্দিন ও দেলোয়ার হোসাইন। জেলার ৬৬টি স্থানে গায়েবানা জানাজা এবং ৩০৭টি স্থানে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
কক্সবাজার জেলায় শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ১৮টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
 
শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের আমীরের ইমামতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সহ জেলায় মোট ৯টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
রংপুর জেলায় শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ৬০টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর জনাব শাহিনুর আলমের ইমামতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি গায়েবানা জানাজা সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
নীলফামারী জেলায় শহীদ মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল ও রূহের মাগফিরাতের জন্য ৫০টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। 
 
লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর জনাব হোসাইন আহমাদ ভূঁইয়ার ইমামতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি গায়েবানা জানাজা সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ৭৭টি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।